ঢাকা, শুক্রবার ০৪ এপ্রিল ২০২৫
২১ চৈত্র ১৪৩১, ০৪ শাওয়াল ১৪৪৬

ঢাকা, শুক্রবার ০৪ এপ্রিল ২০২৫
২১ চৈত্র ১৪৩১, ০৪ শাওয়াল ১৪৪৬

হয়ে গেল আন্তর্জাতিক ডিজিটাল শিক্ষা সম্মেলন

কালের কণ্ঠ অনলাইন
কালের কণ্ঠ অনলাইন
শেয়ার
হয়ে গেল আন্তর্জাতিক ডিজিটাল শিক্ষা সম্মেলন

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) হয়ে গেল বাংলাদেশের প্রথম ‘আন্তর্জাতিক ডিজিটাল শিক্ষা সম্মেলন’। এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে। যৌথভাবে এর আয়োজক ছিল ব্যাকবোন ফাউন্ডেশন, ব্যাকবোন লিমিটেড এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাজেট ও পলিসি কেন্দ্র।

সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমান, জাপানের অ্যাম্বেসেডর মাসাতো ওয়াটানাবে, জাপানের হিতশোবিশি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. ইয়োনেকরা, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ইউসুফ মাহবুবুল ইসলাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক এম. আবু ইউসুফসহ অনেকে।



সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আতিউর রহমান এবং বাংলাদেশ জাপানি রাষ্ট্রদূত মাসাতো ওয়াটানাবে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে দেশের টেকসই উন্নয়নের জন্য নতুন প্রজন্মকে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সর্বশেষ শিক্ষা প্রদানের মাধ্যমে দক্ষ মানবসম্পদ হিসাবে গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, 'প্রথাগত শিক্ষা তরুণদের দক্ষ জনশক্তি করে গড়ে তুলতে যথেষ্ট নয়।
এর জন্য শিক্ষা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আনতে হবে। প্রাথমিক, মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক, বিশ্ববিদ্যালয়- সব পর্যায়ে চালু করতে হবে কম্পিউটারভিত্তিক প্রযুক্তিশিক্ষা।'

সম্মেলনের উদ্বোধন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক। সমগ্র শিক্ষাপদ্ধতিতে ডিজিটালকরণ ও শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করে দেশের শিক্ষার দৃশ্যকল্প পরিবর্তনের উপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।


সম্মেলনে কী-নোট উপস্থাপন করেন জাপানি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. ইয়োনেকরা, টশিয়াবি ইয়োশিদা, টাগোনবি ওগিনো ও কানাকো সুজুকি। এ সময় অনুষ্ঠানের অতিথিদের পরিচয় করিয়ে দেন ব্যাকবোন লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও প্রতিষ্ঠাতা মাহিন মতিন এবং ডাটা সফটের প্রেসিডেন্ট মাহবুব জামান।

মাহিন মতিন জানান, বিভিন্ন দেশের স্কলাররা এতে অংশ নেন। সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্র ও বিদ্যানুরাগীদের এতে অংশ নেওয়ার আহবান জানানো হয়েছিল। আন্তর্জাতিক ডিজিটাল শিক্ষা সম্মেলনে অংশ নিতে আগেভাগে বিনামূল্যে নিবন্ধন করতে বলা হয়।
আহবানে বেশ সাড়া পড়ে।

সম্মেলনে অংশগ্রহণকারীদের হাতে তুলে দেওয়া হয় সনদ, ছিল তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিযোগিতা। এতে অংশ নেওয়া দুইজন পাচ্ছেন জাপানে ইন্টার্নশিপ করার সুযোগ।

মন্তব্য

আসলেই কি অতীত কিংবা ভবিষ্যৎ ঘুরে আসা সম্ভব?

