kalerkantho


জাপার নির্বাচনী কার্যক্রম শুরু

ঢাকা-১৭ আসনে লড়ার ঘোষণা এরশাদের

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০



আগামী একাদশ সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৭ (ক্যান্টনমেন্ট, গুলশান, বনানী, ভাসানটেক) আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ঘোষণা দিয়েছেন বর্তমান সংসদের বিরোধী দল জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। গতকাল সোমবার দুপুরে রাজধানীর ভাসানটেক মোড়ে এক পথসভায় তিনি এই ঘোষণা দেন। এর মাধ্যমে জাপার নির্বাচনী কার্যক্রম শুরু করেন সাবেক এই রাষ্ট্রপতি।

এই আসনে ২০০৮ সালের নির্বাচনে মহাজোটের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন এরশাদ।

পথসভায় জাপা চেয়ারম্যান বলেন, ‘আমি এখানে এমপি ছিলাম। আগামীতে আবার নির্বাচন করতে চাই। আপনারা কি আমাকে ভোট দেবেন?’

এরশাদের এই প্রশ্নে সেখানে উপস্থিত লোকজন হাত উঁচিয়ে তার প্রতি সমর্থন জানায়।

এরশাদ বলেন, ‘দেশে এখন আর একটি দল আছে, আওয়ামী লীগ। চিরকাল কেউ ক্ষমতায় থাকে না, আমিও ছিলাম না। আপনারা আমাকে সমর্থন দিলে দেখিয়ে দিতে চাই কিভাবে মানুষের পাশে থাকা যায়।’

এরশাদ দাবি করে বলেন, ‘আমার সময়ে খুন-গুম ছিল না। মানুষ শান্তিতে ছিল।’ আবার শান্তি ফিরিয়ে আনার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি বড়লোকের রাজনীতি করি না, গরিবের রাজনীতি করি। আপনাদের ভাগ্য পরিবর্তন করতে চাই।’

মানুষ পরিবর্তন চায় উল্লেখ করে এরশাদ বলেন, সেই পরিবর্তন একমাত্র দিতে পারে জাতীয় পার্টি। এ জন্য জাতীয় পার্টির পতাকাতলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

গতকাল ভাসানটেক ছাড়াও ধামালকোট ও কচুক্ষেত বাজারের তামান্না কমপ্লেক্সের সামনে পথসভায় বক্তব্য দেন এরশাদ।

এর আগে রবিবার রাতে আগুনে পুড়ে যাওয়া ভাসানটেক বস্তি পরিদর্শন করেন জাপা চেয়ারম্যান। তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য ব্যক্তিগত উদ্যোগে যথাসম্ভব সাহায্যের প্রতিশ্রুতি দেন। সেই সঙ্গে সরকারকে তাদের পুনর্বাসনের দায়িত্ব নেওয়ার অনুরোধ জানান তিনি।

অগ্নিকাণ্ডের পর পরিদর্শন না করায় স্থানীয় এমপি, বিএনএফের সভাপতি আবুল কালাম আজাদের সমালোচনা করেন এরশাদ।

পথসভায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পার্টির মহাসচিব এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার, প্রেসিডিয়াম সদস্য স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী মসিউর রহমান রাঙ্গা, সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা, এস এম ফয়সল চিশতী, উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য অ্যাডভোকেট রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া, যুগ্ম মহাসচিব মোস্তাকুর রহমান মোস্তাক, যুগ্ম দপ্তর সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক প্রমুখ।


মন্তব্য