kalerkantho


বয়লার মুরগি ও তার জীবনের করুণ পরিণতি!

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২২ নভেম্বর, ২০১৭ ০৯:৫৯



বয়লার মুরগি ও তার জীবনের করুণ পরিণতি!

একটি মাংস উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের কারখানার সেট আপ সব সময় ভালো হয় না। পশুদের ওপর খুব মর্মান্তিক পদ্ধতি ব্যবহার করা হয় যা স্বাভাবিক মানুষের চোখে জল এনে দেবে।

কিন্ত যখন আপনি দেখবেন যে এই কারখানায় মুরগির ডিম এবং মুরগির চিকিৎসা করা হয়, তখন আপনি কিছু করতে পারবেন না কিন্তু কান্নাকাটি করবেন। আমরা সবাই মুরগির মাংস খেতে ভালোবাসি। কিন্তু এদের বড় করতে যে নৃশংস পদ্ধতি প্রয়োগ করা হয় তা দেখলে আপনি চমকে যাবেন।

আরো পড়ুন............
ব্রয়লার মুরগি কি স্বাস্থ্যের জন্য

কখনো ভেবে দেখেছেন যে বড় বড় দেশে কিভাবে এত মানুষের প্রতিদিনের মুরগি সরবরাহ করা হয়? এই ছোট মুরগি হাজার হাজার সংখ্যায় সংরক্ষিত হয় এবং তাদের জন্মের দিন থেকেই যন্ত্রণা দেত্তয়া হয়। কিছু কর্মচারী শিশু মুরগিদের মাথা কেটে ফেলে। সেগুলোকে আবর্জনার সাথে ফেলে দেওয়া হয়। কিন্তু অনেকসময় মুরগিগুলো তখন বেঁচে থাকে।

ভ্যাকসিন লাগানো হয়ে গেলে প্রতিটি মুরগিকে একটি গর্তের মধ্যে ফেলে দেওয়া হয় যা তাদের আবার কনভেয়ার বেল্টে পৌঁছে দেয়। তারপর একটি বড় প্লাস্টিক ট্রের মধ্যে ৫০-১০০ মুরগি বস্তাবন্দি করা হয়।

তারপর তাদের বিভিন্ন ফার্মে পাঠিয়ে দেওয়া হয় বড় করা জন্য।

আরো পড়ুন............
ব্রয়লার মুরগি খেলে কমবে রোগ-প্রতিরোধ

ফার্মগুলোতে মুরগির ওপর হরমোন প্রয়োগ করে ৪০ দিনের মধ্যে তাদের বড় করে দেওয়া হয়। মাত্র ৪০ দিনের মধ্যেই স্বাভাবিক বড় আকৃতিতে চলে আসে মুরগিগুলো। সেই সমপরিমাণ হরমোন যদি কোনো মানবশিশুর ওপর প্রয়োগ করা হয় তবে সেই শিশুর ওজন ২ মাসে দাঁড়াবে ২৭০ কেজি।
 

 


মন্তব্য