kalerkantho


জোকস: টেকিং ব্রেড উইথ চিকেন!

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৮ জুন, ২০১৮ ২১:২৩



জোকস: টেকিং ব্রেড উইথ চিকেন!

স্বামী: চল আজ বাইরে চা খেতে যাই!

স্ত্রী: তোমার কি মনে হচ্ছে যে তোমার বউ চা বানাতে বানাতে ক্লান্ত হয়ে গেছে?

স্বামী: না, সুইট হার্ট। আমি চায়ের কাপ-পিরিচ ধুতে ধুতে ক্লান্ত হয়ে পড়েছি...

                                                (২)

স্বামী-স্ত্রী ঈদের টিভি অনুষ্ঠান দেখছে। টিভি উপস্থাপক বলছে: প্রিয় দর্শক, আপনারা দেখছেন দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় চ্যানেল... হঠাৎ স্বামী চেয়ার ছেড়ে উঠে ঘরের এদিক ওদিক খোঁজাখুজি শুরু করলো।

স্ত্রী: কী হলো! কী খুঁজছো অমন করে?

স্বামী: ক্লোজ সার্কিট টিভি ক্যামেরা! মানে গোপন ক্যামেরা।

স্ত্রী: মানে? এখানে গোপন ক্যামেরা আসবে কোত্থেকে?

স্বামী: আমারো তো একই প্রশ্ন! ব্যাটা জানলো কি করে?

স্ত্রী: কী যা তা বকছো! পাগল হয়ে গেলে নাকি?

স্বামী: পাগল-ই হয়ে যাওয়ার কথা। দেখছো না ব্যাটা টিভি উপস্থাপক কী বকছে... আমরা কোন চ্যানল দেখছি সেটা ও জানলো কী করে!

                                                (৩)
কাল স্কুলে আসনি কেন রঞ্জু?

ম্যাডাম, স্বপ্নে দেখলাম রাশিয়া চলে গেছি বিশ্বকাপ দেখতে...

প্রিয় ছাত্রের এমন ফাঁকিবাজী কথায় মুচকি প্রশ্রয়ের হাসি দেখা দিল শিক্ষকের মুখে। এবার অপছন্দের একজনকে ধরলেন-

স্বপন, তুমি আসনি কেন?

ম্যাডাম আমি তো ওকে বিদায় দিতে এয়ারপোর্টে গিয়েছিলাম!

                                                (৪)
তোর ঠোঁট এভাবে পুড়লো কি করে মিল্টন?

ঈদের ছুটিতে তোর ভাবীকে বাপের বাড়ি পাঠাতে রেলস্টেশনে গিয়েছিলাম।

তো?

ওকে ট্রেনে তুলে দিয়ে বিদায় জানাতে গিয়ে খুশির চোটে ট্রেনের ইঞ্জিনে চুমু দিয়ে ফেলেছিলাম!

                                               (৫) 
মন্টুর বাপ: স্যার, আপনি অফিসে বিবাহিত ছাড়া কাউকে চাকরি দেন না কেন?

বস: কারণ, বিরামহীন বেইজ্জতি নিরবে সহ্য করার পূর্ব অভিজ্ঞতা শুধু এদেরই থাকে! 

                                                (৬)
মেডিকেলের ইমার্জেন্সি রুমে ডাক্তার রোগীকে জিজ্ঞেস করছে: আপনার দাঁত এভাবে ভাংলো কী করে?
রোগী: বউ এত শক্ত রুটি বানিয়েছিল যে...

ডাক্তার: তো এত শক্ত রুটি আপনি খেতে পারবেন না বলে দিলেই তো হতো!

রোগী: আরে, সেটাই তো বলেছিলামরে ভাই...ই...ই...উঁ...

                                                (৭)
এক বেকার লোক রাস্তার পাশে বসে শুধু রুটি খাচ্ছে। তবে একই সঙ্গে সে যা করছে তা হলো রুটির এক টুকরো নিজের মুখে দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ছোট একটি টুকরো পাশেই বেঁধে রাখা এক মুরগিকে খাওয়াচ্ছে। ঘটনা দেখে মন্টুর বাপ এগিয়ে গেল-

এটা কী করছেন ভাই!

বাপকে দেওয়া কথা রাখছি?

মানে?

লেখাপড়া শেষে চাকরি না পাওয়ায় বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছিল বাপ। বলে এসেছিলাম তার সাহায্য ছাড়াও আমি ভালই চলতে পারবো!

তো?

এই যে বাপের পক্ষ থেকে মা ফোন দিয়েছিল কিছুক্ষণ আগে- জিজ্ঞেস করলো কী খেয়েছি? বলেছি, টেকিং ব্রেড উইথ চিকেন! মা প্রতিদিন লাঞ্চের সময় ফোন করে জানতে চান একই প্রশ্ন- আমিও একই উত্তর দেই... 



মন্তব্য