বিবিসি বাংলা
বিবিসি বাংলা
শেয়ার
আসলেই কি অতীত কিংবা ভবিষ্যৎ ঘুরে আসা সম্ভব?
সংগৃহীত ছবি

কোনোভাবে কি অতীতে ফিরে যাওয়া যায়? অথবা ঘুরে দেখে আসা সম্ভব ভবিষ্যতের কোনো একটা সময়ে কী ঘটবে? বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী বা সিনেমায় এমন দৃশ্য মূর্ত হয়ে ওঠে প্রায়শ। কিন্তু বিষয়টি বহু বছর ধরে পদার্থবিজ্ঞানীদের চিন্তার জগতকেও আচ্ছন্ন করে রেখেছে।

টাইম ট্রাভেল নিয়ে এখন পর্যন্ত যত বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী রচিত হয়েছে, 'ডক্টর হু' সেগুলোর মধ্যে নিঃসন্দেহেই সবচেয়ে বিখ্যাত কাহিনীগুলোর একটি। 'দ্য টাইম মেশিন' ও 'ব্যাক টু দ্য ফিউচার' নামের কল্পকাহিনীতেও টাইম ট্রাভেলের মূল আকর্ষণগুলোর পাশাপাশি বিরোধগুলো তুলে ধরার প্রচেষ্টা দেখা গেছে।

টাইম ট্রাভেলকে মূল বিষয়বস্তু রেখে নির্মিত টিভি সিরিজ 'ডক্টর হু'তে টার্ডিস নামের বিশেষ এক ধরনের যান দেখা যায়, যেটি ব্যবহার করে একজন ব্যক্তি মুহূর্তেই যেকোনো স্থানে চলে যেতে পারেন। বিশেষ এই যানে চড়েই গল্পের প্রধান চরিত্র তথা ডক্টর টাইম ট্রাভেল করে থাকেন।

কিন্তু বাস্তবে বিজ্ঞানীরা কি কখনো এমন একটি যন্ত্র তৈরি করতে পারবেন, যেটিতে চড়ে আমরা মুহূর্তেই অতীতে ফিরে গিয়ে আমাদের পূর্বপুরুষদের কিংবা ভবিষ্যতে গিয়ে আমাদের পরবর্তী প্রজন্মকে দেখে আসতে পারব?

এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে হলে আমাদের জানতে হবে যে, সময় আসলে কীভাবে কাজ করে। এখন পর্যন্ত যে কথাটি আমরা বেশ আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলতে পারি, সেটি হলো: ভবিষ্যৎ ঘুরে আসা হয়তো সম্ভব, কিন্তু অতীতে ফিরে যাওয়া ভীষণ কঠিন কিংবা একেবারেই অসম্ভব।

আপেক্ষিকতা তত্ত্ব
আলবার্ট আইনস্টাইনের 'আপেক্ষিকতা তত্ত্ব' দিয়েই তাহলে আলোচনাটা শুরু করা যাক। এই তত্ত্বে স্থান, কাল, ভর এবং মধ্যাকর্ষণ শক্তি সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট একটি বর্ণনা পাওয়া যায়।

আইনস্টাইনের এই তত্ত্বের গুরুত্বপূর্ণ একটি বক্তব্য হলো– সময়ের প্রবাহ ধ্রুব বা অপরিবর্তনীয় কিছু নয়, বরং পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে সময়ের গতি বাড়তে বা কমতে পারে।

"এখানেই টাইম ট্রাভেলের বিষয়টি আসতে পারে যেটি বৈজ্ঞানিকভাবে সঠিক এবং এর মধ্যে বাস্তববিশ্বের প্রতিফলন রয়েছে," বলছিলেন যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব ইয়র্কের জ্যোর্তিপদার্থবিজ্ঞানী ড. এমা ওসবোর্ন।

উদাহরণ হিসেবে বলা যায় যে, আপনি যদি দ্রুত গতিতে ভ্রমণ করেন, তাহলে সময় আরো ধীরে যায়। অর্থাৎ সময়ের গতি কমে আসে। তবে এর প্রভাব দৃশ্যমান হওয়ার জন্য আপনাকে ছুটতে হবে আলোর গতিতে।

এটি টুইন বা যমজ প্যারাডক্সের জন্ম দেয়, যেখানে যমজ দুই ভাইয়ের একজন নভোচারী হয়ে আলোর গতিতে মহাকাশে ভ্রমণ করেন এবং অন্যজন একই সময়ে পৃথিবীতে অবস্থান করেন। এক্ষেত্রে পৃথিবীতে থাকা ভাইয়ের চেয়ে ধীরগতিতে বয়স বাড়বে নভোচারী ভাইটির।

যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের কোয়ান্টাম পদার্থবিজ্ঞানী ভ্লাটকো ভেড্রাল বলেন, "যদি আপনি মহাকাশে ভ্রমণ করেন এবং ফিরে আসেন, তাহলে আপনি প্রকৃতপক্ষেই আপনার যমজ ভাইয়ের চেয়ে ছোট।"

