kalerkantho


তারেক লন্ডনে দূতাবাসে হামলায় জড়িত : কাদের

নিজস্ব প্রতিবেদক, কক্সবাজার   

১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০



তারেক লন্ডনে দূতাবাসে হামলায় জড়িত : কাদের

ছবি : কালের কণ্ঠ

লন্ডনে বাংলাদেশ হাইকমিশনে হামলার ঘটনায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান জড়িত বলে মন্তব্য করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, এমনকি দূতাবাসে জাতির জনকের প্রতিকৃতি অবমাননাসহ ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটেছে তারেক রহমানের পরিকল্পনায়।

গতকাল সোমবার কক্সবাজার-টেকনাফ মহাসড়ক ‘শহীদ এ টি এম জাফর আলম আরাকান সড়ক’ নামকরণ ও স্মৃতিফলক উদ্বোধনকালে এসব কথা বলেছেন ওবায়দুল কাদের।

এ সময় মন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন কক্সবাজার জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোস্তাক আহমদ চৌধুরী, কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সিরাজুল মোস্তফা, সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান, সংসদ সদস্য আশেক উল্লাহ রফিক, সাইমুম সরওয়ার কমল ও আবদুর রহমান বদি, জেলা পরিষদ সদস্য আশরাফ জাহান কাজল প্রমুখ।

উল্লেখ্য, গত ৭ ফেব্রুয়ারি লন্ডনের বাংলাদেশ হাইকমিশনে ঢুকে ভাঙচুর করে বিএনপির নেতাকর্মীরা। পরদিন জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার রায় ঘোষণা করা হয়। মামলার রায়কে কেন্দ্র করে লন্ডনে বাংলাদেশ হাইকমিশনের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করে যুক্তরাজ্য শাখা বিএনপি। একপর্যায়ে হাইকমিশনে ঢুকে দলের নেতাকর্মীরা ভাঙচুর চালায়। এ ঘটনায় পুলিশ যুক্তরাজ্য শাখা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি নাসির আহমদ শাহীনকে গ্রেপ্তার করেছে।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কাদের বলেন, ‘তারেক জিয়া লন্ডনে অবস্থান করে নানাভাবে এ ঘটনা সংঘটিত করেছেন। বিষয়টি ইন্টারপোল সদর দপ্তরে জানানো হয়েছে। এ কারণে আইনগত ব্যবস্থা নিতে এবং দণ্ডিত ব্যক্তিকে দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যাপারে আন্তর্জাতিক প্রক্রিয়া চলছে।’

সড়ক পরিবহন মন্ত্রী আরো বলেন, উচ্চ আদালতের নির্দেশে খালেদা জিয়াকে ডিভিশন দেওয়া হবে অবশ্যই। তবে এ ডিভিশন পাবেন জেল কোড অনুসারে। এ প্রসঙ্গে তিনি আরো বলেন, ‘খালেদা জিয়া দণ্ডিত হয়েই কারাগারে গেছেন। তাই কারাগারকে গুলশানের বিলাসী বাসভবন মনে করা হলে ভুল হবে।’

ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি নামের দলটি ভাঙতে তাদের নিজেদের নেতাকর্মীরাই যথেষ্ট। বিএনপি অন্য কেউ ভাঙতে যাবে না। বিএনপি ভাঙার জন্য বিএনপিই যথেষ্ট।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘বিএনপি দুর্নীতিবাজদের রক্ষা করতে রাতারাতি গঠনতন্ত্রের ৭ ধারা বাতিল করেছে। এ ধারায় ছিল কোনো দণ্ডিত ব্যক্তি দলের নেতৃত্ব দিতে পারবেন না। কিন্তু ধারাটি তুলে নেওয়ায় বর্তমানে যেকোনো দণ্ডিতরাও দল চালাতে পারবেন।’

উল্লেখ্য, এ টি এম জাফর আলম ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ প্রথম প্রহরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ইকবাল হল বর্তমানে জহুরুল হক হলে অবস্থানকালে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর আক্রমণ প্রতিহত করতে গিয়ে শহীদ হন। তিনি কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার হলদিয়া পালং ইউনিয়নের রুমখাঁ পালং গ্রামের বাসিন্দা এবং বর্তমান মন্ত্রিপরিষদসচিব মোহাম্মদ শফিউল আলমের বড় ভাই।


মন্তব্য