ঢাকা, শুক্রবার ০৪ এপ্রিল ২০২৫
২১ চৈত্র ১৪৩১, ০৪ শাওয়াল ১৪৪৬

ঢাকা, শুক্রবার ০৪ এপ্রিল ২০২৫
২১ চৈত্র ১৪৩১, ০৪ শাওয়াল ১৪৪৬

নতুন চাকরিতে ঢোকা নিয়ে ৫টি প্রচলিত ও ভ্রান্ত ধারণা

কালের কণ্ঠ অনলাইন
কালের কণ্ঠ অনলাইন
শেয়ার
নতুন চাকরিতে ঢোকা নিয়ে ৫টি প্রচলিত ও ভ্রান্ত ধারণা

আপনার প্রথম চাকরিই হোক আর দশম চাকরিই হোক- নতুন চাকরি সম্পর্কে কিছু প্রচলিত ভ্রান্ত ধারণা আপনি লালন করেন অথবা অন্যদের লালন করতে দেখবেন ৷ কখনো এসব ভুল ধারণা যেন আপনার মনমতো চাকরিটি খুঁজে পাবার পথে বাঁধা হয়ে না দাঁড়ায় ৷

ভ্রান্ত ধারণা ১ :  'আমার যোগ্যতাই আমাকে চাকরি দেবে'

এটা সত্য যে চাকরি পাবার জন্য অভিজ্ঞতা একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার। কিন্তু আপনি যতটা নিশ্চিতভাবে এটাকে গুরুত্বপূর্ণ ধরে নিয়েছেন অদৌ সেটা ততো গুরুত্বপূর্ণ নয়। অনেক চাকরিদাতারাই এমন একজন ব্যাক্তিকে চাকরি দেয়ার জন্য খোঁজেন যিনি তাদের দলে যোগদান করার মতো যথার্থ অর্থে 'যোগ্য' নন। এ ব্যাপারে ওয়ার্নস গ্রেগওয়ার্ড নামের একটি প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার মি. ওয়ার্নস বলেন, পৃথিবীর সমস্ত অভিজ্ঞতাই আপনি অর্জন করেছেন কিন্তু এটা মুখ্য বিষয় নয়।

আপনার যদি আর দশজনের চেয়ে ব্যক্তিত্বে ভিন্নতা থাকে, আলাদা কিছু গুণাবলী থাকে তাহলে চাকরিদাতারা আপনাকেই তাদের দলে অন্তর্ভুক্ত করতে চাইবে।

ভ্রান্তধারণা ২ : 'এই চাকরিতে আমাকে ডাকবে না, আমার ব্যাপারে তারা আগ্রহী নয়'

ভ্যালরাইট কনসাল্টিং এর কর্ণধার মি. রাইট এ সম্পর্কে সুন্দর একটি মতামত দিয়েছেন। তিনি বলেন, আপনি যথেষ্ট যোগ্য লোক। আপনার যোগ্যতা সম্পর্কে আপনি মোটেও সন্দিহান নন।

আপনার সিভিও যথেষ্ঠ সমৃদ্ধ। আপনি সমস্ত নিয়ম মেনে আপনার জীবনবৃত্তান্ত সুন্দর একটি খামে ভরে চাকরিদাতা প্রতিষ্ঠানে পাঠালেন। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, সেই কোম্পানি থেকে আপনাকে ডাকা হলো না। তার মানে এই নয় যে, ঐ কোম্পানি থেকে আপনাকে কখনোই ডাকা হবে না।
অধিকাংশ চাকরিপ্রার্থী নিজেদের সবদিক থেকে দক্ষ করেই চাকরির মুখোমুখি হন। প্রাথমিক অবস্হায় তাঁরা সবধরনের কাজই সাচ্ছন্দে করার মতো মানসিকতা রাখেন। রাইট বলেন, অধিকাংশ চাকরিপ্রার্থীই ফেসবুকের লাইক, টুইটারের রিটুইটের মতই দ্রুত 'ফিডব্যাক' প্রত্যাশা করেন। কিন্তু এটা চাকরির ক্ষেত্রে মোটেও কাম্য নয়। আপনি একটি প্রতিষ্ঠানে চাকরির জন্য মেইল করেছেন কিন্তু সেই প্রতিষ্ঠানের তরফ থেকে দ্রুত 'রেসপন্স' না পেলেই অধৈর্য হয়ে উঠছেন।
এটা ঠিক নয়। আপনাকে ধৈর্য ধরতে হবে, অপেক্ষা করতে হবে।

