kalerkantho


সাবমেরিনডুবি ও একটি খুনের অভিযোগ

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১২ আগস্ট, ২০১৭ ২০:২১



সাবমেরিনডুবি ও একটি খুনের অভিযোগ

নটিলাস নামে পানিতে ডুবে যাওয়া সাবমেরিনটি পাওয়া গেলে এ ঘটনার রহস্য উন্মোচিত হবে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা

ডেনমার্কে এক ব্যক্তি নিজের ব্যবহারের জন্য একটি নিজস্ব সাবমেরিন বা ডুবোজাহাজ বানিয়েছিলেন। নটিলাস নামে সে সাবমেরিনটি দিয়ে তিনি পানির নিচেও যেতে পারতেন। তবে তার সে সাবমেরিনটি এক দুর্ঘটনায় সম্পূর্ণ ডুবে গেছে। এ ঘটনার পর থেকে নিখোঁজ রয়েছেন তার সঙ্গী নারী সাংবাদিক।

শেষবারের সে যাত্রায় তার সঙ্গে ছিলেন এক নারী সাংবাদিক। আর তাকে নিয়েই সাবমেরিনটি ডুবে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ অভিযোগে পুলিশ সে সাবমেরিনের মালিককে গ্রেপ্তার করেছে।

তবে সে সাবমেরিনটির মালিক ৪৬ বছর বয়সী পিটার ম্যাডসেন সে নারী সাংবাদিককে খুন করার কথা অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেছেন, তাকে নিরাপদেই তিনি এক দ্বীপে নামিয়ে দিয়েছিলেন। কিন্তু  এ ঘটনার পর থেকে সে নারী কেন নিখোঁজ, তার সদুত্তর তিনি দিতে পারেননি।

এদিকে সাগরে ডুবে যাওয়ার আগে সাবমেরিনটি থেকে তিনি বের হয়ে আসতে সক্ষম হয়েছেন।

এরপর সাবমেরিনটির আর কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। ফলে সে নারীর লাশ সাবমেরিনের ভেতরে আছে কি না, তাও নিশ্চিত নয় পুলিশ।

৪০ টন ওজনের প্রায় ১৮ মিটার লম্বা সাবমেরিনটি ২০০৮ সালে তৈরি করা হয় ক্রাউডফান্ডিংয়ের অর্থ ব্যবহার করে। এটি ছিল বিশ্বের সবচেয়ে বড় প্রাইভেট সাবমেরিন। এর ব্যালেস্ট ট্যাংকে সমস্যা হওয়ার কারণে এটি মাত্র ৩০ সেকেন্ডেই সাগরে ডুবে যায় বলে জানিয়েছেন পিটার।

এ রহস্য উন্মোচনে এখন সাবমেরিনটির সন্ধান পাওয়া সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এ কারণে বেশ বড় অনুসন্ধান কার্যক্রম শুরু করেছে ডেনমার্কের পুলিশ। দু’টি হেলিকপ্টার ও তিনটি জাহাজ কোপেনহেগেন সংলগ্ন বাল্টিক সাগরের বর্নহোল্ম দ্বীপের আশপাশে অনুসন্ধান করছে। সাবমেরিনটি পাওয়া গেলে এ ঘটনার রহস্য উন্মোচিত হবে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা।

সূত্র : ইনডিপেনডেন্ট


মন্তব্য