kalerkantho

ফুটবল ফান

আপনাদের জন্য এবার থাকছে একঝাঁক ফুটবলীয় জোকস। সংগ্রহ করেছেন তাসলিমা নীলু

১২ জুন, ২০১৮ ০০:০০



ফুটবল ফান

একটি দেশের জাতীয় ফুটবল দলের জন্য নতুন কোচ নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। কোচের সঙ্গে কথা বলছেন ম্যানেজার।

ম্যানেজার : যেভাবেই হোক, আমরা চাই আপনি আমাদের জন্য প্রতিটি ম্যাচ জেতার মতো একটা সেরা দল তৈরি করে দেবেন। প্রয়োজনে আমরা আমাদের দেশের সেরা ১১ জন অ্যাথলেটকে আপনার সামনে হাজির করব।

কোচ : প্রতিটি ম্যাচ জেতার জন্য তো আমার সেরা ১১ জন অ্যাথলেটের প্রয়োজন নেই।

ম্যানেজার : তাহলে?

কোচ : আমার প্রয়োজন সেরা ১১ জন থিয়েটারকর্মী। যারা জানে, কিভাবে বিশ্বাসযোগ্যভাবে মাঠে গড়াগড়ি করতে হয়!

 

স্কুলে আট বছর বয়সী ছাত্রদের ফুটবল টুর্নামেন্ট চলছে। খেলার মাঝখানে এক খেলোয়াড়কে ডেকে নিলেন কোচ।

কোচ : যা বলছি মন দিয়ে শোনো। ফাউল হলেই রেফারির দিকে তেড়ে যেতে হয় না।

খেলোয়াড় : হুমম্।

কোচ : জয়-পরাজয় যা-ই হোক, সেটি খেলারই অংশ। হেরে গেলে তা নিয়ে উত্তেজিত হলে চলবে না।

খেলোয়াড় : হুমম্।

কোচ : আর কোচ যদি তোমাকে মাঠ থেকে উঠিয়ে অন্য কাউকে খেলতে নামান, সেটি আরেকজনকে সুযোগ করে দেওয়ার জন্য। এটি খেলারই নিয়ম। এ জন্য কোচকে গালাগাল করা চলবে না। যা বলেছি, সব বুঝতে পেরেছ?

খেলোয়াড় : হুমম্।

কোচ : গুড! এখন যাও, আর তোমার মাকে এ কথাগুলো বোঝাও!

 

অনুশীলন করতে গিয়ে পায়ে আঘাত পেলেন ব্রাজিলিয়ান ফুটবলার মার্সেলো। ডাক্তার দেখিয়ে ফেরার পর তাঁর বাবা জিজ্ঞেস করেন—কী রে, ডাক্তার কী বলল?

মার্সেলো : খেলতে নিষেধ করল।

মার্সেলোর বাবা একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললেন : ও, উনিও তাহলে তোর খেলা দেখেছেন।

 

চাচার মৃত্যুর কথা বলে দোকানের ছোকরা সেলসম্যানটি হঠাৎ ছুটি চাইল।

মালিক জিজ্ঞেস করলেন, চাচা কিভাবে মারা গেছেন?

ছোকরা : এখনো মারা যাননি। আজ ফুটবল ম্যাচের তিনিই রেফারি

 

ফুটবল ম্যাচ চলাকালীন স্টেডিয়ামের দেয়াল বেয়ে ওঠার সময় দুই দর্শককে আটক করল পুলিশ।

পুলিশ : দেয়াল বেয়ে উঠছিলে কেন?

দর্শক : কী করব? আপনারা তো গেট বন্ধ করে দিয়েছেন।

পুলিশ : গেট বন্ধই থাকবে। ওপরের নির্দেশ আছে, খেলা শেষ হওয়ার আগে কোনো দর্শক যেন বের হতে না পারে! এখন যাও, গ্যালারিতে বসো আর বাকি খেলা দেখো!

 

প্রেমিকার বাড়িতে বসে নতুন কেনা থ্রিডি টিভিতে ফুটবল ম্যাচ দেখছিল ফুটবলভক্ত রাসেল। হঠাৎ টের পেল, তার হবু শ্বশুর বাড়িতে এসে হাজির। তা-ও আসছে একেবারে ড্রয়িংরুমের দিকেই। জান বাঁচাতে আর কোথাও পালানোর জায়গা না পেয়ে শেষে টিভির পেছনেই ঠাঁই করে নিল। এদিকে প্রেমিকার বাবাও এসে বসল টিভির সামনে খেলা দেখতে। নড়াচড়ার নাম নেই। রাসেল দেখল, এখানে বসে থাকলে ম্যাচটা আর দেখা হবে না। তাই আর সহ্য করতে না পেরে সে টিভির পেছন দিক থেকে বের হয়ে এলো। তাকে দেখে হবু শ্বশুর তো ভীষণ অবাক। বলল, ‘আরে! একে কখন লাল কার্ড দিল রেফারি? দেখলাম না তো!’

