kalerkantho


জোকস: ব্যাংক ম্যানেজার না আজরাইলের লাইভ বিজ্ঞাপন!

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২৮ জুলাই, ২০১৭ ১২:২৬



জোকস: ব্যাংক ম্যানেজার না আজরাইলের লাইভ বিজ্ঞাপন!

                                                (১)

মন্টুর বাপ একটা চেক জমা দিতে গিয়ে ব্যাংক কর্মকর্তাকে প্রশ্ন করলো:

স্যার, এই চেকের টাকা জমা আমার অ্যাকাউন্টে ঢুকতে কতদিন লাগবে?

২/৩ দিন।

স্যার, ব্যাংক দুটো তো খুব কাছাকাছি, রাস্তার এপার আর ওপার, তাহলে এত সময় লাগবে কেন?

ক্লিয়ারেন্স-এর কিছু প্রক্রিয়া থাকে, সেজন্য একটু সময় লাগে।

স্যার, ঠিক বুঝলাম না, এত কাছাকাছি ব্যাংক হওয়া সত্ত্বেও...

বুঝলেন না! তাহলে শোনেন। ধরেন, অ্যাক্সিডেন্ট হয়ে আপনি গোরস্থানের কাছে মারা গেলেন, তাহলে কি লোকজন আপনাকে সঙ্গে সঙ্গে ওই গোরস্থানে নিয়ে কবর দিয়ে দিবে? না কি প্রথমে হাসপাতালে নিয়ে যাবে, মারা গেছেন কি না ডাক্তার তা পরীক্ষা করে দেখবে, পুলিশ রিপোর্ট হবে, পোস্ট মর্টেম হবে, আপনার মরদেহ বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হবে, পরিবার আর আত্মীয়-স্বজন-বন্ধুরা মিলে কান্নাকাটি হবে, জানাজা হবে, ওদিকে কবর খোড়া হবে, তারপর গোরস্থানে নিয়ে লাশ দাফন করা হবে, তাই না?

স্যার, আপনে ব্যাংক ম্যানেজার না আজরাইলের লাইভ বিজ্ঞাপন?

কেন কেন!

যে কেয়ামত টাইপের ভয়াবহ উদাহরণ দিলেন বস- যেন চোক্ষের সামনে হাশরের ময়দান দেখতে পাইতাছি। আমি সাত দিনেও টাকা নিতে আসমু না, ধীরে-সুস্থে প্রসেস সারেন, স্যার! কালেকশন হইলে একটা কল দিয়েন, তারপর পারলে টাকা নিয়া যামু... নামাজের সময় হয়া গেল  মনে হয়... এখন যাই...

                                                (২)
এ কেমন যুগ এসে পড়লো ১৩ বছরের বাচ্চাও প্রেম করতে চায় আর ৬৫ বছর বয়সী বৃদ্ধও বিয়ে করছে! আর যাদের এসব করার উপযুক্ত বয়স তাদের অনেকেই দুই পায়ে দাঁড়ানোর চেষ্টায় ব্যস্ত সময় পার করছে...

                                                (৩)
মাঝে মধ্যে বৌয়ের ‘নির্যাতন’ অসহ্য ঠেকে মন্টুর বাপের। তবে বিষয়টি কারও সঙ্গে শেয়ার করা যায় না- পুরুষ মানুষ হিসেবে নিজের কাছে একটু ‘ইয়ে ইয়ে’ লাগে।

তবে মাঝেমধ্যে নিরালায় একা হলে আল্লাহকে কেঁদে কেঁদে বলে কিছু দুঃখের কথা। সেদিন ছিল তেমনি এক দুঃখের দিন, মন্টুর বাপ মোনাজাতের ভঙ্গিতে বলছিল- আয় পরওয়ারদিগার! তুমি আমারে আনন্দময় শৈশব দিছিলা হেইডা কাইড়া নিছ, সুখ-শান্তি দিছিলা হেইটাও কমায়া নিতাছো, যৌবনকাল দিছ হেইটাও যাই যাই লাইনে আছে, টাকা-পয়সাও দিছিলা মেলাই কিন্তু হেইটারে ভালমতো ফেরত নিয়া গেছে- কিন্তুক আমারে যে একটা বউ দিছিলা হেই বিষয়টা কি পুরাই ভুইলা গেলা?

হঠাৎ মন্টুর মা ঘরে উপস্থিত হয়ে রাগত কণ্ঠে বললো: কী কইতাছো তুমি? কার নামে, কারে? কাউরে দেখা তো যাইতাছে না! তুমি কার লগে কথা কইতাছিলা?

মন্টুর বাপ: আপিসের নাটকে পাট করমু তো, হেই ডায়লগ মুখস্ত করতেছিলাম। একা একা কাজটা ভাল হয়...

মন্টুর মা: তাই বল, আমি তো মনে করছিলাম...


মন্তব্য