kalerkantho


সরকারি খরচে ২০১৭ সালে প্রায় ১৬ হাজার মামলা নিষ্পত্তি

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২০ জানুয়ারি, ২০১৮ ১৫:১৬



সরকারি খরচে ২০১৭ সালে প্রায় ১৬ হাজার মামলা নিষ্পত্তি

২০১৭ সালে দেশের ৬৪ টি জেলায় জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান (লিগ্যাল এইড) কমিটির মাধ্যমে সরকারি খরচে অসচ্ছল বিচারপ্রার্থীদের ১৫ হাজার ৮৯৮ মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে।

জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থার ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৭ সালে সরকারি খরচে অসচ্ছল বিচারপ্রার্থীদের ১৫ হাজার ৮৯৮টি মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে। ২০১৬ সালে নিষ্পত্তিকৃত মামলার সংখ্যা ছিল ১৪ হাজার ২২০টি। পূর্বের বছরের তুলনায় মামলা নিষ্পত্তির হার বেড়েছে। 

প্রতিবেদনে বলা হয়, কারাগারে আটককৃত ১২ হাজার ৮৯৬ জনকে ২০১৭ সালে দেশের ৬৪ জেলা জাতীয় আইনগত সহাতা প্রদান কমিটির মাধ্যমে আইনগত সহায়তা দেওয়া হয়েছে। ২০১৬ সালে এ সহায়তা পেয়েছেন ৯ হাজার ৬৯৪ জন। সরকারি আইনি সেবা প্রদান “ফ্রি জাতীয় হেল্পলাইন নং ১৬৪৩০” এর মাধ্যমে ২০১৭ সালে ১৫ হাজার ৩২০ জনকে আইনগত পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এপ্রিল ২০১৬ সালে এ সেবা চালু করা হয়। ২০১৬ এর এপ্রিল-ডিসেম্বর পর্যন্ত হেল্প লাইনে আইনগত সেবা গ্রহণ করেছিলেন ৭ হাজার ৭৬ জন।

এ আইনি সেবা সফল বাস্তবায়নে সরকার অসহায় ও দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে অবহিতকরণসহ জনসচেতনতামূলক কর্মসূচি অব্যাহত রয়েছে। এ আইনি সহায়তা কার্যক্রমকে গতিশীল ও সেবা-বান্ধব করার লক্ষ্যে জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থার আওতায় প্রত্যেক জেলায় জেলা লিগ্যাল এইড অফিস স্থাপনসহ বাংলাদেশ সুপ্রিমকোর্ট, চৌকি আদালত এবং শ্রম আদালতে লিগ্যাল এইডের কার্যক্রম চালু করা হয়।

জেলা লিগ্যাল এইড অফিসগুলোকে এখন শুধু আইনি সহায়তা প্রদানের কেন্দ্র হিসেবে সীমাবদ্ধ রাখা হয়নি। মামলা জট কমানোর লক্ষ্যে এ অফিসগুলোকে ‘এডিআর কর্ণার’ বা ‘বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির কেন্দ্রস্থল’ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। সরকারি আইনি সেবা প্রদান আরও বিস্তৃত ও সহজ করার লক্ষ্যে এপ্রিল-২০১৬ সালে টোল ফ্রি জাতীয় হেল্পলাইন নং ১৬৪৩০ চালু করা হয়েছে। এর মাধ্যমে দেশের যে কোনো প্রান্ত থেকে যে কেউ বিনামূল্যে আইনি পরামর্শ ও সহায়তা নিতে পারছেন।

১৯৯৬ সালে নির্বাচিত হওয়ার পর আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকার আর্থিকভাবে অস্বচ্ছল, সহায় সম্বলহীন বিচারপ্রার্থী জনগণকে সরকারি খরচে আইনি সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে “আইনগত সহায়তা প্রদান আইন-২০০০” প্রণয়ন করে। তারপরের সরকারগুলো আইনটি কার্যকরে উল্লেখযোগ্য কোনো পদক্ষেপ নেয়নি।


মন্তব্য