ভ্রান্ত ধারণা ৩: 'জীবনবৃত্তান্ত দেয়াই আছে, ভালো পদ তৈরি হলেই ডাকবে'

এটা ভাবার সুযোগ নেই যে কোম্পানি আপনার পছন্দ অনুযায়ী পদ সৃষ্টি করে আপনাকে নিয়োগ দেবে। কেননা অপ্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে কখনোই তারা মূল্যবান সময় নষ্ট করবে না। রাইট বলেন, অধিকাংশ কোম্পানিতেই এমন কোন সিস্টেম চালু নেই যে আগে থেকে চাকরি প্রার্থীর জীবনবৃত্তান্ত নিয়ে রাখবে এরপর তার পছন্দ ও যোগ্যতা অনুযায়ী কর্মক্ষেত্র তৈরি করবে। পক্ষান্তরে রাইটের সুপারিশ হলো, অনলাইনে কাঙ্ক্ষিত কোম্পানির ওয়েবসাইট ভিজিট করুন, তাদের কর্মকাণ্ড আদ্যোপান্ত লক্ষ্য করুন । কোম্পানির তথ্য-উপাত্ত ভালো করে আত্মস্থ করে এরপর আপনার পছন্দ অনুযায়ী চাকরির জন্য আবেদন করুন।

ভ্রান্ত ধারণা ৪: 'আমার ক্যারিয়ার পরিবর্তন সম্ভব নয়'

আপনি যে কোম্পানিতে কাজ করছেন সেখানকার কর্মপরিধি সম্পর্কে যথেষ্ট সচেতন থাকবেন সেটিই স্বাভাবিক। কিন্তু ক্যারিয়ার পরিবর্তনের কথা চিন্তা করলেও এ ব্যাপারে শঙ্কিত হয়ে উদাসীন থাকছেন। এ ক্ষেত্রে আপনি শঙ্কিত না হয়ে নিজস্ব কিছু কৌশল প্রয়োগ করে নতুন ক্যারিয়ার তৈরি করতে পারেন। যদি ক্যারিয়ারে পরিবর্তন চান তাহলে আপনার সর্বশেষ অভিজ্ঞতা আপনাকে দারুণভাবে সহায়তা করবে। কাঙ্ক্ষিত প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় যোগ্যতা অনুযায়ী নিজেকে দক্ষ করতে হবে। এ জন্য প্রয়োজন হলে শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে হবে। তবেই আপনি আপনার পছন্দের চাকরিটি পেতে পারেন। এটা আপনার প্রত্যাশাকে শাণিত করবে। নিজেকে আরো বেশি দক্ষ করতে আপনার কাঙ্ক্ষিত প্রতিষ্ঠানটির কর্মচারিদের সাথে কথা বলুন। এ ক্ষেত্রে আপনি কোম্পানির অভ্যন্তরীণ নিয়ম-শৃঙ্খলা ছাড়া চাকরিদাতাদের প্রত্যাশাও জানতে পারবেন। অনেক কোম্পানিই চাকরি প্রার্থীদের কাছে ভিন্ন কিছু প্রত্যাশা করেন কেননা এদের দ্বারা কোম্পানি বিভিন্ন ভাবে লাভবান হতে পারে।

প্রচলিত ধারণা ৫ : 'আমার জন্য হয়তো কোনো চাকরিই অবশিষ্ট নেই'

