kalerkantho


রোহিঙ্গা সংকট মোকাবেলাই ছিল জাতিসংঘ বাংলাদেশ মিশনের চ্যালেঞ্জ

সাবেদ সাথী, নিউ ইয়র্ক প্রতিনিধি   

৫ জানুয়ারি, ২০১৮ ০১:৩৮



রোহিঙ্গা সংকট মোকাবেলাই ছিল জাতিসংঘ বাংলাদেশ মিশনের চ্যালেঞ্জ

ছবি: কালের কণ্ঠ

নিউ ইয়র্কস্থ জাতিসংঘ বাংলাদেশ মিশনের ২০১৭ সালের বড় ছিল চ্যালেঞ্জ রোহিঙ্গা সংকট মোকাবেলা। এ সংকট মোকাবেলার অজানা তথ্যসহ গত বছরের সাফল্যজনক বিভিন্ন কর্মকাণ্ড প্রবাসী মিডিয়াকর্মিদের কাছে তুলে ধরেন জাতিসংঘ বাংলাদেশ মিশন। গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মিশনের বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে সাংবাদিকদদের সঙ্গে ইংরেজি নববর্ষের শুভেচ্ছা ও মতবিনিময়কালে ২০১৭ সালে্র মোটা দাগের নানা কাজের ব্যাখ্যা দেন বাংলাদেশ মিশনের কর্মকর্তাগণ।

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ‘সকলের সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারো সঙ্গে বৈরিতা নয়’ মন্ত্রে উজ্জীবিত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশ অনুযায়ী নতুন বছরেও বাংলাদেশ মিশন দেশের ইমেজ সমুন্নত রাখতে বদ্ধপরিকর বলে উল্লেখ করেছেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন। তিনি বলেন, গেল বছরে জাতিসংঘে বাংলাদেশ নিজের অবস্থানকে আরো সংহত করেছে। আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে বাংলাদেশের গুরুত্ব সমাদৃত হচ্ছে। জাতিসংঘে বাংলাদেশ মিশনের এ কৃতিত্বে সমন্বয় করেছেন ঢাকাস্থ বাংলাদেশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সমস্যা রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে বিভিন্ন সময়ে সংবাদ প্রকাশের ফলে মূলধারার গণমাধ্যম নিউ ইয়র্ক টাইমসের ভূয়সী প্রশংসা করে রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন বলেন, নিউ ইয়র্ক টাইমসে প্রকাশিত এসব সংবাদ জাতিসংঘে রোহিঙ্গা বিষয়ে কাজ করতে অনেকটা ত্বরান্বিত ও সহযোগিতা করছে। বিদেশি গণমাধ্যমের যে সকল সাংবাদিক বাংলাদেশের রোহিঙ্গা বিষয়ে সংবাদ পরিবেশন করছে তাদের বাংলাদেশের পক্ষ থেকে তিনি ধন্যবাদ জানান। ভবিষ্যতে সুযোগ হলে তাদেরকে সরাসারি বাংলাদেশ মিশনে আমন্ত্রণ জানিয়ে ধন্যবাদ জানানো হবে। এ জন্য তিনি প্রবাসের বাংলাদেশি গণমাধ্যম কর্মিদের সহযোগিতা কামনা করেন।

বাংলাদেশ মিশনের ফার্স্ট সেক্রেটারি (প্রেস) নূর এলাহি মিনা’র সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত উক্ত মতবিনিময় সভায় নতুন বছরেও বাংলাদেশের ইমেজকে আরো উর্ধ্বে উঠাতে সকলের সহায়তা প্রত্যাশা করেন রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন।

বাংলাদেশ মিশনে গত বছর যোগ দেওয়া নতুন কর্মকর্তাসহ সকলের সঙ্গে সাংবাদিকদের পরিচয় করিয়ে দেন মাসুদ বিন মোমেন এবং সাংবাদিকদের সঙ্গে কর্মকর্তাদের পরিচয় করিয়ে দেন বাংলাদেশ মিশনের ফার্স্ট সেক্রেটারি (প্রেস) নূর এলাহি মিনা। অনুষ্ঠানে মিশনের উপ-স্থায়ী প্রতিনিধি তারেক মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম, নিউ ইয়র্কস্থ বাংলাদেশের কন্সাল জেনারেল শামীম আহসান এনডিসি উপস্থিত ছিলেন।

মিশনের উপ-স্থায়ী প্রতিনিধি তারেক মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম গত বছরের মিশনের মোটা দাগের সকল কার্যক্রম তুলে ধরে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন।

