kalerkantho


নেভাল একাডেমিতে বঙ্গবন্ধু কমপ্লেক্সের উদ্বোধন আজ

বিএন ডকইয়ার্ড পাচ্ছে ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড

বিশেষ প্রতিনিধি   

২১ মার্চ, ২০১৮ ০০:০০



নেভাল একাডেমিতে বঙ্গবন্ধু কমপ্লেক্সের উদ্বোধন আজ

উদ্বোধনের অপেক্ষায় চট্টগ্রামে বাংলাদেশ নেভাল একাডেমিতে বঙ্গবন্ধু কমপ্লেক্স

চট্টগ্রামে বাংলাদেশ নেভাল একাডেমিতে বঙ্গবন্ধু কমপ্লেক্স উদ্বোধন হতে যাচ্ছে আজ বুধবার। এ ছাড়া বিএন ডকইয়ার্ডকে ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড দেওয়া হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন।

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এ তথ্য জানিয়েছে।

বঙ্গবন্ধু কমপ্লেক্স সম্পর্কে নৌবাহিনীর সংক্ষিপ্ত বিবরণসংবলিত পুস্তিকায় বলা হয়েছে, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতীয় উন্নয়ন ও সমুদ্রসম্পদ রক্ষায় একটি শক্তিশালী ও আধুনিক নৌবাহিনীর গুরুত্ব অনুধাবন করেছিলেন। আর তাই স্বাধীনতা পরবর্তীকালে ১৯৭৪ সালে তিনি যুদ্ধজাহাজ সংগ্রহ এবং বানৌজা ঈসা খানসহ তিনটি নৌবাহিনী ঘাঁটি কমিশনিং করার মাধ্যমে নৌবাহিনীর অগ্রযাত্রা সূচনা করেন। প্রথমে স্বতন্ত্র নেভাল একাডেমি বানৌজা ঈসা খানের অভ্যন্তরে ছিল। পরবর্তী সময়ে বঙ্গোপসাগরের কোলঘেঁষে কর্ণফুলী নদীর মোহনায় বর্তমান নেভাল একাডেমির কাজ শুরু হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১০ সালের ২৯ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু কমপ্লেক্সের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। আধুনিক এই কমপ্লেক্সটি ১৬টি পৃথক ভবন ও অবকাঠামোর সমন্বয়ে নির্মিত। এতে রয়েছে একাডেমিক ভবন, ট্রেনিং উইং, ওয়ার্ডরুম, প্যারেড গ্রাউন্ড, সুইমিং পুল, বোট পুল, বাসস্থানসহ অন্যান্য সুবিধা। এ ছাড়া বিজ্ঞান ও কারিগরি প্রযুক্তিবিষয়ক প্রশিক্ষণের জন্য রয়েছে সাতটি বিভিন্ন ধরনের বিজ্ঞানাগার।

মূল একাডেমিক ভবনটি জাহাজের সম্মুখভাগের আদলে নির্মিত হওয়ায় বঙ্গোপসাগর থেকে এটি ভাসমান জাহাজের মতো দৃশ্যমান হবে। এর সঙ্গে জাতির পিতার স্মৃতিকে চির অম্লান করে ধরে রাখতে কমপ্লেক্স প্রাঙ্গণে তৈরি করা হয়েছে বঙ্গবন্ধুর আবক্ষ ভাস্কর্য। সম্পূর্ণ ব্রোঞ্জের তৈরি এই ভাস্কর্যটির উচ্চতা ৪১ ফুট এবং ওজন প্রায় ১৮ টন, যা এযাবৎকালে বাংলাদেশে নির্মিত জাতির পিতার সর্ববৃহৎ আবক্ষ প্রতিকৃতি।

বিএন ডকইয়ার্ড সম্পর্কে জানা যায়, স্বাধীনতা-পরবর্তী ১৯৭২ সালে একটি মাত্র শেডে অল্পসংখ্যক সদস্য নিয়ে যাত্রা শুরু করে বিএন ডকইয়ার্ড। বর্তমানে ২৪টি ওয়ার্কশপ এবং প্রায় দুই হাজার সামরিক ও বেসামরিক জনবল দিয়ে পরিচালিত হচ্ছে ইয়ার্ডটি। ডকইয়ার্ডের নিজস্ব ফ্লোটিং ডক ‘বিএনএফডি সুন্দরবন’ যাত্রা শুরুর পর থেকে দেশি-বিদেশি ৭০৭টি যুদ্ধজাহাজের সফল ডকিং ও রক্ষণাবেক্ষণ সম্পন্ন করেছে। এ ছাড়া বিএন স্লিপওয়ে প্রায় ৩৬২টি জাহাজের রক্ষণাবেক্ষণ সম্পন্ন করেছে। পাশাপাশি এই ডকইয়ার্ডে নৌবহরের সব জাহাজ ও সাবমেরিনের জন্য বিদ্যুৎ, সুপেয় পানি, টেলিফোন ইত্যাদি সেবা দেওয়ার সুব্যবস্থা রয়েছে।

 


মন্তব্য