kalerkantho


জন্মগত বাঁকা পায়ের বিনামূল্যে চিকিৎসা দিচ্ছে বিএসএমএমইউ

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৪ জানুয়ারি, ২০১৮ ১৯:০০



জন্মগত বাঁকা পায়ের বিনামূল্যে চিকিৎসা দিচ্ছে বিএসএমএমইউ

ক্লাবফুট বা মুগুর পা অর্থাৎ বাঁকা পা নিয়ে জন্মানো শিশুদের চিকিৎসার মাধ্যমে স্বাভাবিক করা সম্ভব। পরিসংখ্যাণ মতে, বাংলাদেশে প্রতি বছর প্রায় ৫ হাজার শিশু পা বাঁকা নিয়ে জন্মগ্রহণ করে। তবে এই পা বাঁকা নিয়ে জন্মানো শিশুদের চিকিৎসা যত দ্রুত শুরু করা যাবে, ততো তাড়াতাড়ি স্বাভাবিক জীবন ফিরে পাবে তারা। এ নিয়ে অভিভাবকদের চিন্তিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। বিশ্ব নন্দিত আধুনিক ‘পনসেটি’ পদ্ধতি প্রয়োগ করে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) গত সাত বছরে ৫৯৯ জন শিশুর ৯১৪টি পা স্বাভাবিক করা হয়েছে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। বাঁকা পা নিয়ে জন্মানো এই শিশুরা এখন স্বাভাবিক জীবন যাপন করছে। 

 রবিবার বিএসএমএমইউ অর্থোপেডিক সার্জারি বিভাগের উদ্যোগে জন্মগতভাবে বাঁকানো পা নিয়ে ‘অ্যাডভান্সড ট্রেনিং অন রিলাপস ক্লাবফুট’ শীর্ষক এক কর্মশালায় এসব তথ্য জানানো হয়। অর্থোপেডিক সার্জারি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. নকুল কুমার দত্তের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কামরুল হাসান খান। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন দি গ্লেনকো ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান কলিন ম্যাকফারলেন। এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন পেডিয়াট্রিক অর্থোপেডিক সার্জন ডা. সিমন লী বারকার। বক্তব্য রাখেন প্রক্টর অধ্যাপক ডা. মোঃ হাবিবুর রহমান দুলাল, অধ্যাপক ডা. আবু জাফর চৌধুরী বিরু, সহযোগী অধ্যাপক ডা. কৃষ্ণপ্রিয় দাশ, ডা. ইন্দ্রজিৎ কুমার প্রমুখ।  

বিএসএমএমইউ উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কামরুল হাসান খান বলেন, বিএসএমএমইউর ‘ডি’ ব্লকের নীচ তলাস্থ অর্থোপেডিক সার্জারি বিভাগের ইমার্জেন্সিতে প্রতি রবিবার বিনামূল্যে এ ধরনের শিশুদের চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

অধ্যাপক ডা. নকুল কুমার দত্ত বলেন, ক্লাব ফুটের অন্যতম লক্ষণগুলো হলো, পায়ের গোড়ালি স্বাভাবিকের চেয়ে ছোট হওয়া, পায়ের সামনের অংশ বাঁকা থাকা বা এক পা অন্য পা এর দিকে আবর্তিত থাকা ইত্যাদি। এই সমস্যাগুলো উভয় পায়েও হতে পারে।

অধ্যাপক ডা. আবু জাফর চৌধুরী বিরু জানান, শিশু জন্মের ৭ দিন থেকে শুরু করে ১০ দিনের মধ্যে এর চিকিৎসা শুরু করা যায়। পর্যায়ক্রমিক প্লাসটার, অপারেশন ছাড়াও বিশেষ জুতো ( ব্রেস) পরিধানই এর মূল চিকিৎসা।


মন্তব্য