kalerkantho


সাত বছরে সর্বোচ্চ প্রবৃদ্ধির পথে বিশ্ব অর্থনীতি

বাণিজ্য ডেস্ক   

১৪ মার্চ, ২০১৮ ০০:০০



সাত বছরে সর্বোচ্চ প্রবৃদ্ধির পথে বিশ্ব অর্থনীতি

২০১৮ সালে এসে সাত বছরের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী প্রবৃদ্ধি অর্জনের পথে রয়েছে বিশ্ব অর্থনীতি। গতকাল মঙ্গলবার উন্নত দেশগুলোর সংগঠন অর্গানাইজেশন ফর ইকোনমিক কো-অপারেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (ওইসিডি) বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধি পূর্বাভাস এ দাবি করে। এতে বলা হয়, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির কারণেই এটি সম্ভব হবে। তবে সতর্ক করে দিয়ে বলা হয়, একটি বাণিজ্য যুদ্ধ সব সম্ভাবনাকে হুমকিতে ফেলে দিতে পারে।

ওইসিডি জানায়, ২০১৮ ও ২০১৯ সালে বিশ্ব প্রবৃদ্ধি বেড়ে হবে ৩.৯ শতাংশ, যা ২০১১ সালের পর থেকে সর্বোচ্চ। এর আগের পূর্বাভাসে বলা হয়েছিল এ বছর ও আগামী বছর বিশ্ব প্রবৃদ্ধি আসবে ৩.৬ শতাংশ। সংস্থা মনে করে, যুক্তরাষ্ট্রে করপোরেট কর কমানোর কারণে দেশটির অর্থনীতি শক্তিশালী হবে। যার প্রভাব পড়বে বিশ্ব অর্থনীতিতে।

ওইসিডির প্রধান অর্থনীতিবিদ অ্যালভারো পেরেইরা বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, ‘আমরা মনে করছি, অর্থনীতিতে যে সবল প্রবৃদ্ধির সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে, তা আগামী কয়েক বছর অব্যাহত থাকবে। আমরা ১০ বছরে আগে যে ধরনের স্থিতিশীল পরিবেশ দেখেছি, বিশ্ব অর্থনীতি এখন সেই দিকেই যাচ্ছে।’

ওইসিডির পূর্বাভাসে বলা হয়, বিশ্বে বিনিয়োগ ঘুরে দাঁড়িয়েছে। এতে বিশ্ব বাণিজ্যেও প্রবৃদ্ধি প্রায় ৫ শতাংশ আসবে। তবে বিশ্ব অর্থনীতি আবারও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বাণিজ্যিক দ্বন্দ্বে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইস্পাত ও অ্যালুমিনিয়াম আমদানিতে শুল্ক আরোপ করায় অন্য বাণিজ্যিক অংশীদারদের সঙ্গে যে তিক্ততা তৈরি হয়েছে, তা অস্থিরতা তৈরি করতে পারে। এতে নিশ্চিতভাবে অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার হুমকিতে পড়বে।

পেরেইরা বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি, এটি একটি বড় ঝুঁকি। সুতরাং আশা করছি, এটি কার্যকর হওয়ার আগেই মীমাংসা হয়ে যাবে।’

ওইসিডি জানায়, এ বছর যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিতে প্রবৃদ্ধি আসবে ২.৯ শতাংশ এবং ২০১৯ সালে আসবে ২.৮ শতাংশ। কর কমানোর কারণে ০.৫-০.৭৫ শতাংশ পয়েন্ট দেশটির দুই বছরের প্রবৃদ্ধিতে যুক্ত হবে। এমন পরিস্থিতিতে ফেডারেল রিজার্ভ এ বছর চারবার সুদের হার বাড়াতে পারে।

অন্যদিকে ইউরোজোনের প্রবৃদ্ধি আসবে এ বছর ২.৩ শতাংশ এবং আগামী বছর ২.১ শতাংশ। ব্রিটেনের প্রবৃদ্ধি আসবে এ বছর ১.৩ শতাংশ। ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ত্যাগের কারণে আগামী বছর দেশটির প্রবৃদ্ধি কমে হবে ১.১ শতাংশ। রয়টার্স।


মন্তব্য