kalerkantho


এক অসহায় মায়ের অধিকার রক্ষায় হাইকোর্টের নির্দেশ

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৩ নভেম্বর, ২০১৭ ১৯:০০



এক অসহায় মায়ের অধিকার রক্ষায় হাইকোর্টের নির্দেশ

আশ্রয়হীনা অসহায় এক মা'র জীবন ও সম্পত্তির অধিকার নিশ্চিত করাসহ তাকে পর্যাপ্ত সামাজিক নিরাপত্তা দিতে নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।

আগামী সাত দিনের মধ্যে সমাজসেবা অধিদপ্তরের ডিজিকে (মহাপরিচালক) এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেয়ার জন্য বলা হয়েছে।

বিচারপতি সালমা মাসুদ চৌধুরী ও বিচারপতি একেএম জহিরুল হকের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের একটি ডিভিশন বেঞ্চ আজ এ আদেশ দেয়।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন এডভোকেট মনজিল মোরসেদ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন সহকারী ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অরবিন্দ কুমার রায়।

আদালত বনানীর ১১ নং রোডের এম ব্লকের ৭৮ নং বাড়িটি যাতে কেউ হস্তান্তর করতে না পারে বা মর্টগেজ না দিতে পারে সে বিষয়ে পদক্ষেপ নেয়ার জন্য রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছে। এছাড়া রুল জারি করেছে আদালত। রুলে অসহায় সাফাত আরা সোবহানের জীবন ও সম্পত্তির অধিকার রক্ষায় ব্যবস্থা নিতে কেন নির্দেশ দেয়া হবে না এবং অসহায় মানুষদের জন্য আলাদা বিভাগ সৃষ্টির নির্দেশ কেন দেয়া হবে না তা জানতে চেয়েছে আদালত।

চার সপ্তাহের মধ্যে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব, রাজউক চেয়ারম্যান, পরিচালক (স্টেট), সমাজকল্যাণ বিভাগের মহাপরিচালকসহ সংশ্লিষ্টদের রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।  

বৃদ্ধাশ্রমে এক মায়ের আকুতি শীর্ষক একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। ওই সংবাদ যুক্ত করে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন জনস্বার্থে মানবাধিকার ও পরিবেশবাদী সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ (এইচআরপিবি) রিটটি দায়ের করেন।

রিটের পক্ষে আইনজীবী মনজিল মোরসেদ সাংবাদিকদের বলেন, সাফাত আরা সোবহানের বনানীর ১১ নম্বর রোডের এম ব্লকের ৭৮ নম্বর স্বামীর বাড়িটি যাতে কেউ হস্তান্তর করতে বা মর্টগেজ দিতে না পারে সে ব্যাপারে কার্যকরি ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, আশ্রয়হীনা মা সাফাত আরা সোবহান ওরফে পারুল। তিনি সন্তানদের আগলে রেখেছিলেন। এখন তারা প্রতিষ্ঠিত চিকিৎসক ও উচ্চশিক্ষিত কর্মকর্তা। সাফাত আরা সোবহানের বনানীর ১১ নম্বর রোডের এম ব্লকের ৭৮ নম্বরে স্বামীর সানড্রপ নামে আলিশান বাড়ি রয়েছে। আর উত্তরায় বাড়ি-গাড়িসহ দেড়শ কোটি টাকার সম্পত্তি ও সম্পদ আছে। অথচ তিনি এখন রাজধানীর ইন্দিরা রোডস্থ ২১/১ নম্বর নিবন্ধন নামক বৃদ্ধাশ্রমে আশ্রয় নিয়েছেন।


মন্তব্য