kalerkantho


পুত্রসন্তানের 'বাল্যশিক্ষা'

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২১ অক্টোবর, ২০১৭ ০৯:৪৬



পুত্রসন্তানের 'বাল্যশিক্ষা'

আচরণ
এ বিষয়ে ছোট একটা মেয়েকে হাজারো কথা শুনে বড় হতে হয়। কিভাবে বসতে হবে, হাঁটতে হবে বা পোশাক পরতে হবে ইত্যাদি।

কিন্তু বাড়ির ছেলেসন্তানটি এসব দিক থেকে অনেকটা স্বাধীন। কিন্তু কেন? তাকেও আচার-আচরণ শেখাতে হবে। আর যদি স্বাধীনতা দিতেই হয়, তবে মেয়েটিকেও দিতে হবে।

কান্না করা স্বাভাবিক বিষয়
মনের কষ্ট প্রকাশে চোখের জল ফেলার কাজটি যেন কেবল মেয়েদেরই। ছেলেদের কান্না করা ব্যক্তিত্বহীনতার পরিচায়ক বলেই মনে করা হয়। এমনকি কোনো ছেলে কাঁদলে তাকে ‘মেয়ে’ বলেও কটূক্তি করা হয়। এই বৈষম্য কোনোভাবেই থাকা উচিত নয়।

সম্মতি গ্রহণ
এমনকি অতি ক্ষুদ্র বিষয়েও একটা মেয়েকে মা-বাবার অনুমতি নিতে হয়। অনুমতি ছাড়া মেয়েরা ঘরের বাইরে এক পা ফেলার সাহস পায় না।

কিন্তু ছেলেদের বেলায় ভিন্ন। হঠাৎ করেই রাতে বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিতে তাদের সম্মতির প্রয়োজন পড়ে না। কিন্তু এমন শিক্ষায় ছেলেকে বড় করবেন না। তাদেরও বড়দের অনুমতি নেওয়ার দরকার আছে।

রান্না
এটা ছেলেদেরও কাজ। আধুনিক ছেলেরা রাঁধতেও পছন্দ করে। তাই শিক্ষাটা ছোট থাকতেই দিন। রান্নার কাজ ছেলেরাও দিব্যি সামলে নিতে পারে। মা-বাবার এ দিকটাতে খেয়াল দিতে হবে।

সেলাই
এ কাজে ঘরের মেয়েরা দক্ষ হলেও ছেলেদের আগ্রহ খুব একটা দেখা যায় না। অথচ পেশাদার পুরুষ সেলাইকর্মী অসংখ্য আছে। জীবনযাপনে অতি জরুরি অংশ হয়ে ওঠে ছোটখাটো কাজের দক্ষতা অর্জন।

টাইমস অব ইন্ডিয়া অবলম্বনে সাকিব সিকান্দার।


মন্তব্য