একইভাবে, আপনি যদি ব্ল্যাক হোল বা কৃষ্ণ গহ্বরের মতো তীব্র মহাকর্ষীয় কোনো জায়গায় থাকেন, তাহলেও দেখা যাবে সময় ধীরগতিতে যাচ্ছে।

"সেখানে পায়ের তুলনায় আপনার মাথা দ্রুত বুড়িয়ে যাবে, কারণ পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ আপনার পায়ের কাছে বেশি শক্তিশালী," বলেন জ্যোর্তিপদার্থবিজ্ঞানী ওসবোর্ন।

আর এটিই ডক্টর হু টিভি সিরিজের ১০ নম্বর সিজনের শেষ পর্ব 'ওয়ার্ল্ড এনাফ অ্যান্ড টাইমে' দেখানো হয়েছে।

পর্বটিতে ডক্টর ও তার বন্ধুরা কৃষ্ণ গহ্বরের কাছে একটি মহাকাশযানে আটকা পড়েন। মহাকাশযানটির সামনের দিকটি কৃষ্ণ গহ্বরের বেশ কাছাকাছি ছিলো। ফলে পেছনের অংশের তুলনায় এর সামনের অংশে সময় ধীরগতিতে পার হতে দেখা যায়।

পৃথিবীতে আমাদের দৈনন্দিন জীবনে এসব আপেক্ষিক প্রভাব এতটাই কম যে সচরাচর সেগুলো আমাদের চোখে পড়ে না। কিন্তু গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেমের (জিপিএস) জন্য আমরা যে স্যাটেলাইট বা কৃত্রিম উপগ্রহ ব্যবহার করি, সেগুলোকে এটি প্রভাবিত করে থাকে।

"আকাশের ঘড়িগুলো পৃথিবীতে স্থাপিত ঘড়িগুলোর চেয়ে দ্রুত বেগে চলে এবং বিরামহীনভাবে সেগুলোর পুনর্বিন্যাস করতে হয়," বলছিলেন ওসবোর্ন।

তিনি আরো বলেন, "যদি আমরা এটি (পুনর্বিন্যাস) না করি, তাহলে গুগলম্যাপ প্রতিদিন প্রায় ১০ কিলোমিটার (ছয় মাইল) পর্যন্তও ভুল নির্দেশনা দিতে পারে।"

কাজেই আপেক্ষিকতা তত্ত্ব অনুসারে ভবিষ্যতে যাওয়া সম্ভব এবং এর জন্য আমাদের কোনো টাইম মেশিনের প্রয়োজন নেই। আমাদের হয় আলোর গতির কাছাকাছি গতিতে ভ্রমণ করতে হবে, অথবা তীব্র মহাকর্ষীয় কোনো জায়গায় সময় কাটাতে হবে।

অতীতে ফিরে যাওয়া কঠিন
তবে অতীতে ফিরে যাওয়া অনেক কঠিন। "এটি সম্ভবও হতে পারে, আবার নাও হতে পারে," বলেন কানাডার সেন্ট ক্যাথারিনসের ব্রক ইউনিভার্সিটির তাত্ত্বিক পদার্থবিদ বারাক সোশানি।

তিনি বলেন, "এ বিষয়ে এখন পর্যপ্ত আমরা যতটুকু জানতে পেরেছি, সেটি পর্যাপ্ত নয়। সম্ভবত এ সংক্রান্ত তত্ত্বের সংখ্যাও অপর্যাপ্ত।"

তবে অতীত ঘুরে দেখার কিছু বিকল্প পথ আপেক্ষিকতা তত্ত্বেই পাওয়া যায়, যদিও সেগুলো এখনো তাত্ত্বিক আলোচনার মধ্যেই সীমাবদ্ধ।

কানাডার ওয়াটারলুতে পেরিমিটার ইনস্টিটিউট ফর থিওরিটিক্যাল ফিজিক্সের তাত্ত্বিক মহাবিশ্বতত্ত্ববিদ কেটি ম্যাক বলেন, "অতীতে ফিরে যাওয়ার জন্য মানুষ মূলত স্থান ও সময়ের পুনর্বিন্যাসকে একটা সূত্রে বেঁধে ফেলে।"

এটি 'আবদ্ধ সময়ের' মতো একটি চক্র তৈরি করে যেখানে মানুষ সময় ও স্থানের দূরত্ব অতিক্রম করে এসে আবারও আগের জায়গায় ফেরত আসে।

