kalerkantho


শেকৃবিতে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ প্রভোস্টসহ আহত ২৫

শেকৃবি প্রতিনিধি   

১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০



রাজধানীতে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শেকৃবি) আধিপত্য বিস্তার করাকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের দফায় দফায় সংঘর্ষ হযেছে। এতে প্রভোস্টসহ অন্তত ২৫ জন আহত হয়েছেন। তাঁদের সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। গত রবিবার রাতে কাজী নজরুল ইসলাম হলের ক্যান্টিনে ছাত্রলীগের মিঠু-মিজান গ্রুপের মধ্যে এ সংঘর্ষ হয়। এ সময় উভয় পক্ষের ২০টি কক্ষে ব্যাপক ভাঙচুর চালানো হয়। ঘটনার পর থেকে গতকাল সন্ধ্যা পর্যন্ত হলের ক্যান্টিনটি বন্ধ ছিল।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, গত রবিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে কবি কাজী নজরুল ইসলাম হলের ক্যান্টিনে শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মিজান ও সাধারণ সম্পাদক ও মিঠু গ্রুপ পরস্পর আধিপত্য বিস্তার করার চেষ্টা করে। একপর্যায়ে দুই গ্রুপের কর্মীরা হাতাহাতি ও পরে রামদা, রড, হকিস্টিক নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। রাত ১১টায় পরিস্থিতি শান্ত করতে গেলে ইটের আঘাতে প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. হাসানুজ্জামান আকন্দ গুরুতর আহত হন। পরে তাঁকে রক্তাক্ত অবস্থায় শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। 

সরেজমিন দেখা যায়, রাত ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডি কয়েকবার চেষ্টা করেও সংঘর্ষ ও কক্ষ ভাঙচুর থামাতে পারেনি। পরিস্থিতির আরো  অবনতি হলে রাত ১২টায় শেরেবাংলানগর থানা থেকে পুলিশ এসে  ক্যাম্পাসে অবস্থান নেয়। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডি, প্রোভিসি ও পুলিশের উপস্থিতিতে দুই গ্রুপের মধ্যে মৌখিকভাবে মীমাংসা করা হয়।

সংঘর্ষের সময় শেরেবাংলা হলের বেশ কিছু কক্ষের জানালা, কয়েকটি কক্ষের দরজা, সিলিং ফ্যান ও চারটি ল্যাপটপ ভাঙচুর করা হয়। একইভাবে ৯টি কক্ষের জানালা, ক্যান্টিন ও টেলিভিশন কক্ষের দরজা ও মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. ফরহাদ হোসেন বলেন, ‘আমরা প্রশাসন থেকে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করার আবেদন জানিয়েছি। তদন্ত শেষে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনা হবে।’ 

বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা জানায়, ক্যাম্পাসের অস্থিতিশীল

পরিস্থিতির জন্য সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের মতপার্থক্য দায়ী। গত বছরের নভেম্বরে এ কমিটি ঘোষণার পর থেকে ক্যাম্পাসে একের পর এক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।


মন্তব্য