kalerkantho


জাতিসংঘের সেনা উপদেষ্টার সঙ্গে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবের বৈঠক

নিউ ইয়র্ক প্রতিনিধি    

১৪ নভেম্বর, ২০১৭ ০৯:৫৬



জাতিসংঘের সেনা উপদেষ্টার সঙ্গে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবের বৈঠক

জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমের সেনা উপদেষ্টা (মিলিটারি অ্যাডভাইজর) লে. জেনারেল কার্লোস হামবার্টো লইটির সাথে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. মো. মোজাম্মেল হক খান বৈঠক করেছেন। গতকাল সোমবার সকালে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠককালে মিলিটারি অ্যাডভাইজর লইটি সম্প্রতি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে শান্তিরক্ষী প্রেরণকারী দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ দ্বিতীয় অবস্থানে উন্নীত হওয়ায় অভিনন্দন জানান। তিনি আলাপকালে শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের অব্যাহত ও সাফল্যমণ্ডিত ভূমিকার কথা উল্লেখ করেন এবং বিভিন্ন মিশনে কর্মরত বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের পেশাগত দক্ষতা ও নিবেদিত দায়িত্বপালনের ভূয়সী প্রশংসা করেন।  

লইটি আশা করেন, আগামী দিনগুলোতেও বাংলাদেশের এই ভূমিকা অব্যাহত থাকবে ও উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাবে। শান্তিরক্ষীদের নিরাপত্তা রক্ষার বিষয়টি জাতিসংঘের প্রাধিকারভুক্ত মর্মেও তিনি উল্লেখ করেন।

সিনিয়র সচিব ড. মো. মোজাম্মেল হক খান বিশ্ব শান্তি রক্ষায় বাংলাদেশের প্রতিশ্রুতির কথা ব্যক্ত করে বলেন, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশ সব সময়ই তার অগ্রণী ভূমিকা অব্যাহত রাখবে এবং নিবেদিতভাবে কাজ করে যাবে।  

তিনি বিভিন্ন শান্তিরক্ষা মিশনে দায়িত্বরত বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের নিরাপত্তার বিষয়টি নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখতে মিলিটারি অ্যাডভাইজরকে অনুরোধ জানান। সিনিয়র সচিব জানান, পরিবর্তনশীল শান্তিরক্ষা কার্যক্রমের সাথে সামঞ্জস্য রেখে বাংলাদেশ তার শান্তিরক্ষীদের সার্বিক দক্ষতা ও দ্রুত মোতায়েনের সামর্থ্য বৃদ্ধির বিষয়টিতে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে এবং নারী শান্তিরক্ষীদের সংখ্যা বৃদ্ধির জোর প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। হৃদ্যতাপূর্ণ এ বৈঠকে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের অংশগ্রহণসহ বিভিন্ন ইস্যুতে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়।  

বৈঠককালে সিনিয়র সচিব মিলিটারি অ্যাডভাইজারকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান এবং এ-সংক্রান্ত একটি আমন্ত্রণপত্র হস্তান্তর করেন।

 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব জালাল আহমেদ, জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনের উপ-স্থায়ী প্রতিনিধি তারেক মো. আরিফুল ইসলাম ও বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর এয়ার কমোডর মোহাম্মদ বেলাল।  


মন্তব্য