kalerkantho


প্রিয় তিন সম্পাদকের মুখোমুখি

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১১ জানুয়ারি, ২০১৮ ১৮:১০



প্রিয় তিন সম্পাদকের মুখোমুখি

দেশের জনপ্রিয় ও শীর্ষস্থানীয় জাতীয় দৈনিক কালের কণ্ঠের নবম বছরে পা রাখার দিনটিতে মুখোমুখি হয়েছিলাম প্রিয় তিন সম্পাদকের। তারা তাদের অভিমত ব্যক্ত করেছেন, পাঠক-শুভানুধ্যায়ীদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। বলেছেন পজিটিভ বাংলাদেশকে প্রেজেন্ট করার কথা। বলেছেন চড়াই-উতরাই কিভাবে পার হয়েছেন সেটাও!

বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনায় বুধবার ১০ জানুয়ারি উদ্‌যাপন করা হয় দিনটি। রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরার গুলনকশা হলে এ উপলক্ষে দিনভর চলে হৃদয়গ্রাহী ও বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানমালা; আনাগোনা হয় দেশের গুণী ও বিশিষ্টজনদের। কালের কণ্ঠের ফেসবুক পেজে দিনব্যাপী লাইভ প্রচার করা হয়। অনুষ্ঠানের শুরুর দিকে কথা হয় প্রিয় তিন সম্পাদক কালের কণ্ঠ সম্পাদক জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক ইমদাদুল হক মিলন, বাংলাদেশ প্রতিদিন সম্পাদক নঈম নিজাম ও কালের কণ্ঠ নির্বাহী সম্পাদক জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক মোস্তফা কামালের সঙ্গে। সঙ্গে ছিলেন সহকর্মী সাকিব সিকান্দার ও মাহতাব হোসেন।

কালের কণ্ঠ সম্পাদক জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক ইমদাদুল হক মিলন বলেন, 'কালের কণ্ঠ যাত্রা শুরু করেছিলো এক ঐতিহাসিক দিনে। সে দিনটি হচ্ছে ১০ জানুয়ারি ২০১০। ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারিতে বঙ্গবন্ধু তার স্বাধীন বাংলাদেশে পাকিস্তানে কারা ভোগ শেষে ফিরে এসেছিলেন। সে কারণেই এটি স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস। এ দিনটিকে মাথায় রেখেই আমরা আমাদের পত্রিকাটিকে প্রকাশ করেছিলাম। প্রকাশের সময় থেকেই আমাদের চেতনায় বাংলাদেশ, আমাদের চেতনায় মুক্তিযুদ্ধ। মুক্তিযুদ্ধ এবং বাংলাদেশ, মাথার ওপরে বঙ্গবন্ধু। এই চেতনা নিয়েই আমরা এগিয়ে যাচ্ছি। 'আংশিক নয় পুরো সত্য' এই স্লোগান নিয়ে এগিয়েছে। আমরা প্রত্যেকটা সংবাদের ভেতরের ঘটনাগুলো বলার চেষ্টা করেছি। পজিটিভ বাংলাদেশকে প্রেজেন্ট করার চেষ্টা করেছি। বাংলাদেশের যা যা অর্জন সেগুলো প্রকাশ করার চেষ্টা করেছি। পাঠকের কাছে হাজির করার চেষ্টা করেছি।'

বাংলাদেশ প্রতিদিন সম্পাদক নঈম নিজাম বলেন, 'ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপের প্রথম যে কাগজটি সেটি কালের কণ্ঠ। আমি মনে করি কালের কণ্ঠ প্রথম থেকেই একটি সাহসী পদক্ষেপের মধ্য দিয়ে সারা দেশের পাঠকদের মন জয় করেছিলো সেটা এখনো অব্যাহত রয়েছে। এ কাগজ অত্যন্ত ভালো করছে। কালের কণ্ঠের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আমি অভিনন্দন জানাচ্ছি। সকল পাঠকে অভিনন্দন জানাচ্ছি। আগামীতেও কালের কণ্ঠ তার এই সাফল্য ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে। আগামীতেও কালের কণ্ঠ একটি সাহসী পত্রিকা হিসেবে এগিয়ে যাবে। কালের কণ্ঠের জন্য অনেক শুভ কামনা। ইমদাদুল হক মিলনের জন্য শুভ কামনা। মোস্তফা কামালসহ সবার জন্য অনেক অনেক শুভ কামনা।'

কালের কণ্ঠ নির্বাহী সম্পাদক জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক মোস্তফা কামাল বলেন, 'আমি কালে কণ্ঠের পক্ষ থেকে আমাদের শুভানুধ্যায়ীদের শুভেচ্ছা জানাই। আমরা অনেক চড়াই-উতরাই পেরিয়ে, লড়াই-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে কালের কণ্ঠকে একটা শীর্ষ অবস্থায় তুলে এনেছি। আমরা চাই সত্যনিষ্ঠ ও বস্তুনিষ্ঠ খবর দিয়েই পাঠকের মন জয় করতে। আমাদের মূল শক্তি হলো পাঠক। সেই পাঠকের শক্তিতেই আমরা সমস্ত রকম নেতিবাচক প্রভাব বা প্রভাবশালীদের নানা রকম হুমকি উপেক্ষা করে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি। আমরা কোনো দলের নয়, আমরা দেশের। আমরা সাধারণ মানুষের। আমরা যে কোনো অবহেলিত, নিপিড়িত মানুষের পাশের দাঁড়াই।'

তিনি আরও বলেন, 'সারাদেশের আমাদের যে প্রতিনিধি আছেন, তারা কিন্তু খুব অল্প বেতনে কাজ করেন। তারা রাত নাই, দিন নাই নানা রকম প্রভাবশালীদের হুমকি উপেক্ষা করে কাজ করেন। অনেকের বিরুদ্ধেই মামলা আছে। এমনটি আমাদের সম্পাদকের বিরুদ্ধে, আমাদের বিরুদ্ধেও মামলা আছে। সেগুলো আমরা আদালতে ফেস করছি। কিন্তু আমরা আপোষ করি না। আমরা পাঠকের সহযোগিতা চাই। সবার সহযোগিতা নিয়ে এগিয়ে যেতে চাই।'

সাক্ষাতকার গ্রহণ : আনিসুর বুলবুল, শিফট ইনচার্জ, কালের কণ্ঠ অনলাইন


মন্তব্য