আরিফুল ইসলাম তাঁর বক্তব্যে বলেন, গত সেপ্টেম্বরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জাতিসংঘের ৭২তম সাধারণ পরিষদে অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে এবারের অংশগ্রহণ ছিল অত্যন্ত সফল ও তাৎপর্যপূর্ণ বিশেষ করে রোহিঙ্গা সমস্যার কারণে। ২৫ আগস্ট রাখাইন রাজ্যে সন্ত্রাসী ঘটনা ঘটার পরপরই আমরা জাতিসংঘে এ বিষয়ে কার্যক্রম শুরু করি, যদিও আমরা প্রথম দিক সমস্যার ব্যাপ্তি এ পর্যায়ে যেতে পারে তা অনুধাবন করতে পারিনি। প্রথমদিকে আমরা নিউ ইয়র্কস্থ ওআইসির রোহিঙ্গা মুসলিম মাইনোরিটি গ্রুপের মাধ্যমে কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু করি। সৌদি আরবের স্থায়ী প্রতিনিধির নেতৃত্বে আমরা আরো কয়েকটি দেশের স্থায়ী প্রতিনিধি একত্রে জাতিসংঘের মহাসচিব, নিরাপত্তা পরিষদের প্রেসিডেন্ট এবং সাধারণ পরিষদের প্রেসিডন্টের সঙ্গে দেখা করে তাঁদেরকে সমস্যার বিষয়ে অবহিত করি এবং এর সমাধানে তাঁদের উদ্যোগ গ্রহণের অনুরোধ জানাই।

উপ-স্থায়ী প্রতিনিধি উল্লেখ করেন, রোহিঙ্গার বিষয়টি জাতিসংঘের বিভিন্ন পর্যায়ে এবং বৃহত্তর পরিসরে আলোচনায় আসতে শুরু করে। জাতিসংঘের মহাসচিবের রোহিঙ্গা বিষয়ে শক্ত অবস্থান এবং তাঁর নিজস্ব উদ্যোগ এক্ষেত্রে একটি বিরাট নিয়ামক হিসাবে কাজ করে।

আরিফুল ইসলাম উল্লেখ করেন, এবার নিরাপত্তা পরিষদে রোহিঙ্গা ইস্যুতে আমাদের বড় অর্জন হচ্ছে ২০০৯ সাল হতে জাতিসংঘে মিয়ানমার বিষয়ে কোন মুক্ত আলোচনা হয়নি কিন্তু গত ২৮ সেপ্টেম্বর সেই আলোচনা হয়েছে। সব মিলিয়ে ২৫ আগষ্টের পর বিভিন্ন ফরম্যাটে নিরাপত্তা পরিষদে সাতটি সভা হয়েছে, বড় দু’টি পরাশক্তির বিরুদ্ধ মতের পরেও যা অভূতপূর্ব। নিরাপত্তা পরিষদ হতে এ পর্যন্ত রেজ্যুলেশন হয়নি ঠিক তবে প্রেসিডেন্সিয়াল ষ্টেটমেন্ট পর্যন্ত হয়েছে। এগুলো সবই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ন ক্রমাগ্রসরমান পদক্ষেপ। আমরা কাজ করতে গিয়ে দেখেছি কিভাবে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান আমাদের পক্ষে পরিবর্তিত হয়েছে।

এ সময়কালে প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও ঢাকা থেকে আসা স্পীকার, অর্থমন্ত্রী, পররাষ্ট্র বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ডাঃ দীপু মনি, এমপি, তাঁরা জাতিসংঘ মহাসচিব ও অন্যান্য উচ্চ পর্যায়ের নেতৃত্বে সাথে রোহিঙ্গা বিষয় নিয়ে পৃথক বৈঠক করেছেন। মহাসচিব বারংবারই বাংলাদেরশকে সময় দিয়েছেন, জাতিসংঘের বিভিন্ন উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি ও প্রতিনিধিদলকে আমরা কক্সবাজার সফর করিয়েছি। তাঁরা স্বচক্ষে রোহিঙ্গাদের অবস্থা দেখে তার উপর বিবৃতি দিয়েছেন, মহাসচিব ও নিরাপত্তা পরিষদকে অবহিত করেছেন। ফলশ্রুতিতে রোহিঙ্গাদের পক্ষে জনমত সুদৃঢ় হয়েছে। অনেক সদস্য রাষ্ট্রকে তাঁদের বহুপাক্ষিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে সমর্থন দিয়েছি। সাধারণ অধিবেশন ও নিরাপত্তা পরিষদে আমাদের এ নিরন্তর, কৌশলী ও দ্বিমুখী শুধু নিউ ইয়র্কেই সীমাবদ্ধ ছিল না। আমরা বাংলাদেশে অবস্থিত বিদেশি দূতাবাসসমূহ এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত আমাদের মিশনগুলোকে এ জন্য কাজে লাগিয়েছি। জেনেভাতে মিয়ানমারের উপর একটি সেশন ৫ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেখানেও একটি রেজ্যুলেশন বিপুল ভোটে গৃহীত হয়েছে। জেনেভাতে আমাদের স্থায়ী মিশন এ বিষয়ে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। এজন্যই রোহিঙ্গা সমস্যা জাতিসংঘে এবার এতটা আলোচিত হয়েছে।

