kalerkantho


ন্যাটোর বিরুদ্ধে পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধের প্রস্তুতি নিয়েছে রাশিয়া

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৮ জানুয়ারি, ২০১৮ ১৫:০৮



ন্যাটোর বিরুদ্ধে পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধের প্রস্তুতি নিয়েছে রাশিয়া

ছবি অনলাইন

গত সেপ্টেম্বর মাসেই রাশিয়ায় বেশ বড় আকারের একটি যুদ্ধ মহড়া অনুষ্ঠিত হয়। সে সময় রাশিয়া জানিয়েছিল কারো বিরুদ্ধে নয়, বরং নিজেদের প্রতিরক্ষার জন্যই তারা এ মহড়া করেছে। তবে ন্যাটোর সামরিক কর্মকর্তারা বলছেন রাশিয়ার সে মহড়া ছিল ন্যাটোর বিরুদ্ধে শক্তিশালী হামলার বিশাল প্রস্তুতি।

ন্যাটোর নেতৃত্বাধীন এস্তোনিয়া প্রতিরক্ষা বাহিনীর কমান্ডার রিহো তেরাস সম্প্রতি ন্যাটোর এ উদ্বেগের বিষয়টি আরো বাড়িয়ে দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘সেটি ছিল ন্যাটোর বিরুদ্ধে বিশাল আকারে সামরিক হামলার প্রস্তুতি।’

আরো পড়ুন : উত্তর কোরিয়ার পক্ষ নেবে রাশিয়া?

তেরাস বলেন, রাশিয়ার সে প্রস্তুতি ছিল কোনো গণ্ডগোল হলে মার্কিন নেতৃত্বাধীন সামরিক বাহিনীর বিরুদ্ধে রাশিয়ার বিপুল সংখ্যক সেনা প্রেরণের সক্ষমতা প্রদর্শন, যা অত্যন্ত অল্প সময়ের মধ্যেই করা হয়।

শুধু তাই নয়, সম্প্রতি পরমাণু বোমার হামলা প্রতিরোধের প্রস্তুতি নিচ্ছে রাশিয়া। সম্প্রতি এজন্য কৃষ্ণ সাগরের নিকটবর্তী এলাকায় মহড়াও করেছে রাশিয়ান সেনারা। মহড়ায় রাশিয়া যদি পারমাণবিক বা রাসায়নিক বোমার হামলার মুখে পড়ে তাহলে কিভাবে নিজেদের রক্ষা করবে, সেসব বিষয় অন্তর্ভূক্ত ছিল।

আরো পড়ুন : রাশিয়া সফরে সৌদি রাজা সালমানের স্বর্ণের সিঁড়িটি ভেঙে গেছে!

রাশিয়ার সেনাবাহিনী পরিচালিত সে মহড়ায় পাঁচ হাজারেরও বেশি সেনাসদস্য অংশ নেয়। এতে রাসায়নিক ও পারমাণবিক বোমার হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার বিভিন্ন উপকরণ ব্যবহৃত হয়। এছাড়া তেজস্ক্রীয়তা ও রাসায়নিক ক্ষতিকর বস্তু মাপার জন্য বিভিন্ন গবেষণাগার ও মাঠ পর্যায়ে ব্যবহারের যন্ত্রপাতি পরীক্ষা করা হয়।

রাশিয়ার সেই সামরিক মহড়া অনুষ্ঠিত হয় ১৪ থেকে ২০ সেপ্টেম্বর। তবে এতে কোনো একটি দেশের বিরুদ্ধে প্রস্তুতি নেওয়া হয়নি। এ মহড়ায় রাশিয়া সরাসরি ন্যাটোর ওপরেই হামলা চালানোর সক্ষমতা প্রদর্শন করে।

রাশিয়ার পক্ষ থেকে জানানো হয়, এ মহড়ায় ১২ হাজার ৭০০ সেনা অংশগ্রহণ করেছে। তবে ন্যাটোর কর্মকর্তারা বলছেন, এ মহড়ায় তার চেয়ে অনেক বেশি সংখ্যক সেনা অংশগ্রহণ করেছে।

সূত্র : এমএসএন


মন্তব্য