kalerkantho


সড়কে দুর্ঘটনার নামে হত্যাকাণ্ড বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি   

২৪ মে, ২০১৮ ২০:৫৭



সড়কে দুর্ঘটনার নামে হত্যাকাণ্ড বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন

দেশের সড়কে ও মহাসড়কে দুর্ঘটনার নামে রক্তপাত, হত্যাকাণ্ড বন্ধের প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে ঢাকার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এক দল শিক্ষার্থী। এ সময় তারা এই হত্যাকাণ্ড বন্ধে ১১ দফা দাবি পেশ করে।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে শাহবাগ জাতীয় জাদুঘরের সামনে ‘দীপ্ত স্লোগান’ নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের ব্যানারে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে প্রধান অতিথি হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক বক্তৃতা রাখেন।

এ ছাড়াও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের শিক্ষক জুয়েল মিয়া, সংগঠনের আহ্বায়ক সাখাওয়াত আল আমিনসহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ মানববন্ধনে বক্তৃতা রাখেন।

অধ্যাপক আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক বলেন, প্রতিনিয়ত সড়কে অসংখ্য মানুষের মৃত্যু মেনে নেওয়া যায় না। একটু খানি অসাবধানতায় ঝড়ে যাচ্ছে শত শত তাজা প্রাণ, নিঃস্ব হচ্ছে শত শত পরিবার। সড়ক দুর্ঘটনার নামে এসব হত্যাকাণ্ড এখনই বন্ধ করতে হবে।

তিনি বলেন, সড়কে রক্তপাত এবং প্রাণহানি বন্ধে সামাজিক সচেতনতা বাড়াতে হবে। একই সঙ্গে সরকার এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে এই হত্যকাণ্ড প্রতিরোধে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে। পাশাপাশি পথচারী ও যাত্রীদেরকে ট্রাফিক আইন মেনে চলতে হবে।

পরে ১১ দফা দাবি পাঠ করেন দীপ্ত স্লোগনের আহ্বায়ক সাখাওয়াত আল আমিন। দাবিগুলো হলো, ঈদের আগেই মহাসড়কগুলো চলাচল উপযোগী করে তোলা, ঈদ সার্ভিস চালুর আগেই পরিবহন কোম্পানিগুলোর চালক ও সহকারীদের সড়ক নিরাপত্তা এবং ট্রাফিক আইন বিষয়ে যথাযথ প্রশিক্ষণ দেওয়া, ফিটনেস বিহীন যানবাহনগুলোকে মহাসড়কে চলতে না দেওয়া।

তাদের দাবির মধ্যে আরো রয়েছে, রাজধানীসহ অন্যান্য মহানগরগুলোর সিগনালগুলোতে পর্যাপ্ত সংখ্যক ট্রাফিক পুলিশ মোতায়েন, উল্টোপথে চলাচলকারীদের শাস্তির আওতায় আনা, গণপরিবহনে নারীদের যৌন হয়রানি বন্ধ করা এবং নিপীড়নকারীদের কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা, ফুট ওভারব্রিজ এবং আন্ডারপাসগুলো প্রয়োজনীয় মেরামত ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে চলাচল উপযোগী করে তোলা, জনসাধারণকে তা ব্যবহারে উৎসাহী ও বাধ্য করা, রাতে চলাচল নির্বিঘ্ন করতে সড়ক বাতি মেরামত ও স্থাপণ এবং পথচারীদের চলাচলের সুবিধার্ধে ফুটপাতগুলো দখল মুক্ত করা।

পাশাপাশি সড়কে নিহত এবং আহত ও তাদের পরিবারকে সরকারের পক্ষ থেকে পর্যাপ্ত আর্থিক সহায়তা নিশ্চিত করারও দাবি জানান তারা।


মন্তব্য