মার্কিন যুক্তিবিদ কুর্ট গ্যোডেল ১৯৪৯ সালের একটি গবেষণায় এ ধরনের একটি গাণিতিক বিবরণ প্রকাশ করেছিলেন, যেটি পরবর্তীতে অনেকেই অনুসরণ করেছেন। তবে বিভিন্ন কারণে সেটি খুব একটা কার্যকর পদ্ধতি বলে বিবেচিত হয়নি।

"মহাবিশ্বের কোথাও (অতীতে ফিরে যাওয়ার মতো) এমন কোনো পদ্ধতি আদৌ আছে কি-না, আমরা সেটা জানি না। এটি কেবলই একটি তাত্ত্বিক ধারণা। এখন পর্যন্ত এর কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি," বলেন কোয়ান্টাম পদার্থবিজ্ঞানী ভেড্রাল।

ডক্টর হু সিরিজের ক্লাসিক পর্ব 'হেভেন সেন্টে' একটি ঘটনা তুলে ধরা হয়েছে, যেখানে লাখ লাখ বছর ধরে ডক্টরের জীবনে একই ঘটনা ঘটতে থাকে। তবে সেখানে 'আবদ্ধ সময়ের' মতো কোনো বক্ররেখা দেখানো হয়নি, বরং একটি টেলিপোর্টারের বারংবার ব্যবহার লক্ষ্য করা গেছে।

১৯৯১ সালের একটি গবেষণায় পদার্থবিজ্ঞানী রিচার্ড গট একটি বিশেষ পরিস্থিতির গাণিতিক বিবরণ তৈরি করেন, যেখানে দু'টি 'মহাজাগতিক স্ট্রিং' বিপরীত দিক থেকে একে অপরকে অতিক্রম করে।

তবে বিষয়টি এখন পর্যন্ত কেবলই অনুমাননির্ভর। কিছু তত্ত্বমতে, মহাবিশ্ব গঠনের শুরুর দিকে এ ধরনের স্ট্রিং তৈরি হয়ে থাকতে পারে। তবে সেগুলোর একটিকেও এখন পর্যন্ত শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।

তাত্ত্বিক কেটি ম্যাক বলেন, "মহাজাগতিক স্ট্রিং আছে বলে আমাদের বিশ্বাস করার কোনো কারণ নেই।"

এমনকি তাদের অস্তিত্ব থাকলেও সমান্তরালে অবস্থান করা দু'টি মহাজাগতিক স্ট্রিং খুঁজে পাওয়া একটি অবিশ্বাস্য ব্যাপার।

ওয়ার্মহোল
আরেকটি ঘটনা আছে যেটি আপাতদৃষ্টিতে আপেক্ষিকতার তত্ত্বের সঙ্গে যায়। সেটি হচ্ছে– ওয়ার্মহোলস বা সুড়ঙ্গ পথ।
তাত্ত্বিকভাবে বলা হয়ে থাকে যে, স্থান ও সময়কে কাগজের টুকরার মতো এমনভাবে ভাঁজ করা সম্ভব যেখানে দুরবর্তী দু'টি বিন্দুর মধ্যে সহজে যোগাযোগ স্থাপনের জন্য একটি সুড়ঙ্গ তৈরি করা যায়।

"সাধারণ আপেক্ষিকতায় ওয়ার্মহোলগুলো তাত্ত্বিকভাবে সম্ভব," বলেন ভেড্রাল।

কিন্তু এক্ষেত্রেও কিছু সমস্যা রয়েছে। কারণ, মহাবিশ্বে ওয়ার্মহোলের অস্তিত্ব আছে এমন কোনো প্রমাণ আমাদের হাতে নেই। 

"গাণিতিকভাবে এটি দেখানো হয়েছে যে ওয়ার্মহোলের অস্তিত্ব বিদ্যমান থাকতে পারে। কিন্তু আসলেই সেগুলোর অস্তিত্ব থাকা সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি ব্যাপার," বলছিলেন জ্যোর্তিপদার্থবিজ্ঞানী ড. এমা ওসবোর্ন।

