kalerkantho


কর্মশালায় বক্তারা

পাটবীজের ৯০ শতাংশ আমদানি করতে হয়

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৭ মে, ২০১৮ ০৪:২৪



পাটবীজের ৯০ শতাংশ আমদানি করতে হয়

বাংলাদেশ পাট উত্পাদনে সেরা হলেও এখনো পাটবীজের ৯০ শতাংশই বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। তবে উন্নতমানের পাটের জাত উদ্ভাবনে গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছে পাট গবেষণা ইনষ্টিটিউট। 

গতকাল বুধবার রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউয়ের পাট গবেষণা ইনষ্টিটিউটে ‘বার্ষিক পাট গবেষণা পর্যালোচনা কর্মশালা-২০১৮’ অনুষ্ঠানে বক্তারা এ তথ্য জানান।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে পাট, বিশেষ করে কেনাফ ও মেস্তা জার্মপ্লাজম সংগ্রহ এবং তা মূল্যায়ন করে উত্তরোত্তর পাট এবং এ জাতীয় আঁঁশ ফসল উন্নয়ন প্রচেষ্টা চলছে বলেও জানানো হয়। 

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী বলেন, দেশে বিদেশে পাট এখন পরিবেশ বান্ধব একটি অর্থকরি ফসল। পাট থেকে এখন বহুমুখিপন্য তৈরী জনপ্রিয় হয়ে উঠছে, একইভাবে উন্নতমানের পাটের বীজ উত্পাদনেও বিজ্ঞানীদের গবেষণায় আরো জোর দিতে হবে।

অনুষ্ঠানে পাট গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. মঞ্জুরুল আলম বলেন, এ পর্যন্ত পাট ও এ জাতীয় ফসলের ৪৫টি উচ্চ ফলনশীল জাত উদ্ভাবন করা হয়েছে। যার মধ্যে দেশি পাট ২৪টি, তোষা পাট ১৫টি, কেনাফ ৪টি ও মেস্তা ২টি।


মন্তব্য