kalerkantho


সিলভার কার্প নাকি পেঁয়াজ?

‌আনিসুর বুলবুল   

১২ ডিসেম্বর, ২০১৭ ১৯:৪৮



সিলভার কার্প নাকি পেঁয়াজ?

রাজধানীর বাজারগুলোতে পেঁয়াজের দাম কমছে না বরং উল্টো বেড়েই চলেছে। খুচরা বাজারে প্রতি কেজি পেঁয়াজ ১৪০ টাকায় পৌঁছেছে। অপরদিকে সিলভার কার্প মাছও ১৪০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। এর আগে ব্রয়লার মুরগির দামের সমান ছিল পেঁয়াজ। এখন সেটাকেও ছাড়িয়ে গেছে।

আজ মঙ্গলবার রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এবং ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।

রাজধানীর পাইকারি ও খুচরা বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বর্তমানে পাইকারিতে দেশি পেঁয়াজ ১১৫ টাকা এবং খুচরা বাজারে ১২৫ থেকে ১৪০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। আর আমদানি করা ভারতীয় পেঁয়াজ পাইকারিতে বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৭৫ থেকে ৭৬ টাকা এবং খুচরায় প্রতি কেজি ৮০ থেকে ৯০ টাকা।

অপরদিকে গুলশা ও ছোট চিংড়ি কেজি প্রতি ৫০০ টাকা, সিলভার কার্প ১৪০ টাকা কেজি করে পাওয়া যাচ্ছে।

পেঁয়াজের দাম নিয়ে অভিযোগ-আপত্তি জানানোর কোনো জায়গা না পেয়ে ভোক্তারা সামাজিক মাধ্যমে ব্যঙ্গোক্তি প্রকাশ করছে। 

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে সাইফুদ্দিন আহমেদ নান্নু নামের একজন লিখেছেন, ধান এবং পেঁয়াজ দুটোর উৎপাদন কৃষি মন্ত্রণালয়ের বিষয়। ধান উৎপাদনে সফলতা,ঘাটতি পূরণ যদি কৃষি মন্ত্রণালয়ের সাফল্য হয়, পেঁয়াজ উৎপাদনে বিশাল ঘাটতির দায় কৃষি মন্ত্রণালয়ের। কেবল ধান উৎপাদনকে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সার্বিক সাফল্য বলে আত্মপ্রসাদ লাভের বদ কালচার থেকে বের হয়ে আসার সময় হয়েছে। পেঁয়াজ উৎপাদনের সহায়ক মাটি, অনুকুল আবহাওয়া থাকার পরও পেঁয়াজের মোট চাহিদার ৩০শতাংশ ঘাটতি কেন থাকবে,ব্যর্থতা কোথায়, কার? কেবল ধান উৎপাদনই যদি কৃষি মন্ত্রণালয়ের সাফল্য মানা হয় তা হলে এই মন্ত্রণালয়ের নাম "ধান মন্ত্রণালয়" রাখাই সঙ্গত।

রবি খান নামের আরেকজন লিখেছেন, ভাবছি নতুন একটা অফার দিব। এক কেজি পেঁয়াজের বিনিময়ে ১টি বার্গার দেবো।

টিসিবির হিসাবে দেখা গেছে, এই সময়ে দেশি পেঁয়াজের যে দাম তা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ২০৭ গুণ বেশি। গত বছর এই সময়ে পেঁয়াজের দাম ছিল ৩৫ থেকে ৪০ টাকা। আমদানি করা পেঁয়াজের দামও বেড়েছে প্রায় ২০০ শতাংশ পর্যন্ত। গত বছর এই সময়ে আমদানি করা প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ২৫ থেকে ৩০ টাকায়।


মন্তব্য