রেফারি একটি গোল ঘোষণা করার পরপরই গোলরক্ষক চিত্কার করে বলে উঠল, ‘না, এটা কখনোই গোল হয়নি।’ কোনোমতেই গোলরক্ষককে বোঝাতে না পেরে শেষে রেফারির জবাব, ‘কী, এটা গোল হয়নি! ঠিক আছে, এটা গোল হয়েছে কি না সেটা আজ রাতে টেলিভিশনে খেলার খবর দেখে তারপর বোলো।’

 

দুই চরম ফুটবলভক্ত বন্ধু প্রতিজ্ঞা করল, তাদের ভেতর যে-ই আগে মারা যাক না কেন, যেভাবেই হোক—দুনিয়ায় ফেরত এসে জানাবে যে পরপারে ফুটবল ম্যাচ হয় কি হয় না। একদিন হঠাৎ করে তাদের একজন মরে গেল। মৃত বন্ধুকে কবর দিয়ে এসে রাতের বেলা জীবিত বন্ধু অপেক্ষা করতে থাকে, কখন খবর আসবে বন্ধুর কাছ থেকে। এমন সময় ঘর ভরে গেল কুয়াশায়। জীবিত বন্ধুটি দেখতে পেল, কুয়াশার মধ্যে আবছাভাবে দেখা যাচ্ছে মৃত বন্ধুর ছায়ামূর্তি। সেই ছায়ামূর্তিকে দেখেই সে ভীষণ কৌতূহলে জিজ্ঞেস করল, ‘কী রে, কী খবর?’

ছায়ামূর্তি বলল, ‘তোর জন্য দুটি খবর আছে। একটি ভালো, একটি খারাপ!’

‘কী খবর, তাড়াতাড়ি বল!’

‘পরপারে ফুটবল খেলা হয়।’

‘বাহ্! সে তো খুবই ভালো খবর! আর খারাপ খবরটা কী?’

‘কালকের ম্যাচে তুই রেফারি!’

 

ফুটবল খেলায় হাঙ্গামা বাধানোর দায়ে মস্ত এক মুশকো জোয়ান ফুটবলভক্তকে আদালতে হাজির করা হয়েছে।

পুলিশ বিচারকের কাছে সাক্ষ্য দিচ্ছে—‘হুজুর! এই ব্যক্তি খেলা শেষে চরম একটা অপরাধ করেছে।’

এবার বিচারক ওই ব্যক্তিকে জিজ্ঞেস করলেন—‘আপনি কী করেছেন যে আপনাকে আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হলো?’

মুখ কাঁচুমাচু করে সেই ভক্ত জবাব দিল—‘জনাব, আমি শুধু পাশের খালের পানিতে একটি পাথর ছুড়ে দিয়েছি, আর তাতেই পুলিশ আমাকে ধরে এনেছে।’

বিচারক বিস্মিত হয়ে বললেন, ‘তাহলে এটা তো তেমন কোনো দোষের কিছু নয়।’

এ কথা শুনে পুলিশ চিত্কার করে উঠল, ‘হুজুর, এই বিশালদেহি অপরাধী যাকে পাথর মনে করে ছুড়ে মেরেছে, সেই পাথরটি ছিল আসলে রেফারি।’

 

 

অফসাইডের সংকেত পেয়ে রেগে কাঁই হয়ে চিত্কার করে ফুটবল দলের অধিনায়ক রেফারিকে বলল, ‘আমি যদি বলি তুমি একটা কানা রামছাগল, উল্লুক, পাঁঠা, দামড়া, গাধার বিষ্ঠা—তাহলে কী হবে?’

রেফারি : তোমাকে আমি লাল কার্ড দেখাতে বাধ্য হব।

অধিনায়ক : আর আমি যদি মুখে না বলে মনে মনে ভাবি, তাহলে?

রেফারি : তাহলে তো আর আমার কিছু করার নেই।

অধিনায়ক : ও আচ্ছা, তো আমাকে একটু ভাবার সময় দাও দেখি।

 



মন্তব্য