kalerkantho


নদী রক্ষায় ১১৮ নৌরুট খনন করা হচ্ছে : মন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ০১:৩৮



নদী রক্ষায় ১১৮ নৌরুট খনন করা হচ্ছে : মন্ত্রী

ফাইল ছবি

নদী রক্ষায় দেশের ১১৮টি নৌ রুট চিহ্নিত করে খননকাজ শুরু করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন নৌ পরিবহন মন্ত্রী মো. শাজাহান খান। তিনি বলেন, অচিরেই এসব নদী নাব্যতা ও যৌবন ফিরে পাবে। বিশ্ব নদী দিবস-২০১৭ উপলক্ষে গতকাল রবিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত ‘বাংলাদেশের নদীর সংকট ও করণীয়’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি এ কথা বলেন। জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন, বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা), রিভারাইন পিপল ও ওয়াটার কিপারস বাংলাদেশ যৌথভাবে এ সেমিনারের আয়োজন করে।
 
শাজাহান খান বলেন, নদী রক্ষায় বর্তমানে জাতির বিবেক জাগ্রত হয়ে উঠেছে। দেশের নদীগুলোকে উজ্জীবিত করতে অনেকেই সহযোগিতার হাত বাড়াচ্ছেন। তাই কিছুসংখ্যক দখলদার বা ভূমিদস্যু নদীর জমি গ্রাস করে রাখতে পারবে না। মন্ত্রী বলেন, বুড়িগঙ্গার পানি দূষণ রোধে কাজ প্রাথমিক পর্যায়ে শুরু করা হয়েছে। আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় থাকলে এ নদীকে আবারও প্রবাহমান করে তোলা হবে।
 
জাতীয় নদী কমিশনের চেয়ারম্যান মো. আতাহারুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশের নদীর বর্তমান অবস্থা সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ক্ষমতাবান ও স্বার্থনেষী মহলের কাছে আমরা অসহায়। তিনি নদী রক্ষায় সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলের আহ্বান জানান।
 
সেমিনারে আলোচকরা আরও বলেন, দেশের প্রায় সব নদী ধ্বংসের মুখে। নদী দখল, বালু উত্তোলন ও পাথর তোলার কারণে নানাভাবে আক্রান্ত। এছাড়াও বাণিজ্যিক কারণে নদীর পানি দূষিত হচ্ছে। এসব বন্ধ করা না হলে অচিরেই নদীমাতৃক বাংলাদেশের অস্তিত্ব বিলীন হয়ে পড়বে।  
 
তারা বলেন, নদীর প্রতি আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন করতে হবে। নদী নিয়ে আদালতের রায় তাকলেও তা বাস্তবায়ন হচ্ছে না। নদী দখল ও দূষণে আজও তেমন কাউকে শাস্তি দেয়া হয়নি। এ কারণে প্রতিনিয়ত নদীর সীমানা বিলীন হয়ে যাচ্ছে। এতে করে দেশের ছোট-বড় নদীগুলো হারিয়ে যাচ্ছে। এসব নদী-খাল উদ্ধার ও কঠোর আইনের মাধ্যমে অপরাধীদের শাস্তির আহ্বান জানান তারা।

মন্তব্য