kalerkantho


জোক্‌স: ওষুধগুলো আপনার জন্য!

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২৬ আগস্ট, ২০১৭ ২০:৪৮



জোক্‌স: ওষুধগুলো আপনার জন্য!

                                                 (১)
শহরের সবচেয়ে কৃপণ ও শান্ত লোকটির দরজা খটখটালো এক দীনহীন ভিখারি।

ভিক্ষুক: স্যার, একটু খাবার দেন! খুব খিদা পাইছে...

কৃপণ দরজা খুলে বের হয়ে এল।

এরপর পকেট থেকে মানিব্যাগ বের করে খুলে উল্টে-পাল্টে ভিখারিকে দেখালো।

কৃপণ: দেখ, আমার মানিব্যাগে একটা পয়সাও নেই তোমাকে দেওয়ার মতো!

ভিক্ষুক: স্যার, আমি তো টাকা চাইনি, খুব খিদা লাগছে...

কৃপণ: আরে খাবারও তো দিতে পারছি না। আমার বৌ বাসায় নেই...

হঠাৎ ক্ষেপে গিয়ে ভিক্ষুক: আরে শালা! আমি কি তোর বৌয়ের চুম্মা খাইতে চাইছি! একটু খাবার তো তুই-ও দিতে পারতি ঘর থেকে আইন্যা?   

শান্ত কণ্ঠে কৃপণ: তুমি যতই উত্তেজিত কর আমাকে- খাবার বা টাকা কোনোটাই দিতে পারবো না, ব্রাদার। তবে কাল আমার বৌ বাসায় থাকতে এসো- দেখি কী দেয় তোমাকে...

                                                  (২)
স্ত্রী: আমাকে খুব মটকু দেখাচ্ছে, তাই না?

স্বামী: কে বলল এমন কথা?

স্ত্রী: কে বলবে আবার, আমি নিজের চোখেই তো দেখছি!

স্বামী: তোমার দৃষ্টিশক্তি একদম ঠিক আছে।

                                                (৩)
৪০তম বিবাহবার্ষিকীর দিন স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়া বেঁধে গেল, থামছেই না।  

একপর্যায়ে স্বামী চিৎকার করে বলল: তুমি যেদিন মরবে, তোমার কবরে আমি লিখে দিয়ে আসবো- এবার আমার স্ত্রী চিরদিনের তরে শান্ত হলো!

জবাবে স্ত্রী দ্বিগুণ চিৎকারে বলল: তুমি মরলে আমিও লিখে দিয়ে আসবো- আমার স্বামী! শেষপর্যন্ত সোজা আর শক্ত হলো!

                                                 (৪)
ডাক্তার: আপনার স্বামীর দরকার টানা বিশ্রাম আর শান্তিপূর্ণ পরিবেশ- তাহলেই তিনি আবার পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠবেন।

রোগীর স্ত্রী: ডাক্তার সাহেব কোনো ওষুধ দিলেন না!

ডাক্তার: এই নেন, কয়েক পাতা ঘুমের ওষুধ দিলাম!

রোগীর স্ত্রী: কখন কটা করে খাওয়াতে হবে ওকে?

ডাক্তার: ওষুধগুলো আপনার জন্য!

                                                 (৫)
পুত্রবধূ: মা মা, কোনো হেল্প লাগবে?

শাশুড়ি: তুমি আজ পাকঘরে? বৌমা! কী হয়েছে, শরীর না মন খারাপ?

পুত্রবধূ: না মা, এমনিতে। ভাবলাম আপনাকে হেল্প করি...

শাশুড়ি: ও... বুঝেছি। মোবাইলে ইন্টারনেট ডাটা শেষ হয়ে গেছে তোমার!


মন্তব্য