আন্তর্জাতিক এ সংস্থায় বাংলাদেশের উন্নয়ন পরিক্রমার বিস্তৃতি ও স্বীকৃতি প্রসঙ্গে উপ-স্থায়ী প্রতিনিধি বলেন, জাতিসংঘের প্রাক্তন মহাসচিব বান কি মুন বাংলাদেশকে উন্নয়নের রোল মডেল আখ্যা দিয়েছেন। এরপর এসডিজি বাস্তবায়নে আমাদের অগ্রগতি উপস্থাপন করেছি। সবাই এর প্রশংসা করেছে। আমাদের নিজস্ব সম্পদ দিয়ে এসডিজি বাস্তবায়ন-প্রচেষ্টা বিশ্বমহলে বিশেষভাবে সমাদৃত হয়েছে।

‘সামাজিক ক্ষেত্রে বিশেষ করে অটিজম, যুব উন্নয়ন,ড্রাগ ব্যবহার প্রতিরোধ, নারীর ক্ষমতায়ন, ডিজেবিলিটি, সামাজিক নিরাপত্তা ইত্যাদি বিষয়ে আমাদের অর্জন জাতিসংঘে নানাভাবে স্বীকৃত হয়েছে। জাতিসংঘে শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে অংশগ্রহনের মাধ্যমে বিশ্ব শান্তি রক্ষা বিনির্মানে আমাদের অবদান সর্বজনবিদিত’ বলে উল্লেখ করেন উপ-স্থায়ী প্রতিনিধি।

বাংলাদেশে ১৯৭১ সালে সংঘটিত গণহত্যা আন্তর্জাতিকীকরণের লক্ষ্যে বছরব্যাপী নানাবিধ কাজ করেছে বাংলাদেশ মিশন। জাতিসংঘের যেসকল রাষ্ট্র গণহত্যার শিকার হয়েছে তারা কিভাবে বিষয়টি আন্তর্জাতিকীকরণ করেছে এ বিষয়ে তাদের অভিজ্ঞতার কথা জেনেছি, তাদের সুপারিশ নিয়েছি, তাদের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেছি এবং জাতিসংঘের গণহত্যা দিবস উদযাপনে অংশগ্রহণ করেছি। আমাদের প্রধানমন্ত্রীর বাণী তাঁদেরকে কাছে প্রেরণও করা হয়েছে।

এ ছাড়া, গণহত্যা প্রতিরোধে জাতিসংঘ দফতরের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ রক্ষা করেছি। প্রধানমন্ত্রী তাঁর সাধারণ পরিষদের ভাষণে এই প্রথম বারের মত আমাদের গণহত্যার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির দাবি করেছেন যা আন্তর্জাতিক মহলে বেশ প্রভাব ফেলেছে।

তিনি উল্লেখ করেন যে, জাতিসংঘে বাংলাদেশ এখন অনেক বেশী গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের পরিপ্রেক্ষিতে। বিশেষ এক মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত হয়েছে বাংলাদেশ। সীমিত সম্পদ নিয়ে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির পথে ধাবিত হচ্ছে কীভাবে, সেটি এখন অনেকের কাছেই বিস্ময়ের ব্যাপার।

