kalerkantho


বিশ্ব ইজতেমার মুসল্লিদের নিরাপত্তায় থাকছে ৮ স্তরের নিরাপত্তা

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৭ জানুয়ারি, ২০১৮ ২০:৪৭



বিশ্ব ইজতেমার মুসল্লিদের নিরাপত্তায় থাকছে ৮ স্তরের নিরাপত্তা

টঙ্গীর তুরাগ তীরে বিশ্ব ইজতেমা উপলক্ষে আজ রোববার গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের টঙ্গী অঞ্চল-১-এর কার্যালয় চত্বরে প্রস্তুতিমূলক এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই সভায় আইন-শৃংখলা পরিস্থিতিসহ ইজতেমার সার্বিক অগ্রগতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। 

উল্লেখ্য, প্রথম পর্বের বিশ্ব ইজতেমা ১২ জানুয়ারি শুরু হয়ে তা ১৪ জানুয়ারি শেষ হবে। দ্বিতীয় পর্বের ইজতেমা ১৯ জানুয়ারি থেকে শুরু হবে এবং আখেরী মোনাজাতের মধ্য দিয়ে ২১ জানুয়ারি শেষ হবে।

স্থানীয় সংসদ সদস্য ও যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মো. জাহিদ আহসান রাসেল এ সভায় সভাপতিত্ব করেন। গাজীপুর জেলা প্রশাসক ড. দেওয়ান মোহাম্মদ হুমায়ুন কবিরের সঞ্চালনায় সভায় অন্যান্যের মধ্যে সিটি কর্পোরেশনের মেয়র অধ্যাপক এম এ মান্নান, জেলা পুলিশ সুপার মো. হারুন-অর-রশিদ, জেলা সির্ভিল সার্জন ডা. সৈয়দ মঞ্জুরুল হক, বিশ্ব ইজতেমা আয়োজক কমিটির মুরব্বী ইঞ্জিনিয়ার গিয়াস উদ্দিন, রফিকুল ইসলাম, টঙ্গী পৌরসভার সাবেক মেয়র এডভোকেট আজমত উল্লাহ খান প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

সভায় স্থানীয় সংসদ সদস্য জাহিদ আহসান রাসেল বলেন, প্রতিবছরই আমরা প্রশাসনসহ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থা ও দপ্তরসমূহের সহযোগিতা নিয়ে আমরা বিশ্ব ইজতেমা ময়দানে আগত দেশ-বিদেশের লাখো মুসল্লিদের সেবায় বিভিন্ন কাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করে যাচ্ছি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও বিশ্ব ইজতেমার সার্বিক খোঁজখবর রাখছেন বলে তিনি সভায় উল্লেখ করেন।

গাজীপুর জেলা পুলিশ সুপার হারুন-অর-রশিদ জানান, বিশ্ব ইজতেমা উপলক্ষে পুরো মাঠে ৮ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে। প্রতি পর্বের ইজতেমায় পর্যাপ্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যবৃন্দ নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করবেন। 

এতে প্রায় ১০হাজার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য ইউনিফরম ও সাদা পোশাকে দায়িত্ব পালন করবে। পুরো ইজতেমা মাঠের নিরাপত্তায় ১৫টি ওয়াচ টাওয়ার স্থাপন করা হচ্ছে। নিরাপত্তায় থাকবে সিসি ক্যামেরা মনিটরিং ও আকাশে হেলিকপ্টার টহল। এছাড়া সড়ক-মহাসড়কে পুলিশ সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবে। 

থাকবে ভ্রাম্যমাণ আদালত, স্বাস্থ্য বিভাগের বেশ কতগুলো এ্যম্বুলেন্স, ফায়ার সার্ভিসের এ্যম্বুলেন্স, অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা। 

টঙ্গী শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার হাসপাতালে অতিরিক্ত ডাক্তার, অতিরিক্ত সুচিকিৎসার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলে সভায় জানানো হয়। 


মন্তব্য