kalerkantho


এক ছাত্রীর স্কুল যাওয়ার সুবিধায় ট্রেনের স্পেশাল স্টপেজ

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ২১:২৭



এক ছাত্রীর স্কুল যাওয়ার সুবিধায় ট্রেনের স্পেশাল স্টপেজ

প্রায় দুই বছর আগে জাপান থেকে একটি খবর প্রকাশ পেয়েছিল। সেই খবর নিয়ে সোশাল মিডিয়ায় বেশ জনপ্রিয়ও হয়েছিল খবরটি। জাপানের প্রত্যন্ত গ্রামে বাস করা একটি বাচ্চা মেয়ের স্কুল যেতে খুব অসুবিধা হওয়ায় তার জন্য ট্রেনের একটি স্পেশাল স্টপেজ দেওয়া হয়েছিল। ঠিক সেরকমই একটা খবর আবারও সামনে এসেছে। রাশিয়ায় এক স্কুলে ছাত্রীর জন্য স্পেশাল স্টপেজ দেওয়া হল ট্রেনে।

রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গে মারমেন্সক ট্রেনের যাতায়াতের পথে একটা বিশেষ স্টেশনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এই স্পেশাল স্টেশনের ব্যবস্থা ও ট্রেনকে থামানো হচ্ছে শুধুমাত্র একটি স্কুলের ছাত্রী ও তার দাদীর জন্য। যাতে দাদী তাঁর নাতনিকে নিয়ে স্কুলে দিয়ে আসতে পারেন ও তাকে সঙ্গে নিয়ে ঘরে ফিরতে পারেন।

আরও পড়ুন: মাঝ আকাশে ইঞ্জিনে বিস্ফোরণ, তারপরও শান্ত ছিলেন বিমানযাত্রীরা!

জানা গেছে ১৪ বছরের করীনা কোজলোভা ও তার দাদী নাটালিয়া কোজলোভা দুজনে রাশিয়ার পোয়াকোন্ডা এলাকায় থাকেন। সেখান থেকে রোজ দুজনকে অনেকটা রাস্তা অতিক্রম করে তবেই স্কুলে পৌঁছতে হয়। পোয়াকান্ডা আর্কটিক সার্কল থেকে বহু যোজন দূরে অবস্থিত একটি এলাকা। রাশিয়ার উত্তর পশ্চিম দিকে অবস্থিত ওই এলাকা একেবারেই অজপাড়া গাঁ। যাতায়াতের কোনো সুযোগ সুবিধা নেই সেই গ্রামে।

আরও পড়ুন: পাকিস্তানি নারী গোয়েন্দার ফাঁদে এবার ভারতীয় সেনা কর্মকর্তা

পোয়াকোন্ডায় আগে ট্রেন তো থামত কিন্তু তা কেবলমাত্র রেলের কিছু কর্মচারির জন্য। এদিকে করীনা ও তার দাদীর ওই ট্রেনটি ছাড়া আর যাতায়াতের আর কোনো দ্বিতীয় পথ ছিলনা। ওই ট্রেন পাওয়ার জন্য করীনা ও তার ঠাকুমা ওই ট্রেনের জন্য রোজ তিন ঘন্টার পথ অতিক্রম করে আসতেন। সকাল সাড়ে সাতটায় ছিল ট্রেন। কিন্তু সেই ট্রেনই তারা ধরতেন। আবার রাত ৯টায় বাড়ি ফিরতেন।

আরো পড়ুন: গানটিতে কি আসলেই ইসলাম অবমাননার কিছু আছে?

স্পুতনিক ইন্টারন্যশনালের সূত্র অনুসারে করীনার মা আঞ্চলিক কর্মকর্তাদের এই পুরো বিষয়টি জানিয়ে অনুরোধ করেন। তারপরই তাদের বাড়ির কাছাকাছি এই স্পেশাল স্টপেজ দেওয়া শুরু হয়েছে।


মন্তব্য