যখন আপনি চাকরি খুঁজছেন তখন নিরুৎসাহিত বোধ করা খুবই স্বাভাবিক। বিশেষ করে অর্থনৈতিক অস্থিতিশীলতার সময়গুলোতে এটা প্রকট আকার ধারণ করে। লক্ষ্য রাখবেন, চাকরি সন্ধানের ক্ষেত্রে কৌশলগতভাবে যেন আপনি একটু এগিয়ে থাকেন ৷ রাইটের মতামত অনুযায়ী, অনেক সময় বিজ্ঞাপন প্রকাশের আগেই চাকরির পদ পূর্ণ হয়ে যায় ৷ এসব ক্ষেত্রে সামাজিক যোগাযোগ অভ্যন্তরীণ যোগাযোগের একটি মাধ্যম হিসেবে গণ্য হয় ৷

আপনার কাঙ্ক্ষিত প্রতিষ্ঠানটি সম্পর্কে সম্যক ধারণা পেতে এখন গণমাধ্যম বেশ কাজে আসে ৷ কারণ এসব সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর সাহায্যে আপনি আপনার পুরনো সহকর্মীদের খুঁজে পেতে পারেন ৷ একজন চাকরিদাতা চাকরি দেওয়ার ক্ষেত্রে অবশ্যই ব্যক্তিগত যোগাযোগ এবং পরিচয়কে প্রাধান্য দেবেন ৷সুতরাং আপনি এমন একটি যোগাযোগ সূত্র খুঁজে বের করুন যা আপনাকে ভিন্নভাবে চাকরিদাতার কাছে উপস্থাপন করতে পারবে।
 

ইন্টারনেট অবলম্বনে মাহতাব হোসেন
 


 

মন্তব্য

সম্পর্কিত খবর

কাঁচা আম খাওয়ার উপকারিতা

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
কাঁচা আম খাওয়ার উপকারিতা
সংগৃহীত ছবি

কাঁচা আম গ্রীষ্মকালের একটি অতি জনপ্রিয় ফল। আমাদের শৈশবের স্মৃতি মনে করিয়ে দেয় যখন আমরা এই টাটকা, রসালো ফলটিকে মরিচ ও লবণ দিয়ে খাই। কাঁচা আমের নাম শুনলেই মুখে পানি চলে আসে। কাঁচা আম যে শুধু মজার তাই নয়, বেশ পুষ্টি সমৃদ্ধও।

 বাজারে এখন কাঁচা আম পাওয়া যাচ্ছে। দামও নাগালেই। তাই আজকে আমরা কাঁচা আমের উপকারিতা জেনে নিব।

শরীর শীতল রাখতে সহায়ক
গ্রীষ্মে গরমের তীব্রতা কমাতে এবং শরীরকে ঠান্ডা রাখতে কাঁচা আমের রস দারুণ কাজ করে।

এটি শরীরের প্রয়োজনীয় মিনারেল এবং সোডিয়ামের ভারসাম্য বজায় রাখে, যা ঘাম ঝরানোর ফলে হারিয়ে যায়। তাই এটি শরীরকে শীতল রাখতে সহায়ক।

হজম সমস্যা নিরাময়
কাঁচা আম হজম সমস্যা সমাধানে কার্যকরী। এটি হজম রসের উৎপাদন বাড়ায় এবং কোষ্ঠকাঠিন্য, অজীর্ণতা, অ্যাসিডিটি, গ্যাস্ট্রিক এবং বমি বমি ভাবের মতো সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে।

হৃদরোগ প্রতিরোধে সহায়ক
কাঁচা আমে থাকা বিটা-ক্যারোটিন এবং ফাইবার হৃদরোগ প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটি কোলেস্টেরল কমাতে, রক্ত সঞ্চালন উন্নত করতে এবং হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সহায়ক।

যকৃৎ (লিভার) স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী
কাঁচা আম যকৃৎ পরিষ্কার করতে সহায়ক এবং এটি তেল শোষণের ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। এটি গোপন বাইল অ্যাসিডের স্রাব বৃদ্ধিতে সহায়তা করে যা টক্সিন পরিষ্কার করতে সাহায্য করে।

