kalerkantho


জোকস: শুধু বউরে বইলা দেও গতকাল রাতে আমি কোথায় ছিলাম...

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১০ মার্চ, ২০১৮ ২১:৩৩



জোকস: শুধু বউরে বইলা দেও গতকাল রাতে আমি কোথায় ছিলাম...

মন্টুর বাপ নয়া চাকরির সন্ধান করছে। এক ফার্মে ইন্টারভিউ দিচ্ছে এখন। সবকিছু চমৎকার হচ্ছে। তবে ইন্টারভিউ বোর্ড প্রেসিডেন্ট সন্তুষ্ট হতে পারছেন না। এর একটা কারণ বোধ হয় বারবার তার বাসা থেকে ফোন আসছিল। 

ওদিকে, কোনো কারণ ছাড়াই তিনি মন্টুর বাপের ওপর বিরক্তি প্রকাশ করছিলেন। 

যাহোক, বাদ করে দিতে শেষ কঠিন প্রশ্নটি করলেন তিনি মন্টুর বাপকে: আপনার রিস্ক টেকিং ক্যাপাসিটি (ঝুঁকি নেওয়ার ক্ষমতা) তো মনে হচ্ছে খুবই দুর্বল? 

মন্টুর বাপ: স্যার, একই স্ত্রীর সঙ্গে ৩০ বছর ধরে সংসার করছি... তারপরও বলছেন?

চেয়ারম্যান হঠাৎ দাঁড়িয়ে হ্যান্ডশেক করে মন্টুর বাপকে বললেন, আগে বলবেন তো! নাউ ইউ আর সিলেক্টেড। আগামী কলই জয়েন করুন।

                                                (২)
মাত্র দশটি চুল মাথায় নিয়ে সেলুনে ঢকুলেন এক হাসিখুশি বৃদ্ধ।

সেলুনওয়ালা হাসি চাপতে না পেরে বলেই ফেললো: দাদু, গুণবো না কাটবো?

বৃদ্ধ: কালার করে দাও, দশটা দশ রঙে। জীবন আনন্দময় বুঝলে। সবকিছুতে হতাশ হলে চলে না।

সেলুনওয়ালার মুখে তালা লেগে গেল। কাঁচুমাচু চেহারা করে বললো- বস, দশ রঙ তো নেই আমার কাছে। তবে দুই তিনটা কালার আছে...

বৃদ্ধ: তাই দাও। তবে সাবধানে- আটটি চুল করবে এক কালার, আর বাকি দুটো হবে আলাদা দুই কালারের।

সেলুনওয়ালা: তাই হবে ওস্তাদ! 

আনন্দ চিত্তে কাজে লেগে গেল লোকটি। তার কাছে মনে হচ্ছে- আসলেও জীবন আনন্দের।

                                                (৩)

অনেক সম্পত্তির মালিক তখন মন্টুর বাপ। হেলিকপ্টার কিনে ফেলেছে এবং নিজেই চালায়। একদিন ভুল করে তা আমেরিকান অ্যাম্বেসির ছাদে ল্যান্ড করে বসলো- তার তেলও ফুরিয়ে গিয়েছিল। 

শোরগোল পড়ে গেল দেশ-বিদেশে। মন্টুর বাপকে আটক করা হলো। দূতাবাসের নিরাপত্তাকর্মী, দেশীয় গোয়েন্দা সংস্থা এমনকি খোদ মার্কিন মুল্লুকের সিআইএ-এফবিআই পর্যন্ত বিষয়টি নিয়ে পেরেশান, সারারাত চললো জিজ্ঞাসাবাদ। 

তবে রাত ফুরোবার আগেই সবগুলো মহল জানালো, লোকটি আসলেই নিরীহ গোবেচারা। সে কোনো জঙ্গি, বিদেশি গোয়েন্দা মাসুদ রানা বা সন্ত্রাসী নয়। স্রেফ ভুল করেই পথ হারিয়ে সেখানে ল্যান্ড করেছিল। 

দূতাবাসওয়ালারা এবার কপ্টারের ট্যাঙ্কি পুরো ভরে দিয়ে তাকে বিদায় জানালো এবং হুঁশিয়ার করে দিল জীবনে দ্বিতীয়বার যেন অমন ভুল আর না করে। তাহলে একেবারে গুয়ানতানামো... 

কিন্তু পরদিন নিরাপত্তারক্ষীদের চোখ ছানাবড়া করে দিয়ে দূতাবাস ভবনের আকাশে ফের দেখা দিল সেই যান্ত্রিক ফড়িং। 

একপর্যায়ে রকেট শেল মেরে হেলিকপ্টার ল্যান্ড করার আগেই উড়িয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তও হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু নিরাপত্তাবাহিনীর প্রধান ছিলেন একজন নারী। তিনি বললেন, ধৈর্য ধর। ওকে নামতে দাও। আগে জেনে নেই ঘটনা আসলে কী। গুলি পরেও করা যাবে।  

হেলকপ্টার ল্যান্ড করলো আগের জায়গায়। এবার তাতে দেখা গেল যাত্রী দুজন, তাদের একজন নারী। মন্টুর বাপ দরোজা খুলে দুই হাত তুলে সারেন্ডার ভঙ্গিতে লাফিয়ে নেমে এল নিরাপত্তাকর্মীদের কমান্ডারের কাছে।

নিরাপত্তা কমান্ডার: একই ভুল তুমি ফের করতে গেলে কেন? গতকালই না... আর সঙ্গে ওই মহিলা কে?

মন্টুর বাপ: আমারে তোমরা যা ইচ্ছা তা করতে পার, আপত্তি নাই। কিন্তু খালি ওই মহিলা মানে আমার বউরে বইলা দেও গতকাল রাতে আমি কোথায় ছিলাম...

নিরাপত্তা কমান্ডার: আমি আগেই সন্দেহ করেছিলাম...

                                                (৪)
কাস্টমার: বলছেন ফোর জি, ফোর জি। কিন্তু ফোর জি জিনিসটা যদি বুঝিয়ে দিতেন একটু।
দোকানদার: আপনার মোবাইল আছে? 
কাস্টমার: জ্বী
দোকানদার: তাতে কল আসে? 
বাস্টমার: জ্বী
দোকানদার: সেটা দিয়ে কল যায়? 
কাস্টমার: জ্বী
দোকানদার: মেসেজিং করা যায়? 
কাস্টমার: জ্বী।

দোকানদার: ব্যস, এতেই চলবে।

কাস্টমার: মানে? 

দোকানদার: যেহেতু প্রশ্নের উত্তর ৪টাই 'জ্বী', সেহেতু আজ থেকে আপনার অপারেটর 4G এর আওতায়।

কাস্টমার: কিন্তু... কিন্তু আমার মোবাইলে তো ইন্টারনেট চলে না, খালি ঘুরে, চক্কর খায়!

দোকানদার: সে আমাদের দেখার বিষয় নয়। ৪ টা জ্বী মানেই 4G। সমস্যা হলে কল সেন্টারে ফোন...

আরো জোকস পড়তে ক্লিক করুন  মাই গড! আমিও তো ওই ফ্ল্যাটেই থাকি!


মন্তব্য