kalerkantho


হারার ভয়ে আ. লীগ নিরপেক্ষ নির্বাচনে যেতে চান না : বিএনপি

সাবেদ সাথী, নিউ ইয়র্ক প্রতিনিধি   

২ জানুয়ারি, ২০১৮ ২৩:৪৬



হারার ভয়ে আ. লীগ নিরপেক্ষ নির্বাচনে যেতে চান না : বিএনপি

ছবি: কালের কণ্ঠ

কেন্দ্রীয় বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও সাবেক সাংসদ হারুন অর রশীদ বলেছেন, আগামী নির্বাচনে পরাজয়ের ভয়ে আওয়ামী লীগ নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন দিচ্ছেন না। কারণ নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে বিএনপি বিপুল ভোটের ব্যবধানে আওয়ামী লীগ পরাজিত হবে। মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে গত সোমবার ভার্জিনিয়ার ফলচার্চের একটি রেস্তোরাঁয় ওয়াশিংটন ডিসি বিএনপি আয়োজিত আলোচনায় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

সংগঠনের সহ-সভাপতি প্রকৌশলী শাহাদাত হোসেন সোহরাওয়ার্দীর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক এ জে এম হোসাইনের পরিচালনায় উক্ত অনুষ্ঠানে হারুন অর রশীদ আরো বলেন, সরকার প্রবাসীদের পাঠানো অর্থের সুষ্ঠুভাবে সদ্ব্যবহার না করে লুটপাটের মাধমে আত্মসাৎ করছে। তাই তিনি প্রবাসীদের সজাগ থাকায় আহবান জানান।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিএনপি নেত্রী ও সাবেক সাংসদ অ্যাডভোকেট সৈয়দা আফিফা আশরাফি পাপিয়া বলেন, রাজনীতি ও নির্বাচন থেকে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানকে দুরে রাখতেই সরকার তাদের ওপর একের পর এক মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছে। অথচ গত ১০ বছরে যেমন একটি মামলাও প্রমাণে ব্যর্থ হয়েছে, তেমনি আগামী ১০০ বছরেও এ সব ভুয়া মামলা প্রমাণে ব্যর্থ হবে। তিনি প্রশ্ন রাখেন, সরকার অবৈধ সংসদ দিয়ে আইন পাশ করে উঁচু গলায় বলছে নির্বাচিত সরকারের অধীনে নির্বাচন হবে কিন্তু সরকার নিজেতো নির্বাচিত নয়।

তিনি বলেন, এদিকে আওয়ামী লীগ তথা শেখ হাসিনা বলে বিএনপির কোনো জনসমর্থন নাই। আরেক দিকে তার ভয় শুধু বিএনপি তাহলে কেন? বিএনপির যদি কোনো জনসর্মথন না থাকে তাহলে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন দিয়ে জনসমর্থন নিয়ে ক্ষমতা আসার আহবান জানান।

অনুষ্ঠানের অপর বিশেষ অতিথি ঢাকা জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য ডা. দেওয়ান মো. সালাউদ্দীন বলেন, প্রবাসীরা রেমিটেন্স প্রদান করে দেশের উন্নয়নের চাকা সচল রাখছে আর হাসিনা তার ক্রেডিট নিতে চাচ্ছে। বাংলাদেশের উন্নয়ন হওয়ার কথা খরগোস গতিতে হচ্ছে কচ্ছপ গতিতে। দেশের গনতন্ত্র যেমন এ সরকারের হাতে নিহত হয়েছে তেমনি দেশের সকল সম্পদও লুণ্ঠন হয়েছে। সাধারণ সম্পাদক এ জে এম হোসাইন বলেন, দেশে এখন একটি লুটেরা সরকার বিরাজিত। বর্তমান আওয়ামী দুঃসাশনের বিভিন্ন সচিত্র প্রতিবেদন, এবং ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন এর মাধ্যমের নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন অনুষ্ঠানের আহবান জানান।

আলোচনায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন সংগঠনের উপদেষ্টা ড. কামরুল ইসলাম, সহ সভাপতি সামছুদ্দীন মাহমুদ, সহ সভাপতি মাসুদুর রহমান, মিয়া মজনু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তারিকুল ইসলাম অশ্রু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ আলম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাকির আহমেদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ হোসাইন জুনিয়র, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ শাহরিয়ার রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফারুক আহমেদ, ট্রেজারার মুনির হোসাইনসহ সাংগঠনিক মোকলেসুর রহমান লিটন, সহ-সাংগঠনিক আবদুস সবুর জুয়েল, সাংস্কৃতিক সম্পাদক মেহেদী হাসান, যুব সম্পাদক মো. আল আমীন, প্রচার সম্পাদক মো. রাসেল আহমেদ, ছাত্রবিষয়ক সম্পাদকসোহেল আহমেদ, কাইয়ুম চৌধুরী, মামুন খান, মো. জামান, সাভার উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান দেওয়ান বিপ্লব, সহ সভাপতি সামছুদ্দীন মাহমুদ, সহ সভাপতি মাসুদর রহমান, মোহাম্মদ শাহরিয়ার রহমান, জামাল উদ্দিন, আবদুস সবুর জুয়েল ও বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা টিএম শহীদুল্লাহ প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন জাহিদ খান, সেলিম উদ্দিন, আরিফ হোসাইন, মেজর (অব.) আলম, আবদুস সালাম মৃধা, মাহফুজ মোল্লাহ, আসলাম মোল্লাহ, মোখলেসুর রহমান, রাজু আহমেদ, মোশারফ হোসাইন, মো. জামান, আরিফুর রহমান, মো. আবদুল কাদের, পলি হোসেন, স্যাম রিয়া, নাসরিন রহমান, লুৎফুন নাহার, সায়েদ সিদ্দিক, আরিফ ইসলাম, মো. নাছির উদ্দিন, রুবনা সিদ্দিক, মাহফুজ মাওলা, মোহাম্মদ আবুল কালাম, মো. আমীন, মো. আলামীন অভি, বাবুল হোসাইন, মো. ফরহাদ, জসিমউদ্দিন, হাবিবুর রহমান শাওন, শাথিল আহমেদ, শাকেরুল হক, সোহান মির্জা, কামাল পাশা, মো. মাহফুজ, মো. মানিক, নাসির আহমেদ, সোহেল আহমেদ রেজা, ফরহাদ হোসেন, শাহাদাত হোসাইন, রাজু হাসান ও শফিউল সর্দার প্রমুখ।


মন্তব্য