kalerkantho


জোক্‌স: টয়লেট বিষয়ক ‘আদব-কায়দা’!

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৯ আগস্ট, ২০১৭ ০৯:০৫



জোক্‌স: টয়লেট বিষয়ক ‘আদব-কায়দা’!

                                                (১)
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের একটা হলের টয়লেটের দেয়ালে লেখা ছিল, "আপনার হাগু আপনার সম্পদ, দয়া করে অন্য কারো জন্য ফেলে রেখে যাবেন না!"

                                                (২)
চারুকলা একাডেমির টয়লেটের দরজায় লেখাছিল, "আপনার ত্যাগকৃত মল কোনো শিল্পকর্ম নয়, তাই অন্যকে প্রদর্শনের জন্য রেখে যাবেন না!"

                                               (৩)
'৯০ এর দশকে নটরডেম কলেজে একটা টয়লেটের ওয়ালে লেখা ছিল "ওহে মহাজ্ঞানী, মুতিয়া লইয়ো পানি!"

                                               (৪) 
সিলেটের একটা স্কুলের টয়লেটের দেয়ালে কমোডের ঠিক উপরে লিখা ছিল, "তুই যে লাটের বেটাই হইস না ক্যান? আমার সামনে আসলে তোর পায়জামার ফিতা খুলা লাগবেই। "

                                              (৫)
ঢাকায় একটা সরকারি অফিসের টয়লেটের ওয়ালে লেখা ছিল, "ভোগে নয়, ত্যাগেই শান্তি!"

                                              (৬)
পুরানো ঢাকার এক টয়লেটের ওয়ালে লিখা ছিল কুকুর দাঁড়িয়ে টয়লেট করে।

                                               (৭)
ঢাকার আরেকটা পাবলিক টয়লেটের ওয়ালে কে যেন লিখে রাখছিল, “ডানে দেখুন, তারপর ডানে তাকালে সেদিকে দেখা যেত লেখা রয়েছ ‘বামে দেখুন’, বামে লেখা ছিল ‘পিছনে দেখুন’, পিছনে লেখা ছিল, আবে হালায়! টয়লেটে বইয়াও এতো মোচড়া মুচড়ি করস কেন?”

                                               (৮)
কোন একটা শপিংমলের টয়লেটের দরজায় এমনটা লেখা ছিল, "যাহা ফেলিয়া যাচ্ছেন উহা একান্তই আপনার ব্যক্তিগত সম্পদ। হইলে সঙ্গে করিয়া নিয়া যান, না হইলে এক বদনা পানি ঢালিয়া যান!"

                                               (৯)
সেই অনেক আগে একটা ভার্সিটি হলে নতুন কমোড বসানো হয়েছিল, তো সেখানে আদি বাঙালি কমোড ব্যবহার করা ছাত্ররা সেটা সঠিকভাবে ব্যবহার করতে পারতো না, তো একদিন কর্তৃপক্ষ টয়লেটের দরজায় লিখে রাখলো, "আপনি যদি পা ঝুলাইয়া বসিয়া, আমার এই লেখা স্বাচ্ছন্দে পড়িতে পারেন, তার মানে আপনি সঠিক অবস্থানেই বসিয়াছেন!

                                              (১০)
জামাই শ্বশুরবাড়িতে এসে ব্যাপক আদর যত্নে আত্নহারা, ফিরে যাবার নাম নিচ্ছে না। একপর্যায়ে টয়লেটের দেয়ালে কাঠকয়লা দিয়ে সুখ-আনন্দের প্রকাশ ঘটালো এভাবে-
“শ্বশুর বাড়ি মধুর হাড়ি!”

রসিক শ্বশুর মহাশয় তার নিচে ছন্দ মিলিয়ে লিখে দিলেন-

“নিত্য এলে ঝাঁটার বাড়ি!”

                                                (১১)
কমোডের ছবিসহ উন্মাদ পত্রিকার একটা বিখ্যাত স্টিকারের বাণী ছিল এমন- ত্যাগের আনন্দ তুলনাহীন!
সূত্র: ভাইরাল সারকাজম ও অন্যান্য 
 


মন্তব্য