মুখের স্বাস্থ্য
কাঁচা আম মুখগহ্বরের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে কার্যকর।

এটি দাঁতের মাড়ি থেকে রক্ত পড়া কমাতে এবং দাঁতের ক্ষয় প্রতিরোধে সহায়ক। পাশাপাশি খাওয়া থেকে দুর্গন্ধ দূর করতেও সাহায্য করে।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়
কাঁচা আমে প্রচুর ভিটামিন সি ও এ থাকে, যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সহায়ক। এটি ত্বক ও চুলের স্বাস্থ্যও উন্নত করে এবং শরীরকে নানা ধরণের সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে।

অতিরিক্ত খাওয়ার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
পরিমিত পরিমাণে কাঁচা আম বেশিরভাগ প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য উপকারী। তবে বেশি পরিমাণে কাঁচা আম খেলে বদহজম, পেটে ব্যথা, আমাশয় এবং গলা জ্বালা হতে পারে। মনে রাখবেন, কাঁচা আম খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ঠান্ডা পানি পান করবেন না কারণ এটি জ্বালা বাড়ায়।

সূত্র : কেয়ার হসপিটাল

প্রাসঙ্গিক
মন্তব্য

প্রতিদিন একটি আপেল খাওয়ার ৭ উপকারিতা

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
প্রতিদিন একটি আপেল খাওয়ার ৭ উপকারিতা

আপেল লাল রঙের দেখতে খুবই সুন্দর ও মিষ্টি স্বাদের অতুলীয় একটি ফল। এটি শুধু দেখতে আর স্বাদে নয় বরং স্বাস্থ্য উপকারিতাতেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি বিশ্বব্যাপী সবচেয়ে বেশি খাওয়া ফলগুলোর মধ্যে অন্যতম। আপেল খাওয়ার মাধ্যমে প্রাকৃতিক পুষ্টিসহ ফাইবার, ভিটামিন সি, পটাসিয়াম, এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট পলিফেনল, যা শরীরের বিভিন্ন উপকারে আসে।

 

গবেষণা বলছে, আপেল খাওয়ার মাধ্যমে হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, ক্যান্সার এবং অন্যান্য দীর্ঘস্থায়ী রোগের ঝুঁকি কমানো যায়। এছাড়া, এটি হজমের সমস্যাও সমাধান করতে সাহায্য করে।

তাই, প্রতিদিন একটি আপেল খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তোলা আমাদের সুস্থ জীবনযাত্রার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হতে পারে। তাহলে দেরি কেন? আসুন জেনে নেই লাল আপেলের ১০ টি চমৎকার স্বাস্থ্য উপকারিতা।

১. পুষ্টিগুণ
আপেল একটি পুষ্টিকর ফল। আপেল ভিটামিন সি, পটাসিয়াম, ফাইবার এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টিগুণে ভরপুর। এক একটি মাঝারি আপেলে রয়েছে প্রায় ১০৪ ক্যালোরি, ৫ গ্রাম ফাইবার এবং বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ভিটামিন ও খনিজ। আপেলের খোসাসহ খাওয়া হলে আরো বেশি উপকার পাওয়া যায়।

এতে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট পলিফেনল ও ফাইবার।

২. ওজন কমাতে সাহায্য
আপেলে উচ্চ পরিমাণে ফাইবার ও জল থাকে, যা পেট ভরে রাখতে সাহায্য করে এবং অতিরিক্ত খাওয়া থেকে বিরত রাখে। গবেষণা অনুযায়ী, আপেলের খোসাসহ খাওয়া শরীরের মাস ইনডেক্স (বিএমআই) কমাতে সহায়ক হতে পারে এবং শরীরের অতিরিক্ত চর্বি কমাতে সহযোগিতা করে।

৩. হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য
আপেল হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করতে পারে। এতে থাকা ফাইবার ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট পলিফেনল হৃদরোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে এবং রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে।

৪. ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য
আপেলে কোয়ারসেটিন নামক পলিফেনল থাকে, যা ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। 