আর মহাবিশ্বে যদি ওয়ার্মহোলগুলোর অস্তিত্ব থেকেও থাকে, তাহলে সেগুলো খুবই অল্প সময়ের জন্য টিকে থাকবে।
"ওয়ার্মহোলগুলোকে প্রায়ই দু'টি কৃষ্ণ গহ্বর হিসেবে বর্ণনা করা হয়ে থাকে যেগুলোর একটি অন্যটির সঙ্গে যুক্ত," বলেন ড. ওসবোর্ন।

এর অর্থ হলো ওয়ার্মহোলগুলোর মধ্যে অবিশ্বাস্যরকম তীব্র মহাকর্ষীয় জায়গা থাকতে পারে। "এক্ষেত্রে নিজস্ব মাধ্যাকর্ষণ বলেই সেটি ধ্বসে পড়তে পারে," বলেন জ্যোর্তিপদার্থবিজ্ঞানী ওসবোর্ন।

এছাড়া ওয়ার্মহোলগুলো আকারে অনুবীক্ষণ যন্ত্র দিয়ে দেখার মতো ছোট হওয়ার কথা। ফলে মানুষ তো দূরের কথা, একটি ব্যাকটেরিয়াও এর মধ্যে ঠিকঠাকভাবে বসানো যাবে না।

তবে তাত্ত্বিকভাবে ওপরের সমস্যা দু'টিরই সমাধান করা সম্ভব। কিন্তু সেটার জন্য বিপুলমাত্রায় নেগেটিভ এনার্জি বা ঋণাত্মক শক্তি প্রয়োজন। এটি এমন শক্তি যা পরমাণুর চেয়ে ছোট জায়গার মধ্যেও কাজ করতে পারে।

জ্যোর্তিপদার্থবিজ্ঞানী ওসবোর্ন বলেন, "একটি শক্তিক্ষেত্রে সার্বিকভাবে অবশ্যই ধনাত্মক শক্তি থাকতে হয়। তবে এর মধ্যে অল্পমাত্রায় হলেও ঋণাত্মক শক্তি থাকতে পারে।"

"অল্পমাত্রার এই ঋণাত্মক শক্তিকে হয়তো আপনি বাড়াতে চাইতে পারেন, কিন্তু কোনোভাবেই সেটি সম্ভব বলে আমি মনে করি না," বলেন তিনি।

এই মতকে সমর্থন করে ভেড্রালও বলছেন, "এটি খুব একটা বাস্তবসম্মত প্রস্তাব নয়।"

কোয়ান্টাম মেকানিক্স
আপেক্ষিকতা তত্ত্ব নিয়ে তো অনেক কথা হলো। এবার জানা যাক, মহাবিশ্বসংক্রান্ত আরেক বিখ্যাত তত্ত্ব 'কোয়ান্টাম মেকানিক্স' টাইম ট্রাভেল নিয়ে কী বলছে?

আপেক্ষিকতা তত্ত্ব যেখানে মানুষ এবং মহাবিশ্বের মতো বড় বড় জিনিসের আচরণ বিশ্লেষণ করে, সেখানে কোয়ান্টাম মেকানিক্স কাজ করে পরমাণুর চেয়েও ছোট কণা, যেমন– ইলেকট্রন ও ফোটন নিয়ে।

কোয়ান্টাম মেকানিক্সের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ হলো 'নন-লোকালিটি'। কোনো একটি জায়গায় একটি কণার অবস্থানের পরিবর্তন তার সঙ্গে সম্পর্কিত অন্য আরেকটি কণাকে তাৎক্ষণিকভাবে প্রভাবিত করতে পারে। এই ব্যাপারটিকে আইনস্টাইন দূরের "ভূতুড়ে ক্রিয়া" হিসাবে বর্ণনা করেছেন।

দার্শনিক এমিলি অ্যাডলাম বলেন, "নন লোকালিটির সম্ভাবনা নিয়ে পদার্থ বিজ্ঞানীদের অনেকেই বেশ অসন্তুষ্ট। কারণ তাৎক্ষণিকভাবে এর প্রভাব দেখতে হলে তথ্যকে আলোর গতির চেয়ে দ্রুত গতিতে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে পৌঁছে দিতে হবে, যা অসম্ভব বলে মনে করা হয়।"

আর এ কারণেই পদার্থবিজ্ঞানীদের কেউ কেউ বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা ব্যাখ্যা করার ক্ষেত্রে 'নন-লোকালিটি' বাদ দিয়ে বিকল্প কিছু পন্থার প্রস্তাব করেছেন।

