kalerkantho


ইইউ পার্লামেন্ট প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠকে স্পিকার

রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে ইইউভুক্ত দেশসমূহের জোরালো ভূমিকা চাই

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ০০:৪৮



রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে ইইউভুক্ত দেশসমূহের জোরালো ভূমিকা চাই

ছবি: কালের কণ্ঠ

জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী, এমপির সঙ্গে ইউরোপীয়ান পার্লামেন্টের দক্ষিণ এশিয়া সম্পর্কিত সংসদীয় প্রতিনিধিদল সাক্ষাৎ করেছেন। এ সময় স্পিকার রোহিঙ্গা সমস্যা নিয়ে বিশ্ব জনমত বৃদ্ধিতে ইইউভুক্ত দেশসমূহের জোরালো ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনস্থ স্পিকারের কার্যালয়ে সাক্ষাত্কালে তারা সংসদীয় গণতন্ত্র, সংসদীয় কার্যক্রম, রোহিঙ্গা ইস্যু, নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন, সামাজিক নিরাপত্তা ও বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্প প্রভৃতি বিষয়ে আলোচনা করেন।

সাক্ষাৎকালে শিরীন শারমিন বলেন, রোহিঙ্গা সংকটের সময়ে সীমান্ত খুলে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উন্মোচন করেছেন মানবতার নব দুয়ার। স্থাপন করেছেন মানবতার অনন্য দৃষ্টান্ত। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতিসংঘে সাধারণ পরিষদে রোহিঙ্গা ইস্যুতে ৫ দফা প্রস্তাব উত্থাপন করেছেন। ৫ দফা প্রস্তাবের ভিত্তিতেই  এ সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব বলে তিনি উল্লেখ করেন।

প্রতিনিধি দলের নেতা জেন লিমবার্ট রোহিঙ্গাদের স্থায়ী প্রত্যাবর্তনের ক্ষেত্রে ইউরোপীয়ান পার্লামেন্ট বাংলাদেশের পাশে থাকবে বলে স্পিকারকে আশ্বস্ত করেন। এ সময় তিনি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও নারী ক্ষমতায়নের প্রশংসা করেন। আগামীতে ইইউ ও বাংলাদেশের পারস্পরিক সম্পর্ক ভবিষতে আরো সুদৃঢ় হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ সংবিধানগুলোর অন্যতম : ঢাকার ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজ আয়োজিত এক সেশনে বক্তৃতাকালে জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ সংবিধানগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের সংবিধান অন্যতম ও অনন্য। উত্তরাধিকার সূত্রে নয়, বরং লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত এ সংবিধান।

গতকাল মঙ্গলবার সকালে অনুষ্ঠিত সেশনে তিনি আরো বলেন, জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জিত হওয়ার অব্যবহিত পরেই অতি স্বল্প সময়ে বঙ্গবন্ধু ৪ নভেম্বর ১৯৭২ এ জাতিকে উপহার দেন এ অনন্য সংবিধান। সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রের তিনটি অঙ্গ নির্বাহী বিভাগ, আইন সভা ও বিচার বিভাগের কার্যাবলীর মধ্যে সমন্বয়ের প্রতি গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

স্পিকার বলেন, রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে সংবিধান জনগণের মৌলিক অধিকারগুলো সংরক্ষণ করে ও নিশ্চয়তা প্রদান করে। বাংলাদেশের সংবিধানে গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র, ধর্ম নিরপেক্ষতা এবং জাতীয়তাবাদ- এই চারটি মূলনীতিকে সমুন্নত রাখা হয়েছে- যার ভিত্তিতে রাষ্ট্র পরিচালিত হচ্ছে। বাংলাদেশ এগিয়ে চলছে বঙ্গবন্ধুর কাঙ্খিত সোনার বাংলার ঠিকানায়।


মন্তব্য