kalerkantho


'ঘাটতি পূরণে চাল আমদানিতে কৃষকের স্বার্থহানি ঘটবে না'

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ২০:৩৭



'ঘাটতি পূরণে চাল আমদানিতে কৃষকের স্বার্থহানি ঘটবে না'

বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, ঘাটতি পূরণে চাল আমদানিতে দেশের কৃষকের কোনো স্বার্থহানি ঘটবে না।

তিনি আজ সংসদে জাতীয় পার্টির নূরুল ইসলাম মিলনের ৭১ বিধিতে মনোযোগ আকর্ষণ নোটিশের জবাবে এ কথা বলেন।

তোফায়েল আহমেদ বলেন, বাংলাদেশ খাদ্য উদ্বৃত্তের দেশ। গত বছর বাংলাদেশ ২ লাখ মেট্রিক টন চাল রপ্তানিও করেছিল। কিন্তু চলতি বছর বন্যায় হাওর এলাকায় ব্যাপক ফসলহানির কারণে খাদ্য ঘাটতি দেখা দিয়েছে। ঘাটতি পূরণে সরকার খাদ্য আমদানি যথাসময়ে পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে দেশে ৬ লাখ ৬১ হাজার টন চাল মজুদ রয়েছে। এর মধ্যে ৪ লাখ ৪৭ হাজার টন চাল গুদামে মজুদ রয়েছে। আর ১ লাখ ১৪ হাজার টন চাল জাহাজে খালাসের অপেক্ষায় রয়েছে। ফলে দেশে এখন আর খাদ্য ঘাটতি নেই।  

তিনি বলেন, খাদ্য ঘাটতি মেটাতে সরকারের নেয়া পদক্ষেপগুলোর মধ্যে আমদানি খাতে চাল ও গমের ওপর নির্ধারিত ২৮ শতাংশ ট্যারিফ হ্রাস করে প্রথমে ১০ শতাংশ এবং পরে ২ শতাংশে নামিয়ে আনা হয়েছে।

ফলে ব্যক্তি পর্যায়েও চাল-গম আমদানি করা হচ্ছে।  

বাণিজ্যমন্ত্রী আরো বলেন, এই ট্যারিফ হ্রাস আপদকালীন পদক্ষেপ। এ সময় উত্তীর্ণ হলে কৃষকের স্বার্থ বিবেচনায় রেখে ট্যারিফ আরোপ করা হবে।  

তিনি আশা প্রকাশ করেন, আগামী বছর ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে। দেশে আর খাদ্য ঘাটতি থাকবে না। আবার খাদ্যে উদ্বৃত্তের দেশে পরিণত হবে।

তিনি আরো বলেন, চলতি অর্থবছরের বাজেটে সরকারিভাবে ৯ লাখ টন চাল ও ৩ লাখ গম মোট ১২ লাখ টন খাদ্য আমদানির সংস্থান রাখা হয়েছিল। কিন্তু ঘাটতির কারণে বর্তমানে ১৫ লাখ টন চাল ও ৫ লাখ টন গম মোট ২০ লাখ টন খাদ্য আমদানি করা হচ্ছে।


মন্তব্য