তবে বড় সমস্যাটি হলো প্রস্তাবিত ওইসব নতুন পন্থায় সময় সম্পর্কে প্রচলিত ধারণা অনেক ক্ষেত্রেই বজায় রাখা সম্ভব হয় না।

অ্যাডলাম বলছেন, "নন-লোকালের তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া দেখার পরিবর্তে প্রতিক্রিয়াটিকেই বরং আপনি ভবিষ্যতের দিকে পাঠাবেন। প্রতিক্রিয়াটি কিছু সময় সেখানে ঘুরে ফিরে অতীতের দিকে চলে যাবে।"

অর্থাৎ দেখা যাচ্ছে, ভবিষ্যতের ঘটনা অতীতের ওপর প্রভাব ফেলছে। অথচ আমাদের প্রচলিত জ্ঞান সেটি বলে না।
ঘটনাগুলোকে আমরা অতীত থেকে বর্তমান এবং সেখান থেকে ভবিষ্যৎ পর্যন্ত একটি সরল রেখায় চিন্তা করি। অথচ অদ্ভুত এই কোয়ান্টাম পরীক্ষা বলছে যে, ভবিষ্যৎ ঘুরে এসে একটি তথ্য অতীতে ফিরে যেতে পারে।

তবে এই ব্যাখ্যার খুব একটা সার্বজনীন গ্রহণযোগ্যতা নেই। "পদার্থবিজ্ঞানীদের অনেকেই একে নন-লোকালিটির মতোই অস্বস্তিকর বলে মনে করেন," বলেন দার্শনিক অ্যাডলাম।

এছাড়া নন-লোকালিটি পর্যবেক্ষণে যেখানে ক্ষুদ্র কণা নিয়ে কাজ করা হয়, সেখানে একজন মানুষ বা কাগজের টুকরোর মতো একটি জিনিস নিয়ে কাজ করাটা এর জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হবে।

"অতীতে কোনো বার্তা পাঠানো অসম্ভব ব্যাপার," বলেন অ্যাডলাম। একটি উদাহরণ দিয়ে ব্যাপারটা পরিষ্কার করা যাক। ধরা যাক, অ্যাডাম ও বেথ দু'জন গবেষক।

এদের মধ্যে অ্যাডাম একটি পরীক্ষাগারে কিছু একটা পরীক্ষা করছে। এখানে তার পরীক্ষায় কী ফলাফল আসবে, সেটি নির্ভর করছে একই জিনিস পরবর্তীতে বেথ কীভাবে পরীক্ষা করছে, সেটির ওপর।

অর্থাৎ ভবিষ্যৎ থাকা বেথের পরীক্ষা অতীতে অ্যাডামের পরীক্ষার ফলাফলকে নিয়ন্ত্রণ করছে। কিন্তু এটি কেবল তখনই ঘটবে যখন অ্যাডাম অতীতে যা করেছে এবং দেখেছে, সেটার সবকিছু বেথ ধ্বংস করে ফেলতে পারে।

“আপনি অতীতে একটি সংকেত পাঠাচ্ছেন এবং এর জন্য আপনাকে অতীতের সমস্ত কাজকর্মের প্রমাণ ধ্বংস করতে হচ্ছে। ফলে বাস্তবে দেখা যাবে, আপনি সেটি কোনো কাজেই লাগাতে পারবেন না,” বলেন অ্যাডলাম।

সেজন্য আমরা বলতে পারি যে, ভবিষ্যতে ভ্রমণ করা সম্ভব হলেও অতীতে ঘুরে আসা প্রায় অসম্ভব।

তবে যে তত্ত্বগুলোর ওপর ভিত্তি করে আমরা এমন সিদ্ধান্তে পৌছেছি, সেগুলোর প্রায় সবক’টিই অসম্পূর্ণ, যা অন্যতম বড় দুর্বলতা।

এর মধ্যে আপেক্ষিকতা ও কোয়ান্টাম মেকানিক্স তত্ত্ব দু’টি ব্যবহার করে মহাবিশ্বের কিছু নির্দিষ্ট বিষয় ভালোমত ব্যাখ্যা করা গেলেও সবকিছু ব্যাখ্যা করা যায় না।

সবকিছু ব্যাখ্যা করতে হলে আমাদের আরও কার্যকর একটি তত্ত্ব প্রয়োজন, যেটি একইসাথে আপেক্ষিকতা ও কোয়ান্টাম মেকানিক্সকেও একীভূত করে। যদিও গত কয়েক দশকের প্রচেষ্টা সত্ত্বেও এখন পর্যন্ত সেই ধরনের কোনো তত্ত্ব দাঁড় করানো সম্ভব হয়নি।

