kalerkantho


বেসিক ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যানকে দ্বিতীয় দিনের মতো জিজ্ঞাসাবাদ

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৬ ডিসেম্বর, ২০১৭ ১২:৫৭



বেসিক ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যানকে দ্বিতীয় দিনের মতো  জিজ্ঞাসাবাদ

বেসিক ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান শেখ আব্দুল হাই বাচ্চুকে দ্বিতীয় দিনের মতো জিজ্ঞাসাবাদ করছে দুর্নীতি দমন কমিশন। তার বিরুদ্ধে সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকার ঋণ জালিয়াতির   অভিযোগ রয়েছে।

 

কমিশনের উপপরিচালক (জনসংযোগ) প্রণব কুমার ভট্টাচার্য্য জানান, আজ বুধবার সকাল ১০টার দিকে দ্বিতীয় দিনের মতো  জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয় আব্দুল হাই বাচ্চুকে। কমিশনের পরিচালক এ কে এম জায়েদ হোসেন খান ও সৈয়দ ইকবালের নেতৃত্বে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

এর আগে গত সোমবার দুদকের সেগুনবাগিচার কার্যালয়ে প্রায় আড়াই ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় বাচ্চুকে।

বেসিক ব্যাংকের দুর্নীতি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের কয়েক দফা পর্যবেক্ষণ আসার পর সম্প্রতি ব্যাংকটির সাবেক চেয়ারম্যান বাচ্চুকে জিজ্ঞাসাবাদের উদ্যোগ নেয় দুদক। বাচ্চুর আগে ব্যাংকের সাবেক ১০ পরিচালককেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

এরা হলেন ব্যাংকটির পরিচালনা পর্যদের সাবেক সদস্য আনোয়ারুল ইসলাম, আনিস আহমদ, কামরুন নাহার আহমেদ, অধ্যাপক কাজী আকতার হোসাইন, সাখাওয়াত হোসেন, ফখরুল ইসলাম, একেএম কামরুল ইসলাম, জাহাঙ্গীর আখন্দ সেলিম, শ্যাম সুন্দর শিকদার ও একেএম রেজাউর রহমান।

সোমবার দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ সাংবাদিকদের বলেন, এ পর্যন্ত ওই ঋণের ৫৫৬ কোটি টাকা ব্যাংকে জমা দেওয়া হয়েছে। আরো তিন হাজার ৪৩ কোটি টাকা রিশিডিউল করা হয়েছে। তবে টাকা ফেরতের সঙ্গে ফৌজদারি অপরাধের দায়ের কোনো সম্পর্ক নেই।

তিনি বলেন, ২০০৯ সাল থেকে ২০১২ সালের মধ্যে রাষ্ট্রায়াত্ত বেসিক ব্যাংকের গুলশান, দিলকুশা ও শান্তিনগর শাখা থেকে মোট সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা ঋণ অনিয়মের মাধ্যমে বিতরণের অভিযোগ ওঠার পর তদন্তে নামে দুদক।

এ ছাড়া ঋণপত্র যাচাই না করে জামানত ছাড়া, জাল দলিলে ভুয়া ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে ঋণ দানসহ নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে বিধি বহির্ভূতভাবে ঋণ অনুমোদনের অভিযোগ ওঠে ব্যাংকটির তৎকালীন পরিচালনা পর্ষদের বিরুদ্ধে।

প্রায় চার বছর অনুসন্ধান শেষে এই অনিয়ম ও দুর্নীতির ঘটনায় গত বছর রাজাধানীর তিনটি থানায় ১৫৬ জনকে আসামি করে ৫৬টি মামলা করে দুদক। আসামিদের মধ্যে ২৬ জন ব্যাংক কর্মকর্তা এবং বাকিরা ঋণ গ্রহণকারী প্রতিষ্ঠান ও ব্যাংক জরিপ প্রতিষ্ঠানে যুক্ত। তবে আসামির তালিকায় বাচ্চু বা ব্যাংকটির তৎকালীন পরিচালনা পর্ষদের কেউ না থাকায় প্রশ্ন ওঠে দুদকের ওই তদন্ত নিয়েই।

 

 

 


মন্তব্য