kalerkantho


মিশরে মিলল পুরাতাত্ত্বিক ম্যুরাল

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১২ আগস্ট, ২০১৭ ১৭:৩৫



মিশরে মিলল পুরাতাত্ত্বিক ম্যুরাল

মিশরে পুরাতত্ত্বের নতুন কোনো নিদর্শন খুঁজে পাওয়া বিচিত্র নয়। বরং দেশটিতে এমন ঘটাই স্বাভাবিক। তারপরও এর প্রত্যেকটা পুরাতাত্ত্বিক নিদর্শন এক একটা অনবদ্য গল্প আর ইতিহাস। সম্প্রতি মিশরের মিনিস্ট্রি আব অ্যান্টিকুইটিস একটি প্রাচীন ম্যুরাল আর চিত্রকর্ম খুঁজে পাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। কায়রো-আলেকজান্দ্রিয়া রোডের ওয়াদি আল-নাতরুনের সেইন্ট বিশয় মোনাস্টেরিতে এগুলো দেখা মিলেছে বলে জানানো হয়।  

২০১৫ সাল থেকে এই মোনাস্টেরি সংস্কারের কাজ চলছে। ওয়াদি আল-নাতরুনের বেশ কয়েক মঠ বন্যার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এ কাজে মঠগুলোর কর্তৃপক্ষকে সহায়তা দিচ্ছে মিনিস্ট্রি অব অ্যান্টিকুইটিস।  

মিনিস্ট্রি অব অ্যান্টিকুইটিসের মুখপাত্র বলেন, প্রাপ্ত পুরাতাত্ত্বিক নিদর্শনগুলো বানানো হয়েছিল নবম থেকে ১৩ শো শতকের দিকে। এগুলো এক একটি ওয়াল পেইন্টিং। এসব পাওয়ার পরই আমরা এই মোনাস্টেরির আদি এবং আসল নকশার ধরন সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা পেয়েছি।

সংস্কারের কাজে এটা বড় উপকার করবে।  

সেইন্ট বিশয়ের এই মঠের স্থাপত্য নকশায় বেশ কয়েকবার পরিবর্তনা আনা হয়েছে ইসলামিক পিরিয়ডে। বিশেষ করে ৮৪০ খ্রিস্টাব্দের দিকে আব্বাসি যুগে আর ১০৬৯ খ্রিস্টাব্দে ফাতিমির যুগে বড় পরিবর্তন সাধিত হয়।  

নতুন খুঁজে পাওয়া এসব ম্যুরাল আর চিত্রকর্মে সাধু আর দেবদূতেদের গল্প বলা হয়েছে। মিশরীয় খ্রিস্টানদের লিপি মিলেছে এগুলোতে।  

মিনিস্ট্রির সায়েন্টিফিক বিভাগের কর্মকর্তা আহমেদ আল-নেমর বলেন, পশ্চিমের দেয়ালের একটি পেইন্টিংয়ে এক নারীর ছবি আঁকানো রয়েছে যার নাম 'রেফকা'। তার ৫ শিশু সন্তানকেও তুলে ধরা হয়েছে।  

সেইন্ট বিশয় আলেকজান্দ্রিয়ার কপটিক অর্থোডক্স চার্চে সেই সময়ে বিখ্যাত ছিলেন। ধারণা করা হয়, তিনি যীশুকে দেখেছিলেন।  
সূত্র : ঈজিপশিয়ার স্ট্রিট 


মন্তব্য