kalerkantho

বাইকের নাড়িনক্ষত্র

১৩ আগস্ট, ২০১৭ ০০:০০



বাইকের নাড়িনক্ষত্র

মোটরসাইকেল আর গাড়ির ইঞ্জিন অনেকটা একই পদ্ধতিতে কাজ করে। মোটরসাইকেলের সিলিন্ডার ব্লকে পিস্টনগুলো ওপরে-নিচে চলে।

পিস্টনগুলো চলে জ্বালানি আর বায়ুর মিশ্রণের এক বিস্ফোরণের মাধ্যমে। এই বিস্ফোরণকে প্রজ্বলিত করে একটি স্ফুলিঙ্গ। বাল্বগুলো খুলে এবং বন্ধ হয়ে কমবাশন চেম্বারে জ্বালানি আর বায়ুর মিশ্রণ প্রবেশ করতে সাহায্য করে। পিস্টনের ওপরে-নিচে ঘূর্ণনের মধ্য দিয়ে আবর্তনশীল শক্তি তৈরি হয়। এই শক্তিই বাইকের পেছনের চাকাকে গতি দেয়।

বৈশিষ্ট্যের ওপর ভিত্তি করে মোটরসাইকেলের ইঞ্জিনকে সাধারণত তিন ভাগে ভাগ করা যায়। বৈশিষ্ট্যগুলো হচ্ছে—সিলিন্ডারের সংখ্যা, কমবাশন চেম্বারের ধারণক্ষমতা এবং ইঞ্জিনের পাওয়ার সাইকেলে উত্পন্ন স্ট্রোকের সংখ্যা।

মোটরসাইকেলের ইঞ্জিনে এক থেকে ছয়টি পর্যন্ত সিলিন্ডার থাকতে পারে। তবে মার্কিন, ইউরোপীয় এবং জাপানিজরা ইঞ্জিনের সিলিন্ডার হিসেবে ভি-টুইনকেই বেশি প্রাধান্য দেয়।

দুটি সিলিন্ডারকে যখন ‘ভি’ আকারে মোটরসাইকেলের ইঞ্জিনে বসানো হয়, তখন একে ‘ভি-টুইন’ সিলিন্ডার বলা হয়।

মূলত ইঞ্জিনের কম্পন কমানোর উদ্দেশ্যে ‘ভি-টুইন’ সিলিন্ডার ব্যবহার করা হয়। আর প্যারালাল-টুইন ইঞ্জিনের পিস্টনগুলো পাশাপাশি থাকে। এ তো গেল দুই সিলিন্ডারের ইঞ্জিনের কথা। তবে এ সময় মোটরসাইকেলের সবচেয়ে জনপ্রিয় ডিজাইন হলো চার সিলিন্ডারের ইঞ্জিন, যা দুই সিলিন্ডারের চেয়ে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন।


মন্তব্য