kalerkantho


জোকস : চঞ্চল প্রকৃতির পুরুষ...

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৪ নভেম্বর, ২০১৭ ১৭:৫৮



জোকস : চঞ্চল প্রকৃতির পুরুষ...

প্রতীকি চিত্র

                                                 (১)
ডাক্তার: জামাল সাহেব, একটি কথা মনে রাখতে হবে- সুস্থ থাকতে হলে রাতে টেনশন সঙ্গে নিয়ে ঘুমাতে যাবেন না, প্লিজ...

জামাল: তাহলে কী বাপের বাড়ি পাঠিয়ে দেব?

                                                 (২)
১০ বছরের ছেলে শুভ বাবাকে জিজ্ঞেস করছে: একটা বিয়ে করতে কত খরচ হয় আব্বু?

বাবা: আমি আসলে ঠিক জানি না বাপ।

শুভ: কেন জানো না? তুমি কি অঙ্ক পারো না? 

বাবা: অঙ্ক পারি; কিন্তু খরচ তো এখনো চলছেরে বাবা...

                                                (৩)
অফিসে ‘বদ স্বভাবের’ প্রধান কর্তার নয়া প্রাইভেট সেক্রেটারি টয়া যেমন স্মার্ট তেমনি সুন্দরী।

এ ঘটনায় চিন্তিত হয়ে পড়লেন প্রধান কর্তার স্ত্রী জরিনা। তিনি একদিন মেয়েটিকে ডেকে নিয়ে এক রেস্টুরেন্টে বসলেন।

জরিনা: দেখ টয়া, তোমাকে আমার প্রথমেই ভালো লেগেছে। আমার মন বলছে তুমি খুব লক্ষ্মী আর ভালো পরিবারের মেয়ে...

টয়া: থ্যাঙ্কস ম্যাম! আপনাকেও আমার ভালো লেগেছে খুব, ঠিক যেন স্নেহময়ী ভাবী...

জরিনা: দেখ মেয়ে, আমাকে ভাবীই বলো আর যাই বলো- তোমার জন্য কিন্তু আমি খুব চিন্তিত হয়ে পড়েছি।

চোখ কপালে তুলে মোহময় ভঙ্গিতে টয়া প্রশ্ন করল: কেন? কেন, ম্যাম!

জরিনা: না, মানে আসলে কীভাবে যে বলি... আমার স্বামী মানে তোমার বস! বেশ ক্ষমতাবান হলেও মানুষটা এমনিতে ভালোই, তবে বলছিলাম আর কী... সে খুব চঞ্চল প্রকৃতির পুরুষ...

টয়া বিস্মিত হয়ে প্রশ্ন করে: ম্যাম, ‘চঞ্চল প্রকৃতির’ বলতে আপনি আসলে কী বোঝাতে চাচ্ছেন?

জরিনা: মানে বলছিলাম কী... মানে তোমার মতো সুন্দরীদের ব্যাপারে এই ৫৫ বছর বয়সেও উনি বেশ দুর্বল হয়ে পড়েন...কখনো বেশ চঞ্চল হয়ে বেসামাল কর্মকাণ্ড করে বসেন আর কী...আসলে আমি বোধ হয় তোমাকে বোঝাতে পারছি না আসল সমস্যাটা...

এবার টয়া বেশ সপ্রতিভভাবে বলল: ও... এই ব্যাপার! ম্যাডাম, আপনি চিন্তা করবেন না। বিষয়টি আমি ইন্টারভিউয়ের দিনই ধরতে পেরেছি। আর তাইতো জয়েন করার দিন থেকেই পিল নেওয়া শুরু করেছি...

জরিনা জ্ঞান হারালেন।
 
                                                 (৪) 
তরুণ: দাদাভাই, আগেকার দিনে তোমরা কীভাবে জীবন কাটিয়েছো ভেবে পাই না! তখন ছিল না তাক লাগানো কোনো টেকনোলজি; প্লেন ছিল না, কম্পিউটার ছিল না! আরো ছিল না ইন্টারনেট, টিভি, এয়ারকন্ডিশনার, গাড়ি, মোবাইল ফোন, থ্রি-ডি মুভির মজা... তাজ্জব লাগে দাদু... কীভাবে কাটিয়েছো তোমাদের তারুণ্যের সেসব দিন?

দাদাভাই: ঠিক তোমরা যেমন এখন কাটাচ্ছো! অনুশোচনাহীন, বিবেকহীন, লজ্জাহীন, সৌজন্যহীন, কৃতজ্ঞতাবিহীন, সমবেদনাহীন, আত্মশুদ্ধিহীন, ছোটদের প্রতি ভালোবাসাহীন আর বড়দের প্রতি শ্রদ্ধাহীন... দাদুভাই, কীভাবে কাটাচ্ছো তোমরা এভাবে দিন!

                                                (৫)
পরীক্ষার হলে নীতিহীন শিক্ষক ছাত্রদের দেখাদেখি-টোকাটুকি করে উত্তর দেয়ার সুযোগ দিলেন। তবে পরীক্ষা শেষে সবাইকে বললেন, ‘খবরদার! নকল করে পরীক্ষা দিতে দিয়েছি- এ কথা বাইরে গিয়ে কাউরে বললে কিন্তু খবর আছে!’

উৎফুল্ল হয়ে এক ছাত্র বলল: স্যার, আমাগোর কাছ থেইকা কী নিছেন আর এইখানে আমাগোর লাইগা কী করছেন- তা আপনিও ভুইলা যান আমরাও ভুইলা গেলাম।

এই নিয়া কোনো চিন্তাই কইরেন না। বাইরে সবাইরে কমু ‘স্যার হালার পুত বহুত কমিনা আর হারামি কিসিমের আছিল। রোবটের মতো পরীক্ষা দিতে হইল... ডাইনে-বায়ে তাকাইতেই দেয় নাই!


মন্তব্য