kalerkantho


এফবিআইকে মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ার কথা স্বীকার করলেন মাইকেল ফ্লিন

নিউ ইয়র্ক প্রতিনিধি   

২ ডিসেম্বর, ২০১৭ ১০:০০



এফবিআইকে মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ার কথা স্বীকার করলেন মাইকেল ফ্লিন

এফবিআইকে মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ার কথা স্বীকার করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাবেক নিরাপত্তা উপদেষ্টা মাইকেল ফ্লিন। ২০১৬ সালের নির্বাচনে রাশিয়ার হস্তক্ষেপের বিষয় তদন্তের অংশ হিসেবে তার বিরুদ্ধে এ অভিযোগ আনা হয়েছিল।

২০১৬ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রাশিয়ার হস্তক্ষেপের বিষয়টি তদন্তের দায়িত্বে থাকা বরার্ট মুলার ফ্লিনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন। তার বিরুদ্ধে 'জানার পরও ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা, বানোয়াট ও প্রতারণামূলক বিবৃতি দেওয়া'র অভিযোগ আনা হয়।

এ সময় বিচারক ফ্লিনকে বলেন, আপনার এ অপরাধের কোনো শাস্তি হবে না আবার সম্ভবত আপিলও হবে না। ' এরপর মাইকেল ফ্লিন মুচলেকা দিয়ে বের হয়ে আসেন।

ফ্লিনের বিরুদ্ধে অভিযোগে বলা হয়, রাশিয়ার ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা আরোপের ঘটনায় শান্ত থাকতে বলার জন্য দেশটির রাষ্ট্রদূতকে ডেকে নেন মাইকেল ফ্লিন। কিন্তু এ বিষয়ে এফবিআই এজেন্টকে তিনি মিথ্যা কথা বলেন। পরবর্তীতে রাশিয়ান রাষ্ট্রদূত সার্জিও কিসলয়েক তাকে জানিয়েছিলেন রাশিয়া তার অনুরোধ বিবেচনা করছে। কিন্তু সাক্ষ্য দেওয়ার সময় এমন কিছু তিনি মনে করতে পারছেন না বলে জানান। এ ছাড়া ২২ ডিসেম্বরের দিকে তিনি রাশিয়ান রাষ্ট্রদূতকে ডেকে নিয়ে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে একটি প্রস্তাব পাস করতে না দেওয়ার আহ্বান জানান।

কিন্তু তিনি তা স্বীকার করেননি।

যু্ক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাবেক নিরাপত্তা উপদেষ্টা মাইকেল ফ্লিন মার্কিন গণমাধ্যমগেুলোকে বলেছে যে, রাশিয়ানদের সাথে যোগাযোগ করতে ফ্লিনকে যারা নির্দেশ দিয়েছিল তাদের মধ্যে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের মেয়ের জামাতা জেরাড কুশনারও আছেন এমন সাক্ষ্য দিতেও প্রস্তুত আছেন মাইকেল ফ্লিন।

সিনেট ইন্টেলিজেন্স কমিটির শীর্ষ ডেমোক্রেট মার্ক ওয়ার্নার সাংবাদিকদের বলেছেন যে, সত্য উদঘাটনে প্রয়োজনে মিস্টার কুশনারকে আবারো জেরা করা হবে।

উল্লেখ্য, ট্রাম্প দায়িত্ব গ্রহণের আগে রাশিয়ার তৎকালীন রাষ্ট্রদূত সের্গেই কিসলিয়াকের সাথে বৈঠকের বিষয়ে ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্সকে মিথ্যা তথ্য দেওয়ার অভিযোগে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে এফবিআই। এর জের ধরেই ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার পদ ছাড়তে বাধ্য হন সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত এই লেফটেন্যান্ট জেনারেল।


মন্তব্য