kalerkantho


বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের পুরস্কার বিতরণী

আলোকিত তারুণ্যের মেলা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৩ জানুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০



আলোকিত তারুণ্যের মেলা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে

রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে গতকাল বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র আয়োজিত বইপড়া কর্মসূচিতে উল্লসিত স্কুলের শিক্ষার্থীরা। ছবি : কালের কণ্ঠ

ওদের চোখে-মুখে ছিল অন্য এক দ্যুতি। শিশু-কিশোর শিক্ষার্থীদের জোড়া জোড়া চোখে অপেক্ষা ছিল কখন তারা প্রিয় লেখকদের কাছ থেকে পুরস্কার নেবে। কখন প্রিয় লেখক তাদের উদ্দেশে কথা বলবেন। গতকাল শুক্রবার রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ছিল আলোকিত তারুণ্যের মেলা। আর তাতে মধ্যমণি ছিলেন লেখকরা।

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের শিখা চিরন্তন সংলগ্ন মাঠে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের দুই দিনব্যাপী বর্ণাঢ্য পুরস্কার বিতরণী উৎসবে ছয় সহস্রাধিক শিক্ষার্থীকে পুরস্কার দেওয়া হয় গতকাল। সকাল ৯টায় রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের শিখা চিরন্তন সংলগ্ন মাঠে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ, পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষার্থী ও আমন্ত্রিত অতিথিরা উৎসবমুখর পরিবেশে নানা রঙের বেলুন উড়িয়ে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র পরিচালিত দেশভিত্তিক উৎকর্ষ কার্যক্রমের আওতায় ঢাকা মহানগরীর স্কুলপর্যায়ের ২০১৭ শিক্ষাবর্ষের ছাত্র-ছাত্রীদের দুই দিনের বর্ণাঢ্য পুরস্কার বিতরণী উৎসব উদ্বোধন করেন।

গ্রামীণফোনের সহযোগিতায় দুই দিনের পুরস্কার বিতরণী উৎসবে তিনটি পর্বে ৯০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মোট ছয় হাজার ১৯৪ শিক্ষার্থীর হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে। গতকাল সকালে পুরস্কার বিতরণী উৎসবের প্রথম পর্বে ৩০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দুই হাজার ১০২ জন ছাত্র-ছাত্রী পুরস্কার গ্রহণ করে। দ্বিতীয় পর্বে পুরস্কার গ্রহণ করেছে ২৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দুই হাজার ৭৫ জন ছাত্র-ছাত্রী। আজ শনিবার বিকোলে ঢাকা মহানগরীর ৩১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দুই হাজার ১৭ জন ছাত্র-ছাত্রী অতিথিদের কাছ থেকে পুরস্কার গ্রহণ করবে।

অধ্যাপক ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল বলেন, তোমরা প্রযুক্তি ব্যবহার করবে; কিন্তু প্রযুক্তি যেন তোমাদের ব্যবহার করতে না পারে। তিনি বলেন, তোমাদের বন্ধুদের মধ্যে যারা বই পড়ে না, তাদের একটি মজার বই পড়ার জন্য উপহার দাও।’ কথাসাহিত্যিক আনিসুল হক বলেন, তোমরা বেশি বেশি করে বই পড়বে। আর তোমরা যদি বই পড়ার মাধ্যমে জেগে ওঠো, তাহলে বাংলাদেশ জেগে উঠবে।

আমন্ত্রিত অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর সাবেক মুখ্য সচিব ও বিশিষ্ট কবি ড. কামাল আবু নাসের চৌধুরী, কথাসাহিত্যিক ইমদাদুল হক মিলন, আনিসুল হক, বিশিষ্ট নাট্য অভিনেতা খায়রুল আলম সবুজ, গ্রামীণফোন লিমিটেডের স্টেকহোল্ডার রিলেশনস, করপোরেট অ্যাফেয়ার্সের পরিচালক এস এম রায়হান রশীদ প্রমুখ।


মন্তব্য