kalerkantho


রোহিঙ্গা প্রশ্নে তুরস্ক ও নাইজেরিয়াকে ধন্যবাদ জানালেন শিল্পমন্ত্রী

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৮ নভেম্বর, ২০১৭ ২২:৫৪



রোহিঙ্গা প্রশ্নে তুরস্ক ও নাইজেরিয়াকে ধন্যবাদ জানালেন শিল্পমন্ত্রী

শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু রোহিঙ্গা সমস্যাকে আন্তর্জাতিক ফোরামে উত্থাপন এবং এ সমস্যা সমাধানে সহায়তা প্রদানের জন্য তুরস্ক ও নাইজেরিয়া সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। নাইজেরিয়ায় ডি-৮ মন্ত্রীপর্যায়ের বৈঠক শেষে এই দুই দেশের মন্ত্রীদের সাথে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক শেষে এই ধন্যবাদ জানান।

শিল্পমন্ত্রী ডি-৮ ভুক্ত ৮ টি দেশের শিল্প উন্নয়নের লক্ষ্যে সম্মিলিত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বাংলাদেশের পক্ষ থেকে যে সব পরামর্শ দেন তার অধিকাংশই আবুজা ঘোষণার অন্তর্ভুক্ত হয়েছে বলে আজ ঢাকায় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

বিশেষ করে গতমাসে অনুষ্ঠিত ডি-৮ সম্মেলনে রোহিঙ্গা সমস্যাকে জাতিগত নিধন হিসাবে আখ্যায়িত করা ও রোহিঙ্গাদের অধিকার নিশ্চিত করে নিরাপদে স্বদেশে প্রত্যাবর্তনের মাধ্যমে সমস্যার স্থায়ী সমাধানের বিষয়ে বাংলাদেশের পাশে থাকার অঙ্গিকার ব্যক্ত করার জন্য দেশ দুটির প্রতি তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

শিল্পমন্ত্রী তুরস্কের ফার্স্টলেডি এমিন এরদোগান বাংলাদেশ সফরে এসে রোহিঙ্গাদের পাশে থাকার অঙ্গিকার প্রদানের জন্য বিশেষ ধন্যবাদ প্রদান করেন।

আমির হোসেন আমু বলেন, এসএমই-র সমন্বিত উন্নয়নের জন্য সকল সদস্য দেশসমূহকে অবিলম্বে একটি সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করতে হবে এবং সে মোতাবেক কাজ করতে হবে। অটোমোটিভ, পেট্রোকেমিক্যাল, সিরামিক, ইস্পাত, টেক্সটাইল ও পোষাক শিল্পের উন্নয়নের জন্য সদস্য দেশসমুহের মধ্যে ইউনিয়ন বা এসোসিয়েশন গড়ে তুলতে হবে। সদস্য দেশসমুহের মধ্যে বিনিয়োগ ও কারিগরি সহায়তা বৃদ্ধির জন্য পরিবেশ তৈরী ও প্রযুক্তি স্থানান্তর করতে হবে। মেশিনারী শিল্পে যে সকল দেশের দক্ষতা ও প্রযুক্তি সুবিধা বেশি আছে তাদেরকে যে সকল দেশের দক্ষতা ও প্রযুক্তি সুবিধা বৃদ্ধি করতে হবে। বাণিজ্যে অশুল্ক বাধা দুরীকরনের জন্য পন্যের মানের ক্ষেত্রে সমতা আনয়ন করার ব্যবস্থা নিতে হবে।

সভার সাইডলাইনে তুরস্ক-এর বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও শিল্প বিষয়ক মন্ত্রী ডঃ ফারুক অজলু এবং নাইজেরিয়ার শিল্প, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ প্রতিমন্ত্রী আইশা আবুবকর মন্ত্রীর সাথে সাক্ষাতে মিলিত হন।

নাইজেরিয়ার শিল্পমন্ত্রীর সাথে আলোচনাকালে তিনি দুইদেশের মধ্যে বিনিয়োগ চুক্তি ও বাণিজ্য সম্প্রসারণের লক্ষ্যে এফটিএ সম্পাদনের উপর গুরুত্ব আরোপ করেন।

তিনি সে দেশে কৃষিজাত পণ্য উৎপাদন, ঔষধ ও জাহাজ শিল্প স্থাপনে বাংলাদশের অংশগ্রহণের সম্ভাবনা তুলে ধরেন। নাইজেরিয়ার শিল্পমন্ত্রী বাংলাদেশের শিল্প ও বাণিজ্য সম্প্রসারণে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতামূলক কার্যক্রম গ্রহণের ইচ্ছা পোষণ করেন।

তুরস্ক-এর বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও শিল্প বিষয়ক মন্ত্রী ড. ফারুক অজলু দু’দেশের মধ্যে ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্কের সুত্র ধরে সৌহার্দপূর্ণ আলোচনা করেন। তিনি বিনিয়োগের সুবিধার্থে দুদেশের মধ্যে বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক পুঁজি বিনিয়োগ চুক্তি কাজে লাগানোর অভিপ্রায় ব্যক্ত করেন।


মন্তব্য