৫. ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য
আপেলের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ফুসফুস, স্তন ও পাচনতন্ত্রের ক্যান্সারসহ বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সারের বিরুদ্ধে রক্ষাকারী ভূমিকা পালন করে। গবেষণায় দেখা গেছে, আপেল পলিফেনল ক্যান্সার কোষের বৃদ্ধি প্রতিরোধ করতে সক্ষম।

৬. হাঁপানির বিরুদ্ধে লড়াই
আপেলের খোসায় কোয়ারসেটিন থাকে, যা হাঁপানি এবং অ্যালার্জির বিরুদ্ধে লড়াই করতে পারে। এটি শ্বাসনালীর প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে এবং হাঁপানির পরবর্তী পর্যায়ের প্রতিক্রিয়া কমাতে সক্ষম।

৭. হজমে সহায়ক
আপেল কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করার মাধ্যমে হজমে সহায়ক হতে পারে। এর হজম ক্ষমতা ও প্রাকৃতিক ফাইবারের উপস্থিতি আমাদের পাচনতন্ত্রকে সুস্থ রাখতে সহায়তা করে।


সূত্র : ক্যাম্পবেল কান্ট্রি হেলথ

মন্তব্য

বিশ্ব সুন্দরী হওয়ার আগে যা খেতেন মানুষী

জীবনযাপন ডেস্ক
জীবনযাপন ডেস্ক
শেয়ার
বিশ্ব সুন্দরী হওয়ার আগে যা খেতেন মানুষী

২০১৭ সালে মিস ওয়ার্ল্ড মুকুট জিতেছিলেন মানুষী চিল্লার। বুদ্ধির ঝলকে ঘেরা সৌন্দর্য তাকে বিশ্ব সুন্দরীর শিরোপার পাশাপাশি এনে দিয়েছে মডেলিং ও বলিউডে খ্যাতি। ১৭ বছর পর মানুষীর হাত ধরে মিস ওয়ার্ল্ডের মুকুট ভারতে এসেছিল। এর পেছনে ছিল মানুষীর কঠোর পরিশ্রম।

সুন্দরী প্রতিযোগিতায় যোগ দেওয়ার সময় তিনি বিশেষ জোর দেন তার ডায়েট ও ওয়ার্কআউটে।

আপনিও মেনে চলতে পারেন মানুষীর লাইফস্টাইল। মানুষী যখন বিশ্ব সুন্দরীর হয়েছিলেন, সেই সময় সপ্তাহে চার থেকে পাঁচ দিন ওয়ার্কআউট করতেন।

আরো পড়ুন
‘পোশাক বদলের সময় পরিচালক ঢুকে পড়েন’

‘পোশাক বদলের সময় পরিচালক ঢুকে পড়েন’

 

মানুষীর পুষ্টিবিদ নমমী আগারওয়াল জানিয়েছেন, মানুষী কঠোর পরিশ্রম করতেন সুন্দরী প্রতিযোগিতার জন্য।

রাতে ৮ ঘণ্টা ঘুমতেন, এর ফল তার ত্বকের ওপর লক্ষ করা যেত। পাশাপাশি ঘুমাতে যাওয়ার ২ ঘণ্টা আগে ফোন বন্ধ করে দিতেন। এ ছাড়া সারা দিনে ৩ লিটার জল পান করতেন মানুষী। বাড়ির তৈরি খাবার ছাড়া অন্য খাবার ছুঁয়ে দেখতেন না তিনি।
এমনকি তিনি সব সময় তাড়াতাড়ি ডিনার সারতেন এবং চেষ্টা করতেন রাতে হালকা খাবার খাওয়ার।

এখন প্রশ্ন থাকতে পারে সারা দিন কী খেতেন মানুষী? 

