kalerkantho


প্রার্থীর যে প্রশ্নগুলো অশনিসংকেত

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৭ ডিসেম্বর, ২০১৭ ০৯:২৫



প্রার্থীর যে প্রশ্নগুলো অশনিসংকেত

ছবি অনলাইন

চাকরির  ইন্টারভিউয়ে শুধু প্রার্থীকেই প্রশ্ন করা হয় না; অনেক সময় প্রার্থীর কাছেও জানতে চাওয়া হয়, তার কোনো জিজ্ঞাসা আছে কি না? প্রার্থীদের স্মার্টনেসের একটি অংশ গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তোলা। প্রাসঙ্গিক কিছু প্রশ্ন উত্থাপনের মাধ্যমে চমৎকারভাবে ইন্টারভিউ পর্ব শেষ হতে পারে।

তবে সাবধান! বিশেষজ্ঞদের মতে, কিছু প্রশ্ন কখনোই করতে নেই। হিতে বিপরীত ঘটবে। প্রশ্নগুলো জেনে নিন এবং মাথায় রাখুন।
আমি কি চাকরিটা পেয়েছি?

এ প্রশ্নে কর্তৃপক্ষ বুঝে নেবে যে আপনি মোটেও ধৈর্যশীল নন। আপনি অস্থির হয়ে পড়েছেন। আর এমন কর্মী কোনো প্রতিষ্ঠানই চায় না।

আপনাদের প্রতিষ্ঠান কী কাজ করে?

বোঝা যায়, ইন্টারভিউয়ে আসার আগে আপনি কোনো প্রস্তুতি নেননি। যে প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতে চান তাদের সম্পর্কে কোনো তথ্যই জানেন না আপনি। এতে স্পষ্ট হয়, আপনি প্রার্থী হিসেবে সচেতন নন।

প্রত্যেক প্রার্থীর উচিত ইন্টারভিউয়ে যাওয়ার আগে ওই প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা নেওয়া।

আপনারা কী কর্মীদের ইন্টারনেট ব্যবহার নজরদারিতে রাখেন?

এমন প্রশ্নে প্রশ্নকর্তারা আপনার বিষয়ে লাল পতাকা দেখিয়ে দেবেন। তাঁদের এমন কর্মকাণ্ডের বিষয়ে আপনি এখনই প্রশ্ন তুলতে পারেন না।

সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট পর্যবেক্ষণ করেন?

এটা বোকার মতো প্রশ্ন। কারণ, সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে অনেক প্রতিষ্ঠানই প্রার্থীকে বুঝতে তার প্রোফাইলে ঢুঁ মারে। কাজেই আগে থেকেই নিজের সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট পরিষ্কার রাখতে হবে। আর এ প্রশ্ন করবেন না।

আপনাদের সিইও সম্পর্কে এই গুজবটা শুনেছি, এটা সত্যি নাকি?

গসিপ বিষয়ে এখানে কথা বলতে আসেননি আপনি। কাজেই আগ্রহ চাপা দিন।

বাড়তি সুযোগ-সুবিধা কী কী আছে?

এ প্রশ্নটা আরো পরের জন্য তুলে রাখুন। চাকরি নিশ্চিত হলে আরেক দফা আলোচনা হবে। তখন জিজ্ঞাসা করতে পারেন।

কর্মদিবসের বাইরেও কাজ করতে হবে?

বাড়তি কাজের চাপ আসাটা অস্বাভাবিক কোনো বিষয় নয়। এটা নিয়ে আগেভাগে আলোচনার কিছু নেই। পরিস্থিতি বুঝে পরে জেনে নিতে পারেন। কিন্তু ইন্টারভিউয়ে বসে নয়।

বিভাগীয় বস বা কোনো সহকর্মীর সঙ্গে বনিবনা না হলে কী করণীয়?

এটা প্রসঙ্গের ধারে কাছেও নেই। যদি মুখ ফসকে বলে ফেলেন তবে প্রশ্নকর্তারা বুঝে নেবেন যে আপনার সঙ্গে কাজ করা কঠিন বিষয়। এমন জটিল কর্মী কেউ চায় না।

পদোন্নতির জন্য কেমন সময় লাগতে পারে?

আগে চাকরিটা হোক, তারপর না পদোন্নতি। তা ছাড়া এ বিষয়টা প্রতিষ্ঠানের নীতিমালার ওপর নির্ভর করে। এত আগে জানতে চাওয়ার অর্থ আপনি বড় বেশি উচ্চাকাঙ্ক্ষী।

কত দিন পর পর ছুট নিতে পারব?

সেই একই বিষয়। চাকরি মেলার আগে যদি ছুটির কথা বলেন তাহলে কেমন হয়? এগুলো সবই নীতিমালা অনুযায়ী প্রদান করা হবে এবং আপনাকে তা মেনেও নিতে হবে।

জব অ্যান্ড ক্যারিয়ার অবলম্বনে

 

 


মন্তব্য