জাতিসংঘে বাংলাদেশ মিশনের ২০১৭ সালের গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম ও অর্জনের বিষয়ে মিশনের উপ-স্থায়ী প্রতিনিধি তারেক মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা বছরব্যাপি চেষ্টা করেছি জাতিসংঘে আমাদের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম, অবদান বা অর্জনকে মিডিয়ার মাধ্যমে সর্বসাধারণের নিকট পৌঁছাতে। গতবছর আমাদের এ প্রচেষ্টা বিগত অনেকগুলো বছরের তুলনায় বেশী ছিল, এটি নিশ্বয়ই সকলে স্বীকার করবেন। আমাদের পক্ষ হতে আরও ভাল মিডিয়া আউটরীচ করা উচিত ছিল যা আমরা এবছর করার চেষ্টা করবো। আমরা এ বিষয়ে আপনাদের সহযোগিতা কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করছি এবং আরও বেশি সহযোগিতা পাবার আশা রাখছি।’

‘রোহিঙ্গা সমস্যা নিয়ে ধারাবাহিকভাবে আমাদের এ ইতিবাচক ভূমিকা জাতিসংঘসহ সর্বমহলে সমাদৃত হয়েছে। রোহিঙ্গাদের মানবিক সহায়তা প্রদানের ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর মানবিক ও দায়িত্বশীল পদক্ষেপ উন্নয়নশীল দেশ হওয়া সত্ত্বেও বাংলাদেশকে বিশ্বের দরবারে উদার দেশ হিসেবে পরিচিত করেছে।বিশ্ব সম্প্রদায় বার বার বাংলাদেশকে ধন্যবাদ জানিয়েছে। যা আমাদেরকে আরেকটি নতুন পরিচয়ে অভিষিক্ত করেছে। কূটনৈতিকভাবে বাংলাদেশকে অধিকতর মর্যাদার আসনে আসীন করেছে বলে উল্লেখ করেন আরিফুল ইসলাম।

তিনি উল্লেখ করেন, নিরস্ত্রীকরণের ক্ষেত্রে বিশেষ করে পারমানবিক নিরস্ত্রীকরণে বিগত অনেকগুলো বছরে তেমন কোনো অগ্রগতি অর্জিত হচ্ছিল না। এ নিরিখে গত বছর জাতিসংঘে একটি প্রস্তাব গৃহীত হওয়া একটি উল্লেখযোগ্য অর্জন এবং বাংলাদেশ এতে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহন করে। নিরস্ত্রীকরণে আমাদের নীতিগত অবস্থানের প্রেক্ষিতে আমরা গত সেপ্টেম্বরে এ চুক্তিটি স্বাক্ষর করেছি। আমরা এরূপ প্রথম ৫০টি দেশের মধ্যে একটি। আমরা নিরস্ত্রীকরণ বিষয়ে গত বছর নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত সকল সভা ও নেগোসিয়েশনে সক্রিয় অবদান রেখেছি।

গত বছরের শেষ দিকে বাংলাদেশ শান্তিরক্ষা মিশনে শান্তি বাহিনী প্রেরণে অন্য দেশগুলোর মধ্যে দ্বিতীয় অবস্থানে উঠে এসেছে। বর্তমানে শান্তিরক্ষা মিশনে কর্মরত বাংলাদেশিদের সংখ্যা ৭৩৭২।তীব্র প্রতিযোগিতা সত্বেও আমাদের এ অবস্থান এটি বাংলাদেশের ওপর জাতিসংঘের আস্থারই স্বীকৃতি।

এদিকে, চলতি বছর ২০১৮ সালে জাতিসংঘের জন্য কিছু কিছু রাষ্ট্রের বহুপাক্ষিক কূটনীতি হতে সরে আসা এবং আসার ইঙ্গিত, জাতিসংঘে বাজেট হ্রাস এবং এসডিজি বাস্তবায়নে অর্থায়নের অপ্রতুলতাকে সম্ভাব্য বড় চ্যালেঞ্জ বলে উল্লেখ করেন উপ-স্থায়ী প্রতিনিধি তারেক মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম।

রোহিঙ্গা সমস্যা নিয়ে ধারাবাহিকভাবে বাংলাদেশের ইতিবাচক ভূমিকা জাতিসংঘসহ সর্বমহলে সমাদৃত হয়েছে। রোহিঙ্গাদের মানবিক সহায়তা প্রদানের ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর মানবিক ও দায়িত্বশীল পদক্ষেপ উন্নয়নশীল দেশ হওয়া সত্বেও বাংলাদেশকে বিশ্বের দরবারে উদার দেশ হিসেবে পরিচিত করেছে। বিশ্ব সম্প্রদায় বার বার বাংলাদেশকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। যা বাংলাদেশকে আরেকটি নতুন পরিচয়ে অভিষিক্ত করেছেন।


মন্তব্য