নায়িকার দিন শুরু হত এক গ্লাস পানি পান করে। তাতে মাঝেমধ্যে লেবুর রসও মেশাতেন। ব্রেকফাস্টে থাকত ওটস, টক দই ও বাদাম। লাঞ্চে খেতেন এক বাটি ভাত না হলে দুটি রুটি।

সঙ্গে সবজির তরকারি ও সালাদ। বিকেলবেলা মানুষী খেতেন ফলের স্মুদি। মাঝেমধ্যে থাকত শসা, গাজর ও টক দই। সন্ধ্যা ৭টায় ডিনার শেষ করতেন মানুষী। সেখানে থাকত কিনোয়ার স্যালাদ কিংবা স্যুপ। ডিনার শেষে মানুষী খেতেন তাজা ফল। এটাই ছিল মানুষীর ডায়েট প্ল্যান। মানুষীর মতো ডায়েট ও ওয়ার্কআউট করলে আপনিও পেয়ে যাবেন মেদহীন চেহারা।

মন্তব্য

ভাত খেলেও ওজন বাড়বে না, জেনে নিন উপায়

জীবনযাপন ডেস্ক
জীবনযাপন ডেস্ক
শেয়ার
ভাত খেলেও ওজন বাড়বে না, জেনে নিন উপায়
সংগৃহীত ছবি

ভাত বাঙালির প্রিয় খাবার। অনেকেই ওজন কমানোর জন্য ভাত খাওয়া পুরোপুরি বন্ধ করে দেন। পুষ্টিবিদের মতে, সঠিক পদ্ধতিতে ভাত খেলে ওজনও বাড়বে না পাশাপাশি স্বাস্থ্যও থাকবে ভালো।

রান্নার পদ্ধতি
ভাত রান্নার সময় যদি শুধুমাত্র চাল ধুয়ে চুলায় বসানো হয়, তবে স্টার্চ বের হয় না।

কিন্তু যদি চাল আধা ঘণ্টা ভিজিয়ে রেখে, সেই পানি ফেলে নতুন পানিতে ভাত রান্না করা হয়, তাহলে প্রথমেই কিছু পরিমাণ স্টার্চ বের হয়ে যায়। এর ফলে কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণ কমে যায়। প্রেশার কুকারে রান্না করা ভাত কম স্বাস্থ্যকর। 

খাওয়ার পদ্ধতি
ভাতকে ডাল, ভাজি, তরকারি, সালাদ ইত্যাদির সঙ্গে মেশালে এর গ্লাইসেমিক ইনডেক্স (জিআই) কমে যায়।

কারণ এসব খাবারে প্রচুর ফাইবার ও প্রোটিন থাকে। শুধু লবণ দিয়ে ফ্যান-ভাত খেলে জিআই কমবে না।

খাওয়ার সময়
ভাত খাওয়ার সেরা সময় দুপুর। রাতে ভাত কম খাওয়াই ভালো।

কারণ রাতে শরীরের নড়াচড়া কম থাকে এবং কার্বোহাইড্রেটের বিপাক কম হয়। তবে সবচেয়ে ভালো সময় হলো জিম বা শরীরচর্চার পর ভাত খাওয়া। কারণ তখন শরীর আরো বেশি ক্যালোরি বার্ন করে।

কত পরিমাণ খেতে হবে
ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে চাইলে দিনে ৩০ গ্রাম চালের ভাত রান্না করা উচিত, যা এক কাপের সমান। এতে প্রায় ১৫০-১৭০ কিলোক্যালোরি থাকে।

ভাতের উপকারিতা
ভাত ভিটামিন বি, ফলিক অ্যাসিড ও ম্যাগনেশিয়ামের ভালো উৎস। এটি অন্ত্র ও ত্বকের জন্য উপকারী। বাজারে বিভিন্ন ধরনের চাল পাওয়া যায় অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টে ভরপুর কালো চাল। বাদামি চাল যা ফাইবারে সমৃদ্ধ এবং লাল চাল যার প্রদাহবিরোধী বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এসব চাল ক্যানসার প্রতিরোধে সাহায্য করতে পারে। ভাত খেতে হবে কিন্তু সঠিক পদ্ধতিতে, তবেই তা শরীরের জন্য উপকারী।

সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা

মন্তব্য

সর্বশেষ সংবাদ