kalerkantho


জোক্‌স: যদি এমন স্ত্রী পান যিনি সমঝদার, সহিষ্ণু...

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৩১ আগস্ট, ২০১৭ ১৫:২০



জোক্‌স: যদি এমন স্ত্রী পান যিনি সমঝদার, সহিষ্ণু...

                                                 (১)

শিক্ষক: পল্টু, বল কোন পাখি উড়তে পারে না?

পল্টু: মরা পাখি স্যার?

শিক্ষক: এটা কোনো পাখির নাম হলো?

পল্টু: মানে মৃত, স্যার। মারা যাওয়ার পর কোনো পাখিই উড়তে পারে না, জানেন তো!

                                                (২)
পল্টুর বদ স্বভাব সোফায় শুয়ে থাকা। ওদিকে পল্টুর ক্যাটক্যাটে স্বভাবের মা বিষয়টি সহ্যই করতে পারে না। আজ আবারও সোফায় শুয়ে ছিল সে। মা আর পারলো না, হাতে স্যান্ডেল নিয়ে ছুটে গেল ছেলের দিকে।
 
মা: বজ্জাত ছেলে কোথাকার! এতবার বলি, তারপরেও সোফায় শুয়ে থাকিস। আজ জুতিয়ে তোকে সিধা করবো...

পল্টু: মা! মা! আর হবে না এমন... এবারের মতো...

মা: আর হবে না কেন? তুই আবার করবি এই কাজ! সোফা হচ্ছে বসার জন্য, এটা তো শোয়ার জন্য না....

পল্টু: মা, স্যান্ডেলও তো পায়ে দেওয়ার জন্য, ছেলেকে পিটানোর জন্য না...

                                                (৩)
জরিপওয়ালা: যদি এমন স্ত্রী পান যিনি সমঝদার, সহিষ্ণু, প্রতিবেশীর শাড়ি-গয়নায় ঈর্ষাকাতর নয়, ধৈর্যশীল, ভাল রাঁধুনী আবার সুন্দরীও- তাহলে তাকে কী নামে ডাকবেন?

মন্টুর বাপ: ইংরেজি হইলে রাখুম ফ্যান্টাসি আর বাংলায় হইলে রূপকথা!

                                               (৪)
শিক্ষক: ভারতীয় উপমহাদেশ থেকে বহির্বিশ্বে ভ্রমণকারী প্রথম নারী কে?

ছাত্র: রামচন্দ্রের স্ত্রী সীতা, স্যার। উনি শ্রীলঙ্কা গিয়েছিলেন!

শিক্ষক অজ্ঞান।

                                              (৫)
পড়া ফাঁকি দেওয়া আর সবচেয়ে বিটকেলে ‘মাথা মোটা’ ছাত্রটিকে পাকড়াও করলেন শিক্ষক।  

শিক্ষক: বল, মেঘনা নদী কোথায় প্রবাহিত?

ছাত্র: জমিনের ওপর প্রবাহিত, স্যার? মাটির ওপর ছাড়া নদী আর কই বইবো, স্যার?

শিক্ষক: তোর শয়তানীতে কাজ হবে না আজ। এই ম্যাপের মধ্যে এসে দেখা, মেঘনার জলধারা কোথা থেকে উৎপন্ন হয়ে কোথায় গিয়ে মিশেছে?

ছাত্র: স্যার! আপনার মানচিত্র তো কাগজের তৈরি।

পানি লাগলেই ভিজা দফারফা। সেখানে নদী থাকার কোনো চান্সই নাই!

                                               (৬)
গুগল কি পুরুষ না নারী?

নারী।

কারণ?

সে কোউকে কোনো বাক্য শেষ করতে দেয় না, তার আগেই সাজেশন দিয়ে বসে গোটা দশেক...

                                                (৭)
ভোটে দাঁড়িয়েছেন এলাকার জাঁহাবাজ নারী বিলিকিস আপা। খবর পেয়ে ছুটে এলো টিভি রিপোর্টার।

রিপোর্টার: আপা, আপনি ভোটে দাঁড়ালেন কী মনে করে? জিততে পারবেন তো?

বিলকিস: মনে করার কিছু নাই এর মধ্যে। হিসাব পরিষ্কার! স্বামীর সঙ্গে যতোবার লড়েছি, জিত আমারই হয়েছে। তো...

                                               (৮)
প্রচণ্ড মাথা ব্যথা! কিছুতেই সারছে না? গার্লফ্রেন্ডের সঙ্গে কিছুক্ষণ কথা বলেন। বিষে বিষক্ষয় হবেই- মন্টুর বাপের ডায়েরি থেকে


মন্তব্য