kalerkantho


রোজায় সবল থাকতে...

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৩০ মে, ২০১৮ ০৯:৩৩



রোজায় সবল থাকতে...

ছবি অনলাইন

রমজান মাস মানেই খাবার নিয়ে বিশেষ আর বাড়তি আয়োজন। তবে এ আয়োজন হতে হবে স্বাস্থ্যসম্মত। এ ছাড়া খাবার গ্রহণের সময় এটাও মাথায় রাখা জরুরি যে ১৪ থেকে ১৫ ঘণ্টা না খেয়ে থাকতে হবে। আবার সময়টাও গ্রীষ্মকাল। এ অবস্থায় সাহরি ও ইফতার নিয়ে কিছু পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা—

সাহরির ক্ষেত্রে

ওটস, গম, ডাল ও শস্যজাতীয় খাবার হলো কার্বোহাইড্রেটে ভরপুর। এসব খাবার খুব ধীরে ধীরে শক্তি ছাড়ে। এতে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা ভারসাম্য অবস্থায় থাকে। ফলে পুরো শরীরে চনমনে ভাব আসে। এসব খাবার সাহরির জন্য বেশ উপযোগী। উচ্চ আঁশযুক্ত খাবার হজমও হয় ধীরে। ফাইবারযুক্ত খাবার হজমেও সহায়ক। রমজান মাসে খেজুর, আলু, সবজি এবং প্রায় সব ধরনের ফলই নিশ্চিন্তে খাওয়া যেতে পারে। কলায় আছে পটাসিয়াম এবং আর অনেক কিছু। এই ফল দেহে পানি দেয়। তাই সাহরিতে এসব খাবার থাকতে পারে। ডিম, পনির, দই ও মাংসের মতো উচ্চ প্রোটিনযুক্ত খাবারও দেবে প্রচুর শক্তি।

 ইফতারের সময়

ইফতারের সময় খাওয়া নিয়ে ‘হুড়োহুড়ি’ করা যাবে না। ইফতার করতে হয় সময় নিয়ে, ধীরে ধীরে। পানি, শরবত ও খেজুর দিয়ে শুরু করা যেতে পারে। ধীরে খাওয়ার কারণ হলো, দীর্ঘ সময় না খেয়ে আপনি হঠাৎ করে খাবার দিচ্ছেন দেহে। তখন এই খাবার হজম করতে পাচক রসকে সময় দেওয়া প্রয়োজন। অতিরিক্ত তেল আর ফ্যাটপূর্ণ খাবার এড়িয়ে চলতে হবে। পুষ্টিবিদদের মতে, ইফতারে স্যুপ নিয়মিত থাকতে পারে।

বিশেষ দ্রষ্টব্য হলো পানি

প্রতিদিন অন্তত আট গ্লাস পানি খেতে হবে। কিন্তু রোজার দিন দীর্ঘ সময় পানি পান থেকে বিরত থাকতে হয়। তাই ইফতারের পর থেকে সাহরি পর্যন্ত যতটা সম্ভব পানি পান করতে হবে।

 ভাজা খাবার...

তেলে ভাজা খাবার এড়িয়ে চলাই ভালো। তবে যাঁরা এসব কোনোভাবেই বাদ দিতে পারেন না, তাঁরা যতটা সম্ভব তেল কম ব্যবহারের চেষ্টা করবেন। তবে প্রাণিজ ফ্যাট ঘি দিয়ে ভাজা সবচেয়ে উত্তম। এ ছাড়া মনোস্যাচুরেটেড ফ্যাটসমৃদ্ধ সূর্যমুখী, ক্যানোলা কিংবা কর্ন অয়েল দিয়ে ভাজার চেষ্টা করবেন।

ডাব্লিউএফপি অবলম্বনে সাকিব সিকান্দার


মন্তব্য