আরো পড়ুন
স্ত্রী-সন্তানের ওপর রাগ করে নিজবাড়িতে আগুন

স্ত্রী-সন্তানের ওপর রাগ করে নিজবাড়িতে আগুন

 

“কাজেই ওই রকম তত্ত্ব আবিষ্কার না পাওয়া পর্যন্ত (টাইম ট্রাভেল নিয়ে) আমরা নিশ্চিত হতে পারছি না,” বলেন তাত্ত্বিক পদার্থবিদ বারাক সোশানি।

অবশ্য বিষয়টিকে আমরা অন্যভাবেও দেখতে পারি। যেমন- এই নিবন্ধটি পড়তে আপনার যতটুকু সময় লেগেছে, ততক্ষণে আপনি সাত মিনিট বা তারও বেশি সময় ভ্রমণ ভবিষ্যতের দিকে ভ্রমণ করে ফেলেছেন।
 

প্রাসঙ্গিক
মন্তব্য

এক্স ও এক্সএআই একীভূত করলেন ইলন মাস্ক

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
এক্স ও এক্সএআই একীভূত করলেন ইলন মাস্ক

এক্স ও এক্সএআই একীভূত করেছেন বলে ঘোষণা দিয়েছেন ধনকুবের ইলন মাস্ক। গতকাল শনিবার তিনি এই ঘোষণা দেন। এই একীভূতকরণের ফলে এক্সএআইয়ের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৮০ বিলিয়ন ডলার এবং এক্স-এর মূল্য ৩৩ বিলিয়ন ডলার। খবর এএফপির।

তবে ইলন মাস্ক ২০২২ সালে টুইটার কিনেছিলেন ৪৪ বিলিয়ন ডলারে। ইলন মাস্ক এক্স-এ দেওয়া পোস্টে জানিয়েছেন, এক্সএআই ‘সম্পূর্ণ স্টক স্থানান্তরের মাধ্যমে এক্স অধিগ্রহণ করেছে। 

এর আগে এক্স এবং এক্সএআই সহযোগী প্রতিষ্ঠান ছিল। এক্সএআইয়ের গ্রোক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) চ্যাটবটটিকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে এক্স-এর লাখ লাখ পোস্টের মাধ্যমে।

এক্স ব্যবহারকারীদের জন্য গ্রোক উন্মুক্ত করা হয়েছে। বিনামূল্যে ব্যবহারের পাশাপাশি প্রিমিয়াম সংস্করণও চালু করেছেন ইলন মাস্ক।

তিনি লিখেছেন, ‘এক্সএআই এবং এক্স-এর ভবিষ্যৎ পরস্পর সংযুক্ত। আমরা ডাটা, মডেল, কম্পিউটিং, বিতরণ ও প্রতিভাকে একত্রিত করার জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে পদক্ষেপ নিচ্ছি।

এক্সএআইয়ের উন্নত এআই সক্ষমতা এবং দক্ষতার সঙ্গে এক্স-এর বিশাল বিস্তৃতি একত্রিত করে এই একীভূতকরণ বিশাল সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে।

মন্তব্য

এআই মাস্টারক্লাস : কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের জন্য এক নতুন দিগন্ত

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ডেস্ক
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ডেস্ক
শেয়ার
এআই মাস্টারক্লাস : কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের জন্য এক নতুন দিগন্ত

কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের জন্য আয়োজিত ‘এআই মাস্টারক্লাস ফর কনটেন্ট ক্রিয়েটর’ ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। এই মাস্টারক্লাসের জন্য অনলাইনে নিবন্ধন চালু হওয়ার মাত্র তিন দিনের মধ্যেই বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে ৫০০ জনের বেশি বাঙালি কনটেন্ট ক্রিয়েটর নিবন্ধন করেন। বিপুল সাড়া পাওয়ার পর নতুন নিবন্ধন বন্ধ করে দেওয়া হয়। ওয়ার্কশপের উদ্যোগ নিয়েছেন জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর রবিন রাফান।

