kalerkantho


জোকস: তোদের বাড়িতে কি প্লেট একটা নাকি?

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৩১ মে, ২০১৮ ১৫:২৭



জোকস: তোদের বাড়িতে কি প্লেট একটা নাকি?

দৌড়ে পোস্ট অফিসে ঢুকলেন পলাশ। হাঁপাতে হাঁপাতে পোস্টমাস্টারকে বললেন: স্যার, স্যার... আমার স্ত্রীকে খুঁজে পাচ্ছি না। সম্ভবত কিডন্যাপ্‌ড হয়েছে...

পোস্টমাস্টার: আপনি ভুল করেছেন! এটা পোস্ট অফিস, পুলিশ স্টেশন না।

লজ্জিত হাসি দিয়ে পলাশ: সরি, ভুল হয়ে গেছে! খুশির চোটে কী করি কই যাই- সব ওলট পালট হয়ে গেছে...
                                                (২)
এলএলবি ক্লাস। ওকালতির প্রফেসর ছাত্রদের উদ্দেশ্যে বললেন, যদি কাউকে একটি কমলালেবু দিতে হয়, কিভাবে তা উপস্থাপন করবে? 

এক ছাত্র জবাব দিলো-এই নিন, কমলালেবু। এভাবে বলবো, স্যার?

প্রফেসর: না, হলো না; উকিলের মতো আইনি ভাব মিশিয়ে বলো। 

তখন ছাত্র বললো-আমি বেচারামের পুত্র কেনারাম, গ্রাম মুকুন্দপুর, পশ্চিমবঙ্গ নিবাসী, পূর্ণ সজ্ঞানে, কারুর কাছে ভয় অথবা চাপ না খাইয়া এই যে ফল, যাহা কমলালেবু নামে পরিচিত আর যেটার ওপর আমার সম্পূর্ণ অধিকার, তাহার খোসা, রস, মজ্জা এবং বীজ সহিত আপনাকে প্রদান করিতেছি এবং ইহার সাথে আপনাকে সম্পূর্ণ ও নিঃশর্তে অধিকার দিচ্ছি যে আপনি এটাকে কাটিতে, ছিঁড়িতে, ফ্রিজে রাখিতে বা খাবার জন্যে পূর্ণভাবে স্বতন্ত্র রাখিতে পারিবেন। আপনার এই অধিকারও থাকিবে যে আপনি যে কোনো অন্য ব্যক্তিকে এই ফল, ইহার খোসা, রস, মজ্জা ও বীজের সহিত বা অন্যথা তাহাকে দিতে পারেন। আমি ঘোষণা করিতেছি আজকের পূর্বে এই কমলালেবু সংক্রান্ত কোনো প্রকার বাদ বিবাদ, ঝগড়া ঝঞ্ঝাটের সমস্ত দায়িত্ব আমার এবং আজকের পর এই কমলালেবুর সহিত আমার আর কোনো প্রকার সম্পর্ক থাকিবে না।

প্রফেসর ডায়াস ছেড়ে নেমে এসে ছাত্রের কদমবুসি করে বিনীতভাবে হাতজোর করে দাঁড়ালেন। এরপর বললেন: কেনারাম স্যার, আপনি এখানে কেন? আপনার আসন তো ওইখানে আর এখানে আমাকে বসতে দিন! (সংগৃহীত)
                                                (৩)
মন্টুর বাপ: আমার ভার্সিটি জীবনের বন্ধু রঞ্জু আজ লাঞ্চ খাবে আমাদের বাসায়। ব্যস্ত হওয়ার কিছু নেই, ঘরে যা আছে তাই...

মন্টুর মা: মাথা খারাপ হয়ে গেছে তোমার?

মন্টুর বাপ: কেন?

মন্টুর মা: বাড়ি-ঘরের অবস্থা দেখেছো? মনে হচ্ছে গুদাম ঘর, এক ইঞ্চি ধূলো জমেছে বসার ঘরে, পাক ঘরে ঢোকা দায়, ফ্রিজ তো পুরাই গরের মাঠ...আর আমাকে দেখতে লাগছে কাজের বুয়ার মতো... এরমধ্যে রঞ্জু ভাইয়ের মতো রুচিশীল বুদ্ধিজীবী বন্ধুকে আসতে বললে! তোমার মানসম্মান বোধ বলে কিছু আছে?

মন্টুর বাপ: খামোখাই চিন্তা করছো। দেরিতে হলেও রঞ্জু গর্দভটা বিয়ে করতে যাচ্ছে। বিয়ের আগে সে আসলে দেখতে চাচ্ছে একজন বিবাহিত ব্যক্তির ঘরবাড়ির বাস্তব অবস্থা। মনে হয় না সে বঞ্চিত হবে...

                                                (৪)
কঠিন হিসেবি বাবার সঙ্গে কথা হচ্ছে স্ফূর্তিবাজ ছেলের।

বাবা, গাড়ির চাবিটা দাও।

কেন?

পার্টিতে যাবো। তোমার ২০ লাখ টাকার গাড়িতে চড়ে গেলে আমার প্রেস্টিজ অনেক হাই হয়ে যাবে বন্ধুদের কাছে।

এই নে ২০ টাকা। বাসে করে যা। ৫০ লাখ টাকার বাসযাত্রা তোর ইজ্জত আড়াই গুণ বাড়িয়ে দেবে। 

                                                (৫)
মন্টু গেছে ঝন্টুর বাড়ি।
ঝন্টু: হালুয়া না পায়েস? কোনটা খাবি দোস্ত?
মন্টু: তোদের বাড়িতে কি প্লেট একটা নাকি?


মন্তব্য