kalerkantho

horror-club-banner

হরর ক্লাব : রানির বাড়ির সেই অদ্ভুত অশরীরী ছবি

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২৬ মার্চ, ২০১৭ ১৭:৩৯



হরর ক্লাব : রানির বাড়ির সেই অদ্ভুত অশরীরী ছবি

বিশ্বের নানা দেশে বিভিন্ন সময় অনেকের ক্যামেরায় উঠে এসেছে ভূতের প্রমাণ, যার কোনো ব্যাখ্যা নেই। এসব ছবির সত্যাসত্য নিয়ে বিতর্ক থাকলেও বহু মানুষেরই শিরদাঁড়া দিয়ে শীতল স্রোত বয়ে যায় এ ছবি দেখে।

এ লেখায় তুলে ধরা হলো তেমন এক প্রমাণ। ধারাবাহিকভাবে এ ধরনের বেশ কয়েকটি ছবি প্রকাশিত হচ্ছে কালের কণ্ঠে। আজ পাচ্ছেন তার ১৮তম পর্ব।

রানির বাড়ির সেই অদ্ভুত অশরীরী ছবি
রানির বাড়ির সেই অদ্ভুত অশরীরী ছবিটি তোলা হয় ১৯৬৬ সালে। সে দিনটি ছিল ১৯ জুন রবিবার। আর চাকরি থেকে অবসর নিয়ে কানাডিয়ান দম্পতি গিয়েছিলেন পরিত্যক্ত সেই রানির বাড়ি পরিদর্শনে। তাদের সঙ্গে ছিল ক্যামেরা ও অন্যান্য সৌখিন সরঞ্জামও।
তাদের অবশ্য অনেকেই রানির বাড়িতে যেতে নিষেধ করেছিলেন। কারণ সেখানে বেশ কিছু অদ্ভুত বিষয় দেখা যেত।

এসব বিষয়ের কোনো নির্দিষ্ট কারণও কারো জানা ছিল না। আর এসব কারণেই সেই বাড়িতে কেউ যেতে চাইত না। ফলে বহুদিন ধরে পরিত্যক্ত ছিল বাড়িটি।
সে দম্পতি যখন সেই ভৌতিক রানির বাড়িতে পৌঁছান তখন নতুন কিছু দেখার জন্য তারা উদগ্রিব ছিলেন। তাদের অবশ্য ধারণা ছিল ভৌতিক কোনো কিছুই তারা দেখবেন না। কারণ সেসব বিষয়ে তাদের বিশ্বাসও ছিল না। তবে সেখানে যাওয়ার পর বেশ কিছু অদ্ভুত বিষয় তারা প্রত্যক্ষ করেন। এসব বিষয়ের মধ্যে ছিল অযাচিত নানা ফিসফাস শব্দ, যা কোনো মানুষের কণ্ঠের মতো শোনালেও বাস্তবে তা ছিল না। এছাড়া রহস্যময় বাড়িটির আলো-আঁধারির মাঝে নানা ছায়ামূর্তিও দেখতে পেয়েছিলেন তারা। ফলে তাদের আতঙ্ক গ্রাস করেছিল। তবে এসব বিষয় সত্য নাকি শুধুই আতংক, তা নিয়ে তারা যেন নিজেরাই দ্বীধায় ছিলেন।
তবে পরবর্তীতে সেখানে তাদের তোলা ছবিগুলো প্রিন্ট করা হয়। খুব বেশি ছবি তুলতে পারেননি তারা। তবে যে কয়েকটি ছবি তোলা হয়েছিল তার মধ্যে একটি ছবিতেই দেখা যায় ভয়ার্ত একটি ছায়ামূর্তি। আর এই একটি ছবিতেই যেন আতঙ্ক গ্রাস করে বহু মানুষের।
সে ছবিটি তোলা হয়েছিল একটি প্যাঁচানো সিঁড়িতে। তবে সিঁড়িটির উভয় পাশ দড়ি দিয়ে বন্ধ করা ছিল। কারণ জানা গিয়েছিল সিঁড়িটিতে একটি অশুভ প্রেতাত্মা বাস করে। প্রায়ই ফ্যাকাসে রঙের এক নারীকে সিঁড়িতে পড়ে থাকা রক্ত মুছতে দেখেছে স্থানীয়রা। যদিও সে নারী কোনো মানুষ নয়- প্রেতাত্মা।
জানা যায়, প্রায় তিনশ বছর আগে এ সিঁড়িতেই ওপর থেকে পড়ে মারা গিয়েছিল এক নারী। আর সে নারীই পরবর্তীতে সেখানে প্রেতাত্মা রূপে রয়ে গিয়েছে। আর ক্যামেরায় তোলা ছবিতেও দেখা গেছে সেই নারীর চেহারা। যেন বলতে চাইছিল তার সেই করুণ মৃত্যুর পেছনের কোনো কাহিনী।


মন্তব্য