kalerkantho


হলুদ সম্পর্কে অবাক করা তথ্য গবেষকদের

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১২ অক্টোবর, ২০১৭ ২২:৫৩



হলুদ সম্পর্কে অবাক করা তথ্য গবেষকদের

ছবি : ইন্টারনেট থেকে

১. পেট খারাপ : অনেকে বলেন প্রতিদিন কয়েক চা চামচ হলুদ খাওয়া উচিত। কিন্তু, দীর্ঘ দিন বেশি পরিমাণে হলুদ খেলে ডায়েরিয়া, বমি বমি ভাব বা ঘাম (সবার ক্ষেত্রে নয়) হতে পারে।

২. জরায়ুর উদ্দীপনা : হলুদে ইউটেরাইন স্টিমুল্যান্ট হিসেবে কাজ করে যা মেন্সট্রুয়াল ফ্লো-কে উদ্দীপিত করে। ফলে গর্ভবতী মহিলা এবং সদ্য মায়েদের হলুদ কম খাওয়াই ভাল।

৩. রক্তক্ষরণ : রক্ত জমাট বাঁধতে বাধা দেয় হলুদ। তাই অ্যান্টিকোয়াগুল্যান্ট ও অ্যান্টিপ্লেটিলেট ওষুধ খেলে হলুদ এড়িয়ে চলাই ভাল।

৪. কেমোথেরাপি : অতিরিক্ত হলুদে কেমোথেরাপি প্রভাব নষ্ট হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই যারা কেমোথেরাপি নিচ্ছেন তাদের হলুদ না খাওয়াই উচিত।

৫. অ্যালার্জি : সাধারণত ডিম, চিংড়ি ইত্যাদি নানা খাবার থেকে অ্যালার্জি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। সম্প্রতি একটি গবেষণা জানাচ্ছে হলুদ থেকেও অ্যালার্জি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

৬. হাইপোগ্লাইসেমিয়া : হলুদ রক্তে শর্করার মাত্রা হঠাৎ করে কমিয়ে দিতে পারে।

যাদের ডায়াবেটিস নেই, তাঁদের ক্ষেত্রে ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্ট প্রতিরোধ করার সম্ভাবনা থাকে।

৭. কিডনিতে পাথর : হলুদ অনেক সময় ক্যালসিয়াম অক্সালেটের বিপাক পরিবর্তিত করে দেয়। অক্সালেট জমে কিডনিতে পাথর তৈরি করে।

৮. রোগ প্রতিরোধে ভূমিকা নেই হলুদের : হলুদের মধ্যে থাকা কারকিউমিনকে অত্যন্ত উপকারী অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট মনে করেন চিকিৎসকরা। তবে গবেষকরা এই কারকিউমিনকে অস্থায়ী, প্রতিক্রিয়াশীল, নন-বায়োঅ্যাভেলেবল যৌগ বলে ব্যখ্যা করেছেন। বেশি হলুদ নানা ধরনের ওষুধের কাজে বাধা দেয়। যেমন অ্যাসপিরিন, ওয়ারফারিন এবং কিছু স্টেরয়েডের কর্মক্ষমতা কমিয়ে দেয়। সূত্র : আনন্দবাজার।


মন্তব্য