kalerkantho


সোনার কারবারি সেই মোহাম্মদ আলীর বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৪ নভেম্বর, ২০১৭ ০৫:৫৫



সোনার কারবারি সেই মোহাম্মদ আলীর বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

প্রায় ৪১ কোটি টাকা অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে সোনার কারবারি এস কে মোহাম্মদ আলীর বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। গতকাল সোমবার সংস্থাটির প্রধান কার্যালয়ের উপ-পরিচালক জালাল উদ্দিন আহাম্মদ বাদী হয়ে রমনা মডেল থানায় মামলাটি দায়ের করেন।

দুদকের উপপরিচালক (জনসংযোগ) কর্মকর্তা প্রনব কুমার ভট্টাচার্য্য এ বিষয়ে জানিয়েছেন। প্রনব কুমার জানান, সোনার কারবারি এস কে মোহাম্মদ আলীর ৪০ কোটি ৯১ লাখ ৮১ হাজার ৩৭৫ টাকার গোপনকৃত ও জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদের সন্ধান পায় দুদক। পরে দুদক আইন ২০০৪ এর ২৬(২) ও ২৭(১) ধারায় তার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।

দুদক জানায়, ২০১৪ সালের ২৬ ডিসেম্বর রাজধানীর পুরানা পল্টনে এস কে মোহাম্মদ আলীর বাসায় অভিযান চালিয়ে পাঁচ বস্তা মুদ্রা, ৬১ কেজি ওজনের ৫২৮টি সোনার বার উদ্ধার করে শুল্ক গোয়েন্দা। ওই সময় বালিশের কভার, সোফার কুশনের ভেতর, জাজিম-তোশকের নিচে, আলমারি ও বাসার ফলস (কৃত্রিম) সিলিংয়ের ওপর এসব মুদ্রা ও সোনার বার পাওয়া যায়। শুল্ক গোয়েন্দা ও ডিবি পুলিশ ওই বাসায় অভিযান চালায়। ওইসময় গ্রেপ্তার হন মোহাম্মদ আলী। পরবর্তীতে তিনি জামিন পান।

দুদক জানায়, এ বছরের ১৯ জুন মোহাম্মদ আলীর সম্পদের বিবরণ চেয়ে নোটিশ দেয় দুদক।

শেখ মোহাম্মদ আলী আলী রাজধানরি সাত মসজিদ রোডে মিষ্টির ব্যবসা দিয়ে তার কর্ম জীবন শুরু করেন। বর্তমানে ওই জায়গায় ফুলকলি নামে অংশীদারিত্বে মিষ্টির ব্যবসা করছেন। স্পিড মানি এক্সচেঞ্জার নামে তার মানি এক্সচেঞ্জের ব্যবসা রয়েছে। তাছাড়া তিনি সেকেন্ডারী মার্কেটে শেয়ার ব্যবসায় জড়িত রয়েছেন।  

দুদকে দাখিলকৃত সম্পদ বিবরণীতে শেখ মোহাম্মদ আলী তার নিজ নামে মোট ৪ কোটি ৮৮ লাখ ৬৬ হাজার ১৫০ টাকার স্থাবর সম্পদের ঘোষনা দিয়েছেন। কিন্তু অনুসন্ধান দুদক ৪০ কোটি ৯১ লাখ ৮১ হাজার ৩৭৫ টাকার গোপনকৃত ও জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদের সন্ধান পায় দুদক। মোহাম্মদ অলীর সোনা চোরাকারবারির সঙ্গে জড়িত বলে দুদ জানায়।

 


মন্তব্য