kalerkantho


অর্গানিক কৃষিপণ্যের বাজার ধরতে নীতি সহায়তা দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৬ মে, ২০১৮ ০০:০০



দেশের কৃষিপণ্য রপ্তানিতে বিপুল সম্ভাবনা থাকলেও প্রয়োজনীয় উদ্যোগের অভাবে এর সম্ভাবনাকে কাজে লাগানো যাচ্ছে না। অথচ গবেষণার মাধ্যমে কৃষিপণ্যের বহুমুখী ব্যবহার নিশ্চিত করা গেলে এ খাতে আমদানিনির্ভরতা কমিয়ে রপ্তানির মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা আয় করা যায়। এ জন্য সরকারের প্রয়োজনীয় নীতি সহায়তার আহ্বান জানিয়েছেন এ খাতের উদ্যোক্তারা। 

গতকাল রাজধানীর মতিঝিলে এফবিসিসিআই সম্মেলনকক্ষে এক আলোচনাসভায় খাতসংশ্লিষ্টরা এসব কথা বলেন। সভার আয়োজন করে বাংলাদেশ অ্যাগ্রো-বেসড প্রডাক্ট প্রডিউসার অ্যান্ড মার্চেন্টস অ্যাসোসিয়েশন (বিএপিএমএ)। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব শুভাশীষ বসু এবং বিশেষ অতিথি ছিলেন এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি সফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন।

অনুষ্ঠানে বক্তারা দেশের অর্থনীতিতে কৃষি খাতের অবদানের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে কৃষি খাতের সহায়তায় কৃষি যন্ত্রপাতি শুল্কমুক্তভাবে আমদানি করার দাবি জানান। সুষ্ঠু পরিকল্পনার মাধ্যমে রপ্তানির  উদ্যোগ এবং কৃষিপণ্যে ভ্যালু অ্যাডিশনের মাধ্যমে নতুন বাজার খোঁজার কথা বলেন তাঁরা।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাণিজ্যসচিব বলেন, বাংলাদেশের কৃষিপণ্য ভাণ্ডারকে আমরা রপ্তানি আয়ের অন্যতম উৎসে পরিণত করতে পারি। তবে কৃষিপণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে উৎপাদন বাড়িয়ে প্রক্রিয়াজাত ও প্যাকেজিং করে রপ্তানি করা গেলে এ থেকে প্রচুর বিদেশি মুদ্রা আয় হবে। আশার কথা, প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কৃষকদের মাঝে সচেতনতা আগের চেয়ে অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। দেশীয় অর্থ বাঁচাতে শুধু রপ্তানি নয়, বরং আমদানি বিকল্প পণ্য উৎপাদনের দিকেও গুরুত্ব দিতে হবে বলে তিনি জানান। এফবিসিসিআই সভাপতি বলেন, অর্গানিক ফুডের বিশ্ববাজার প্রায় ৯ হাজার কোটি ডলার। দেশের কৃষি খাতের বিপুল সম্ভাবনা কাজে লাগিয়ে তার সুযোগ নেওয়া যেতে পারে। এ ছাড়া জাতীয় উৎপাদনে কৃষি খাতের অবদান আগের চেয়ে কমে এলেও দেশের মোট কর্মসংস্থানের ৪৫ শতাংশ কৃষি খাতেই হচ্ছে। এ খাতের উন্নয়নে এফবিসিসিআই সভাপতি প্রয়োজনীয় গবেষণার ওপর গুরুত্ব দেন।

 

 


মন্তব্য