গত ২৫ মার্চ এই অনলাইন ওয়ার্কশপটি সফলভাবে সম্পন্ন হয়। লাইভ ক্লাসে প্রায় ৪০০ জন কনটেন্ট ক্রিয়েটর একসাথে উপস্থিত ছিলেন। যারা লাইভ ক্লাসে অংশ নিতে পারেননি, তাদের জন্য রেকর্ডেড ভার্সন সরবরাহ করা হয়েছে।

ওয়ার্কশপে অংশগ্রহণকারীরা এআই ব্যবহার করে কনটেন্ট তৈরি, ক্যাপশন ও হ্যাশট্যাগ জেনারেশন, ইমেজ থেকে ভিডিও এবং এনিমেশন তৈরি, প্রম্পট জেনারেশন, এআই-জেনারেটেড মিউজিক তৈরি সহ আধুনিক প্রযুক্তি সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করেছেন।

অংশগ্রহণকারীরা প্রশিক্ষণের অভিজ্ঞতা নিয়ে বেশ সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন। এই ধরনের উদ্যোগ এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে বলেই মনে করছেন কনটেন্ট ক্রিয়েটররা।

এ প্রসঙ্গে রবিন রাফান বলেন, ‘আমি প্রথমবার এত বড় সংখ্যক কনটেন্ট ক্রিয়েটরকে একসাথে এআই সম্পর্কে প্রশিক্ষণ দিয়েছি, যা আমার জন্য এক নতুন অভিজ্ঞতা। ভবিষ্যতে আরও এমন ওয়ার্কশপ আয়োজনের পরিকল্পনা করছি।

প্রথম সিজনের এই আকাশছোঁয়া সাফল্যের পর রবিন রাফান ইতিমধ্যেই দ্বিতীয় সিজনের ঘোষণা করেছেন। এই নতুন ওয়ার্কশপটি আগামী ১৪ এপ্রিলে অনুষ্ঠিত হবে এবং ইতোমধ্যেই ৩০০ জনেরও বেশি কনটেন্ট ক্রিয়েটর এর জন্য নিবন্ধন সম্পন্ন করেছেন।

মন্তব্য

মোবাইলে পানি ঢুকে গেলে করণীয়

শেয়ার
মোবাইলে পানি ঢুকে গেলে করণীয়
সংগৃহীত ছবি

আজকাল স্মার্টফোন আমাদের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে। তাই মোবাইলের মধ্যে পানি ঢুকে গেলে তা আমাদের জন্য বিরাট এক সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়। 

চলুন, জেনে নিই মোবাইলে পানি ঢুকে গেলে কী করতে হবে এবং কোন ভুল কাজগুলো করবেন না।

মোবাইলে পানি ঢুকে গেলে প্রথমে যা করবেন:

প্রথমে ফোনটি বন্ধ করে দিন, এতে শর্ট সার্কিটের সম্ভাবনা কমে।

যদি সম্ভব হয় ফোনের ব্যাটারি, সিম ও মেমোরি কার্ড বের করে ফেলুন ও শুকনো জায়গায় রাখুন। একটি শুকনো কাপড় দিয়ে ফোনের বাইরের অংশটি আলতোভাবে মুছে ফেলুন। তবে অতিরিক্ত চাপ না দেওয়ার চেষ্টা করুন। 

আপনার ফোনকে চালের পাত্রে রাখুন ২৪-৪৮ ঘণ্টার জন্য।

যাতে পানি শুষে নিয়ে ফোন দ্রুত শুকিয়ে যায়।

যে ভুলগুলো করা উচিত নয়:

ফোন শুকানোর আগে সেটি চালু করার চেষ্টা করবেন না, এতে ফোনটি নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

হেয়ার ড্রায়ার দিয়ে ফোন শুকানোর চেষ্টা করবেন না। এটি ফোনের সার্কিটে ক্ষতি করতে পারে।

ফোন ঝাঁকালে পানি আরো গভীরে চলে যেতে পারে, যা ফোনের ক্ষতি বাড়িয়ে দিতে পারে।

আপনার ফোন যদি ৪৮ ঘণ্টায় চালু না হয় তাহলে নিকটস্থ সার্ভিস সেন্টারে নিয়ে যান। ভুল পদক্ষেপ নিলে আপনার ফোন স্থায়ীভাবে নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তাই সঠিক উপায়ে মোবাইল শুকিয়ে নিন এবং প্রয়োজনে বিশেষজ্ঞের সাহায্য নিন।

সূত্র : আজতাক বাংলা

মন্তব্য

সর্বশেষ সংবাদ