kalerkantho

horror-club-banner

হরর ক্লাব : ট্র্যাজেডি আর মৃত্যুর যন্ত্রণা, ঘুরে বেড়ায় নারীদের অতৃপ্ত আত্মা

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২ এপ্রিল, ২০১৭ ১৮:২৯



হরর ক্লাব : ট্র্যাজেডি আর মৃত্যুর যন্ত্রণা, ঘুরে বেড়ায় নারীদের অতৃপ্ত আত্মা

তারা বলে, এক নারীর জীবনের সবচেয়ে ভয়ংকর ঘটনা হতে পারে অমানবিক নির্যাতনের শিকার হওয়া। তাহলে মৃত্যুর পর তাদের আত্মার কী ঘটে? যদি এসব নারী কোনো কারণে অতৃপ্ত ও জিঘাংসাপূর্ণ আত্মা হয়ে ওঠে, তো কী করতে পারেন তারা? এখানে দুই নারীর গল্প শুনুন।

সন্তান হারানো, প্রেমিকের দ্বারা প্রতারিত বা পরিত্যক্ত হওয়া নারীদের পরজীবনের গা হিম করা কাহিনী। গোটা বিশ্বে এমন বেশ কয়েকজন নারীর গল্প ছড়িয়ে রয়েছে। এখানে দুজনের ঘটনা সংক্ষেপে জেন নিন।

১. অ্যানা বলেইন :

ছবি: রানি অ্যানা বলেইন

তার গল্প ইতিহাসে ছড়িয়ে রয়েছে। ভৌতিক গল্পগুলো যেভাবে ছড়িয়ে থাকে। সত্যতা নিশ্চিত নয়। কিন্তু ইতিহাস বলছে মিথ্যা নয়। ইংল্যান্ডের রাজা হেনরি অষ্টম তার প্রথম স্ত্রীকে হত্যার পর দ্বিতীয় বিয়ে করেন। আর তার পর থেকেই শুরু হয় অ্যানা বলেইনের দুঃখভারাক্রান্ত জীবনের গল্প।

১৫৩৩ সালে তিনি ইংল্যান্ডের রানি ঘোষিত হন। কিন্তু রাজ সিংহাসনের উত্তরাধিকার হিসাবে কোনো পুত্র সন্তানের জন্ম না দিতে পারাটা ছিল রাজার চোখে ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ। রাজা তাকে ত্যাগ করতে চাইলেন। শুধু তাই নয়, শিরশ্ছেদের মাধ্যমেই স্ত্রীর শাস্তি নিশ্চিত করলেন তিনি। তার এই বিভৎস মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয় ১৫৩৬ সালের ১৯ মে টাওয়ার অব লন্ডনে। সেই সময় থেকেই তার প্রেতাত্মা শিকার প্রতিশোধের নেশায় ছুটে বেড়াচ্ছে। অনেকেই তাকে দেখেছেন সাদা নারীর বেশে। শুভ্র একটা অবয়ব, যিনি মাথাটা একহাতে ধরে রেখেছেন।

২. মস্তকবিহীন বনের নারী : বলা হয়, তার প্রেতাত্মা কানাডার ফ্রেঞ্চ ফোর্ট কোভ-এ বাস করে। ১৭০০ সালের দিকে মারা যান তিনি। সেই সময় বিভিন্ন অনুষ্ঠানে যোগদানের জন্য অভিজাত ফ্রেঞ্চ নারীদের পাঠানো হতো কানাডাতে। কিন্তু ওই নারী দুজন নাবিকের আক্রমণের শিকার হন। নাবিকরা এক পর্যায়ে তার মাতা কেটে নেয়। এমন ঘটনার নির্দিষ্ট কারণ এখন পর্যন্ত জানা যায়নি। সেই থেকে এই নারী প্রতিশোধের আগুনে জ্বলছেন। এখন তিনি দাপিয়ে বেড়ান গোটা বনাঞ্চল। যাকে পাবেন, চিরতরে তার জানটাও নিয়ে নেবেন।

৩. সাদা নারীর আনাগোনা :

ছবি: পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে আচমকা দেখা দেন তারা

তিনি একা নন। পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে বেশ কয়েকজন নারীর শুভ্র ছায়ার মতো দেহের আনাগোনা দেখা গেছে। অপঘাত বা নির্যাতন বা প্রতারিত হয়ে আত্মহত্যার পর তারা এভাবেই ঘুরে বেড়ান বলে মনে করা হয়। এদের কেউ তার হারানো সন্তানকে খুঁজছেন। কেউ বা তার হত্যাকারীকে খুঁজে বেড়ান। আসলে তারা কারা এটা জানাটা জরুরি হলেও তা সম্ভব হয়নি। কিন্তু তারা যে অশুভ প্রেতাত্মা হয়ে অন্যজীবন কাটাচ্ছেন, তাতে কোনো ভুল নেই। সূত্র: ডেস্টিনেশন আমেরিকা

 


মন্তব্য