kalerkantho


ফেসবুক থেকে পাওয়া ভিডিও

'রাস্তার না, ঢাকার মাস্তান আমরা'

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৭ জুন, ২০১৭ ১১:১৪



'রাস্তার না, ঢাকার মাস্তান আমরা'

গাড়ির সামনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টিকার লাগানো। হ্যাঁ, তিনি বোধহয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকই।

তবে, তাঁর আচরণ দেখে অনেকের এই পরিচয় ভুলে যাওয়ারই কথা। একজন শিক্ষক কীভাবে একজন পিতার বয়সী গণপরিবহন  চালকের সঙ্গে এমন আচরণ করেন, তা অনেকেরই মাথায় আসবে না।  

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পাওয়া ভিডিওটিতে দেখা যাচ্ছে, তিনি (শিক্ষক) বলছেন, পুলিশ ডাকলে তোরে মাইরা ফাটাইয়া ফালাইব। ভেতরে যিনি বসে আছেন তিনিও শিক্ষক, আমিও শিক্ষক। তোর গাড়ি ভাইঙ্গা তুলে দিব আমি। রাস্তার মাস্তান না, ঢাকার মাস্তান আমরা। তুই গাড়িটা লাগাইছস, তুই স্বীকার কর, গাড়িটা লাগাইছি। পায়ে ধইরা মাফ চা। ......এরপর ওই ব্যক্তি 'শিক্ষকের' পা ধরে জনসমক্ষে ক্ষমা চাইলে ওই 'শিক্ষক' তাকে মাফ করেন ও ছেড়ে দেন।  

এ ছাড়া সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যার কাছ থেকে পাওয়া এই ভিডিওটি তিনি তার ওয়ালে লেখেন
শিক্ষক জাতিকে কলঙ্কিত করলেন আপনি।
বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষকের কাছে এই জঘন্য ব্যবহার আশা করিনি।
বাংলাদেশের প্রত্যেকটি শিক্ষার্থীর প্রশ্ন,
শিক্ষক মানেতো মানুষ গড়ার কারিগর তাইনা? তাহলে আপনার থেকে আমরা কি শিখবো স্যার? আপনি না শিক্ষক? তাহলে আপনি আবার মস্তান হলেন কিভাবে? আপনার বাবার বয়সী একজন ড্রাইভারেকে কিভাবে আপনার পায়ে ধরালেন স্যার? মানলাম এই বাস চালকের অপরাধ কিন্তু তাই বলে কি এই চালক মানুষ না? ওনাকে কি আপনার মানুষ মনে হয়নি স্যার?
স্যার আপনি যদি মাস্তান হন তাহলে আমরা কি হব স্যার?
স্যার আপনি দয়া করে কোথাও শিক্ষক এর পরিচর দিয়েননা স্যার, যদি দেন তাহলে যে আমাদের শিক্ষক জাতির অপমান হবে স্যার।
 


মন্তব্য