kalerkantho


জোকস: পুত্রের প্রতি মন্টুর বাপের উপদেশ

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২৪ মে, ২০১৮ ২০:১৩



জোকস: পুত্রের প্রতি মন্টুর বাপের উপদেশ

মন্টুর মা স্বপ্নে দেখলো তার মৃত্যু হয়েছে এবং স্বর্গবাস হয়েছে তার। একদিন স্বর্গের বাগানে ঘুরতে ঘুরতে এক দেয়ালের সামনে এসে তাজ্জব হয়ে গেল। দেওয়াল জুড়ে অনেক অনেক ঘড়ি, বিভিন্ন সাইজের তবে কোনো ঘড়িই খুব একটা ঘুরছে না। স্বর্গের এক প্রহরীকে ডেকে জিজ্ঞেস করলো এর কারণ।

প্রহরী: এসব হচ্ছে মিথ্যা মাপার ঘড়ি। দুনিয়ার সব মানুষের নামের একটি করে ঘড়ি আছে বেহেস্ত আর দোজখ দুইখানেই। আমরা এখানে বেহেস্তবাসীদের মাঝে যারা সবচেয়ে কম মিথ্যুক তাদের ঘড়ি ডিসপ্লে করেছি। তাই দেখতে পাবেন অনেক ঘড়ির কাঁটা হিলছেই না। তেমনি নরকে গেলে দেখবেন এমন একটি দেয়াল আছে সেখানে দুনিয়ার সেরা মিথ্যুকদের ঘড়ি আছে।

মন্টুর মা: এইখানকার বাকি ঘড়িগুলো কোথায়?

প্রহরী: গুণমান অনুযায়ী এই কমপ্লেক্সের বিভিন্ন অফিসে, ওয়ার্কস্টেশনে রাখা আছে সেগুলো।

মন্টুর মা: তাইলে বাপু, আমার মন্টুর বাপের ঘড়িটা কই- একটু দেখাইবা আমারে? 

প্রহরী: সেটাতো আমাদের অফিসে রাখা আছে, কেরানীর টেবিলে।

মন্টুর মা: সেখানে কেন?

প্রহরী: ওটাকে টেবিল ফ্যান হিসেবে ব্যবহার করছে বেচারা। ঘড়িটা এত জোরে ঘোরে যে বাতাস মন্দ বের হয় না...

জবাব শুনে মন্টুর মা কিছুটা দুঃখিত আর বিব্রত হলেও এটা মনে করে খুশি হলো, যাক বাবা। এতদিনে ওর আসল আমলনামাটা জানা গেল!

মন্টুর মা: আর আমার নামের ঘড়িটা!

প্রহরী: ও...ও...ও! সেটার কথা বলছেন! সেটাতো আমাদের জেনারেটর রুমে রাখা হয়েছে। জেনারেটর রুম থেকে আমাদের সবগুলো রুমে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়, লাইট জ্বলে, ফ্যান ঘোরে...

মন্টুর মা: কেন কেন! আমার ঘড়ি জেনারেটর রুমে কেন?

প্রহরী: কারণ, ওটা দিয়ে জেনারেটরটা ঘোড়ানো হয়... আর এর ফজিলতেই আপনাকে স্বর্গে স্থান দেওয়া হয়েছে, ম্যা’ম...
  
                                                (২)
ছেলেদের ব্যাপারে লোকজনের সবচেয়ে ভুল সিদ্ধান্ত: বিয়ে দিয়ে দাও, শুধরে যাবে- মন্টুর বাপের পর্যবেক্ষণ।

                                                (৩)
দেশের কোনো পাবলিক টয়লেটকে ততক্ষণ পর্যন্ত পাবলিক টয়লেট বলা অন্যায় যতক্ষণ পর্যন্ত না ভেতরে ঢুকেই ‘ওয়াক থু’ বের হয়ে আসে আপনার মুখ দিয়ে- মন্টুর বাপ

                                               (৪)

আজকাল মানুষজন কোনো হুমকি বা সংকেতকেই ততটা সিরিয়াসলি নেয় না- যতটা সিরিয়াসলি নেয় মোবাইল ফোনের লো-ব্যাটারির সিগন্যাল- মন্টুর বাপ 

                                                (৫)
পুত্রের প্রতি মন্টুর বাপের উপদেশ-
অতি আদরের কলিজার টুকরা বাপ আমার। জীবন চলার পথে কখনো মনে হতে পারে তোমার জাঁদরেল শিক্ষক তোমাকে খুবই পেরেশান করে, কিংবা মনে হয় বাবার আচরণটা খুবই নির্দয়, বা মা-টা যাচ্ছে তাই অথবা তোমার অফিসের বস একটা মহা ইডিয়ট যে কি না তোমাকে হয়রানি করা ছাড়া আর কিছুই জানে না- তবে মন খারাপ করবে না একদম। তাদেরকে বকাও দেবে না মনে মনে। শুধু কিছুদিন সবুর করো- তোমার বিয়েটা হতে দাও।

বউ ঘরে আসার পর নিজের বাবা-মা, শিক্ষক, বস- সবাইকে তোমার ফেরেশতা মনে হতে থাকবে, তাদের ভালবাসতে শুরু করবে তুমি... 


মন্তব্য